মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ
স্ট্রিম ডেস্ক

আজ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী শাফিন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২৪ সালের এই দিনে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। কিন্তু চলে যাওয়ায় থেমে যায়নি তাঁর গান। আজও ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘নীলা’ কিংবা ‘জ্বালা জ্বালা’ শুনে নস্টালজিয়ায় ভাসেন পুরোনো শ্রোতারা। আবার নতুন প্রজন্মও ইউটিউব, স্পটিফাইসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আবিষ্কার করছে তাঁর গান। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতে যে ছাপ তিনি রেখে গেছেন, তা আজও অমলিন।
শাফিন আহমেদের জন্ম ১৯৬১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায়। তাঁর মা কিংবদন্তি নজরুলসংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগম। বাবা উপমহাদেশের বিখ্যাত সুরকার কমল দাশগুপ্ত। তাই ছোটবেলা থেকেই তাঁর চারপাশে ছিল গান, সুর আর বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশ।
শাফিন আহমেদ ছোটবেলাতেই গান শিখেছেন। বাবার কাছে উচ্চাঙ্গসংগীতের তালিম নিয়েছেন, আর মায়ের কাছে শিখেছেন নজরুলসংগীত। খুব অল্প বয়সেই তাঁর সংগীত প্রতিভা ধরা পড়ে। মাত্র নয় বছর বয়সে নজরুলের শিশুতোষ গান ‘প্রজাপতি প্রজাপতি’ রেকর্ড করেছিলেন।

এরপর পরিবারের সঙ্গে কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। শখে গানবাজনা করতেন। পড়াশোনার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে গিয়ে তিনি পশ্চিমা রক ও পপ সংগীতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হন। বিটলস, কুইনসহ অনেক বিখ্যাত ব্যান্ডের গান তাঁকে আকৃষ্ট করে।
দেশে ফিরে শাফিন বড় ভাই হামিন আহমেদের সঙ্গে ব্যান্ডসংগীতে মন দেন। ১৯৭৯ সালে মাইলস ব্যান্ডের সঙ্গে তাঁর পথচলা শুরু হয়। সে সময় ব্যান্ডটি মূলত ইংরেজি গান গাইত। ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সপ্তাহে কয়েক দিন নিয়মিত পারফর্ম করতেন তারা। প্রথম দুটি অ্যালবামও ছিল ইংরেজি ভাষায়।
তবে পরে তারা বুঝতে পারেন, নিজেদের ভাষায় গান গাইলেই মানুষের কাছে আরও বেশি পৌঁছানো যাবে। সেই ভাবনা থেকেই বাংলা গান তৈরি শুরু করেন তারা।
১৯৯১ সালে প্রকাশিত হয় মাইলসের প্রথম বাংলা অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’। এই অ্যালবাম প্রকাশের পর যেন সবকিছু বদলে যায়। ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘ফিরিয়ে দাও’সহ একের পর এক গান সারা দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর ‘প্রত্যয়’, ‘প্রয়াস’, ‘প্রতিচ্ছবি’সহ আরও কয়েকটি অ্যালবাম প্রকাশ করে মাইলস। খুব অল্প সময়েই তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর একটিতে পরিণত হয়।

মাইলসের সাফল্যের পেছনে শাফিন আহমেদের অবদান ছিল অনেক বড়। ব্যান্ডটির বেশির ভাগ জনপ্রিয় গানই তাঁর কণ্ঠে। শুধু গায়ক হিসেবেই নয়, তিনি ছিলেন একজন দক্ষ বেজিস্ট, গীতিকার ও সুরকারও।
শাফিন আহমেদের কণ্ঠে জনপ্রিয় গানের তালিকা অনেক দীর্ঘ। ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘নীলা’, ‘প্রথম প্রেমের মতো’, ‘পিয়াসী মন’, ‘ধিকি ধিকি’, ‘হৃদয়হীনা’, ‘কতকাল খুঁজব তোমায়’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘আজ জন্মদিন তোমার’—এমন অসংখ্য গান এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এসব গান শুধু জনপ্রিয়ই নয়, বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
শাফিন আহমেদের কণ্ঠ যেমন আলাদা ছিল, তেমনি আলাদা ছিল তাঁর মঞ্চে পারফর্ম করার ধরন। তিনি দর্শকদের সঙ্গে সহজেই এক ধরনের সম্পর্ক তৈরি করতে পারতেন। তাঁর মাথার হ্যাট, চোখে সানগ্লাস আর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি তাঁকে দেশের অন্যতম স্টাইলিশ রক তারকায় পরিণত করেছিল।
বাংলাদেশের বাইরে ভারতেও মাইলসের জনপ্রিয়তা ছিল অনেক। বিশেষ করে কলকাতায় তাদের কনসার্টে হাজার হাজার দর্শক ভিড় করতেন। ভারতের অনেক সংগীতশিল্পীও বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, শাফিন আহমেদের গান শুনেই তারা বড় হয়েছেন। বাংলা ব্যান্ডসংগীতকে দেশের সীমানার বাইরে পরিচিত করে তুলতেও তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।
শাফিন আহমেদ নিজের শিকড়কে কখনও ভুলে যাননি। পরে তিনি নজরুলসংগীতের একটি অ্যালবামও প্রকাশ করেন। শাফিন আহমেদ শুধু গান নিয়েই ভাবেননি। তিনি শিল্পীদের অধিকার নিয়েও কথা বলেছেন। বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতে কপিরাইট ও রয়্যালটির বিষয়টি নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরব ছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, শিল্পীরা যেন তাঁদের কাজের ন্যায্য মূল্য পান।
তবে দীর্ঘ সংগীতজীবনে সব সময় সুখের সময় ছিল না। মাইলসের ভেতরে বিভিন্ন সময়ে মতবিরোধ তৈরি হয়। কয়েকবার তিনি ব্যান্ড ছেড়ে চলে যান, আবার ফিরে আসেন। শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মাইলস থেকে আলাদা হওয়ার ঘোষণা দেন। পরে ‘রিদম অব লাইফ’ এবং ‘ভয়েস অব মাইলস’ নামে নতুন ব্যান্ড গড়েন। কিন্তু মানুষের কাছে শাফিন আহমেদ মানেই ছিল মাইলস। এই পরিচয় কখনও বদলায়নি।
সংগীতের বাইরে অল্প সময়ের জন্য তিনি রাজনীতিতেও যুক্ত হয়েছিলেন। একবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নের চেষ্টাও করেন। তবে সেই অধ্যায় বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি আবার সংগীতেই ফিরে আসেন।
জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত শাফিন আহমেদ গান নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে একটি কনসার্টে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সেখানেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। অসংখ্য ভক্ত, শিল্পী ও শুভাকাঙ্ক্ষী তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আবারও মনে পড়ে সেই কণ্ঠ, যে কণ্ঠে বড় হয়েছে একটি প্রজন্ম। তাঁর গান শুনে অনেক তরুণ ব্যান্ড গড়ার স্বপ্ন দেখেছে। অনেকেই প্রথম গিটার হাতে তুলে নিয়েছে তাঁর গান শুনে। এটাই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় অর্জন।
শাফিন আহমেদ আজ নেই, কিন্তু তাঁর গান আছে। যত দিন বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীত থাকবে, তত দিন থাকবে তাঁর নামও। নতুন প্রজন্ম হয়তো তাঁকে মঞ্চে দেখার সুযোগ পাবে না, কিন্তু তাঁর গান শুনেই তারা বুঝতে পারবে, কেন শাফিন আহমেদ বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের অন্যতম বড় কিংবদন্তি।

আজ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী শাফিন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২৪ সালের এই দিনে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। কিন্তু চলে যাওয়ায় থেমে যায়নি তাঁর গান। আজও ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘নীলা’ কিংবা ‘জ্বালা জ্বালা’ শুনে নস্টালজিয়ায় ভাসেন পুরোনো শ্রোতারা। আবার নতুন প্রজন্মও ইউটিউব, স্পটিফাইসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আবিষ্কার করছে তাঁর গান। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতে যে ছাপ তিনি রেখে গেছেন, তা আজও অমলিন।
শাফিন আহমেদের জন্ম ১৯৬১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায়। তাঁর মা কিংবদন্তি নজরুলসংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগম। বাবা উপমহাদেশের বিখ্যাত সুরকার কমল দাশগুপ্ত। তাই ছোটবেলা থেকেই তাঁর চারপাশে ছিল গান, সুর আর বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশ।
শাফিন আহমেদ ছোটবেলাতেই গান শিখেছেন। বাবার কাছে উচ্চাঙ্গসংগীতের তালিম নিয়েছেন, আর মায়ের কাছে শিখেছেন নজরুলসংগীত। খুব অল্প বয়সেই তাঁর সংগীত প্রতিভা ধরা পড়ে। মাত্র নয় বছর বয়সে নজরুলের শিশুতোষ গান ‘প্রজাপতি প্রজাপতি’ রেকর্ড করেছিলেন।

এরপর পরিবারের সঙ্গে কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। শখে গানবাজনা করতেন। পড়াশোনার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে গিয়ে তিনি পশ্চিমা রক ও পপ সংগীতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হন। বিটলস, কুইনসহ অনেক বিখ্যাত ব্যান্ডের গান তাঁকে আকৃষ্ট করে।
দেশে ফিরে শাফিন বড় ভাই হামিন আহমেদের সঙ্গে ব্যান্ডসংগীতে মন দেন। ১৯৭৯ সালে মাইলস ব্যান্ডের সঙ্গে তাঁর পথচলা শুরু হয়। সে সময় ব্যান্ডটি মূলত ইংরেজি গান গাইত। ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সপ্তাহে কয়েক দিন নিয়মিত পারফর্ম করতেন তারা। প্রথম দুটি অ্যালবামও ছিল ইংরেজি ভাষায়।
তবে পরে তারা বুঝতে পারেন, নিজেদের ভাষায় গান গাইলেই মানুষের কাছে আরও বেশি পৌঁছানো যাবে। সেই ভাবনা থেকেই বাংলা গান তৈরি শুরু করেন তারা।
১৯৯১ সালে প্রকাশিত হয় মাইলসের প্রথম বাংলা অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’। এই অ্যালবাম প্রকাশের পর যেন সবকিছু বদলে যায়। ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘ফিরিয়ে দাও’সহ একের পর এক গান সারা দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর ‘প্রত্যয়’, ‘প্রয়াস’, ‘প্রতিচ্ছবি’সহ আরও কয়েকটি অ্যালবাম প্রকাশ করে মাইলস। খুব অল্প সময়েই তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর একটিতে পরিণত হয়।

মাইলসের সাফল্যের পেছনে শাফিন আহমেদের অবদান ছিল অনেক বড়। ব্যান্ডটির বেশির ভাগ জনপ্রিয় গানই তাঁর কণ্ঠে। শুধু গায়ক হিসেবেই নয়, তিনি ছিলেন একজন দক্ষ বেজিস্ট, গীতিকার ও সুরকারও।
শাফিন আহমেদের কণ্ঠে জনপ্রিয় গানের তালিকা অনেক দীর্ঘ। ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘নীলা’, ‘প্রথম প্রেমের মতো’, ‘পিয়াসী মন’, ‘ধিকি ধিকি’, ‘হৃদয়হীনা’, ‘কতকাল খুঁজব তোমায়’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘আজ জন্মদিন তোমার’—এমন অসংখ্য গান এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এসব গান শুধু জনপ্রিয়ই নয়, বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
শাফিন আহমেদের কণ্ঠ যেমন আলাদা ছিল, তেমনি আলাদা ছিল তাঁর মঞ্চে পারফর্ম করার ধরন। তিনি দর্শকদের সঙ্গে সহজেই এক ধরনের সম্পর্ক তৈরি করতে পারতেন। তাঁর মাথার হ্যাট, চোখে সানগ্লাস আর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি তাঁকে দেশের অন্যতম স্টাইলিশ রক তারকায় পরিণত করেছিল।
বাংলাদেশের বাইরে ভারতেও মাইলসের জনপ্রিয়তা ছিল অনেক। বিশেষ করে কলকাতায় তাদের কনসার্টে হাজার হাজার দর্শক ভিড় করতেন। ভারতের অনেক সংগীতশিল্পীও বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, শাফিন আহমেদের গান শুনেই তারা বড় হয়েছেন। বাংলা ব্যান্ডসংগীতকে দেশের সীমানার বাইরে পরিচিত করে তুলতেও তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।
শাফিন আহমেদ নিজের শিকড়কে কখনও ভুলে যাননি। পরে তিনি নজরুলসংগীতের একটি অ্যালবামও প্রকাশ করেন। শাফিন আহমেদ শুধু গান নিয়েই ভাবেননি। তিনি শিল্পীদের অধিকার নিয়েও কথা বলেছেন। বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতে কপিরাইট ও রয়্যালটির বিষয়টি নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরব ছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, শিল্পীরা যেন তাঁদের কাজের ন্যায্য মূল্য পান।
তবে দীর্ঘ সংগীতজীবনে সব সময় সুখের সময় ছিল না। মাইলসের ভেতরে বিভিন্ন সময়ে মতবিরোধ তৈরি হয়। কয়েকবার তিনি ব্যান্ড ছেড়ে চলে যান, আবার ফিরে আসেন। শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মাইলস থেকে আলাদা হওয়ার ঘোষণা দেন। পরে ‘রিদম অব লাইফ’ এবং ‘ভয়েস অব মাইলস’ নামে নতুন ব্যান্ড গড়েন। কিন্তু মানুষের কাছে শাফিন আহমেদ মানেই ছিল মাইলস। এই পরিচয় কখনও বদলায়নি।
সংগীতের বাইরে অল্প সময়ের জন্য তিনি রাজনীতিতেও যুক্ত হয়েছিলেন। একবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নের চেষ্টাও করেন। তবে সেই অধ্যায় বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি আবার সংগীতেই ফিরে আসেন।
জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত শাফিন আহমেদ গান নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে একটি কনসার্টে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সেখানেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। অসংখ্য ভক্ত, শিল্পী ও শুভাকাঙ্ক্ষী তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আবারও মনে পড়ে সেই কণ্ঠ, যে কণ্ঠে বড় হয়েছে একটি প্রজন্ম। তাঁর গান শুনে অনেক তরুণ ব্যান্ড গড়ার স্বপ্ন দেখেছে। অনেকেই প্রথম গিটার হাতে তুলে নিয়েছে তাঁর গান শুনে। এটাই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় অর্জন।
শাফিন আহমেদ আজ নেই, কিন্তু তাঁর গান আছে। যত দিন বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীত থাকবে, তত দিন থাকবে তাঁর নামও। নতুন প্রজন্ম হয়তো তাঁকে মঞ্চে দেখার সুযোগ পাবে না, কিন্তু তাঁর গান শুনেই তারা বুঝতে পারবে, কেন শাফিন আহমেদ বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের অন্যতম বড় কিংবদন্তি।
.png)

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগপত্রে সদ্য সাবেক এই রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ‘আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরিক্ষায় Autonomic Neuropathy নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণ
৯ মিনিট আগে
প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট ঘিরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। নিট পরীক্ষার অনিয়ম ঘিরে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন শুধু সাধারণ কোনো ‘দাবি মানার’ আন্দোলনে সীমাবদ্ধ নেই। ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার দীর্ঘদিনের সংকটের প্রতিচ্ছবি এটি। ইতিমধ্যে আন্দোলনে সমর্থন জানিয়
২০ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি উদয় রহমানের ‘সুর’ নামে একটি গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অনেকদিন পরে বাংলা সাহিত্যের কোনো গল্প নিয়ে এমন আলোড়ন সৃষ্টি হলো। গল্পটি সত্যিই সাহিত্যমান উত্তীর্ণ হয়েছে কিনা, তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন।
১ দিন আগে
মানুষের বুকের ভেতর একটি দেশ থাকে। পাসপোর্ট তার ঠিকানা বদলে দিতে পারে, নাগরিকত্ব নতুন পরিচয় লিখে দিতে পারে, কিন্তু হৃদয়ের মানচিত্র কখনো সংশোধিত হয় না। পৃথিবীর দীর্ঘতম যাত্রা এক দেশ থেকে আরেক দেশে নয়; নিজের জন্মভূমি থেকে নিজের ভেতরের মানুষটির কাছে। তাই মহাভারতের যক্ষ যখন প্রশ্ন করেন, ‘কে প্রকৃত সু
২৩ জুলাই ২০২৬