স্ট্রিম ডেস্ক

ভোজনরসিক বাঙালির রসনাবিলাসে বৈচিত্র্য এনেছে আম। গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে কাঁচা আমের ঠান্ডা শরবত কিংবা শেষ পাতে একটু আমের টক, খাবারকে আরও সুস্বাদু করে তোলে।
কাঁচা আমের টক-ঝাল ঝাঁঝ আর পাকা আমের মিষ্টি স্বাদ আমাদের খাদ্য সংস্কৃতিকে করেছে দারুণ সমৃদ্ধ। শুধু ফল হিসেবে নয়, ডাল, চাটনি, আচার থেকে শুরু করে আমচুর বা আমসত্ত্বর মতো খাবারে আমের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।
আমের মৌসুম এলে কাচা-পাকা, দু’ধরনের আম দিয়েই বাড়িতে আমের জুস বা শরবত বানানো হয়। গরমের দিনে ঠান্ডা আমের জুস প্রাণ জুড়িয়ে দেয়।
বাইরের প্যাকেটজাত আমের জুস না কিনে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন। জুস বানাতে পাকা আম টুকরো করুন। ব্লেন্ডারের জারে আমের টুকরোগুলো দিন। সঙ্গে দিন ঠান্ডা পানি ও চিনি। টক ভাব রাখতে চাইলে তাতে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে দিতে পারেন।
সঙ্গে এক চিমটি বিট লবণ স্বাদ বাড়িয়ে দেবে। এবার সবকিছু ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন। ম্যাঙ্গো শেকও অনেকের খুব পছন্দ। ঘরে তৈরি ম্যাংগো শেক কিংবা ফ্রেশ জুসের স্বাদই আলাদা।
গ্রীষ্মের দুপুরে খাবারের সঙ্গে আমের টক খেতে দারুণ লাগে। সাধারণত কাঁচা আম দিয়ে এই পদ রাঁধা হয়। আম টক রান্নার জন্য আম লম্বা ফালি করে কেটে কড়াইতে সামান্য সরিষার তেল গরম করুন। তেলে সরষে ও শুকনো মরিচ ফোড়ন দিন।
এবার আমের টুকরোগুলো কড়াইতে ছাড়ুন। সামান্য হলুদ ও লবণ দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। আম একটু নরম হলে তাতে পানি দিন। ঝোল ফুটে উঠলে পরিমাণমতো চিনি দিন। ঝোল ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। গরমের দিনে শেষ পাতে আমের টক শরীর- মন দুই-ই জুড়ায়।
আমের মৌসুমে আম ডাল রান্না হয় না, এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া কঠিন। ডালের মধ্যে কাঁচা আমের টুকরো দিয়ে এই পদ রাঁধা হয়। পাতলা মসুর ডালের সঙ্গে আমের টক ভাব, ডালের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ।
প্রথমে মসুর ডাল ভালো করে ধুয়ে তাতে পানি, সামান্য হলুদ ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করুন। ডাল সেদ্ধ হলে ডালঘুটনি দিয়ে ঘুটে নিন। এবার কাঁচা আমের ফালি ডালে ছাড়ুন। আম সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। অন্য একটি পাত্রে সরিষার তেল গরম করুন। এই ফোটানো তেল ডালের মধ্যে ঢেলে দিন। গ্রীষ্মের দুপুরে গরম ভাতের সঙ্গে আলু ভর্তা আর আম ডাল হলে আর কী লাগে!
আমের মৌসুমে আম চাটনি না হলে কী হয়! চাটনি রাঁধতে আম চৌকো করে কেটে তেল দিয়ে ভাজুন। এতে সামান্য লবণ, হলুদ ও মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে দিন। আম নরম হলে এতে পরিমাণমতো পানি ও চিনি দিন।
চিনি গলে ঝোল ঘন হয়ে আসবে। নামানোর আগে ভাজা মশলার গুঁড়া ছড়িয়ে দিন। মৌরি ও জিরা ভেজে এই মশলা তৈরি হয়। সঙ্গে দিতে পারেন ভাজা পাঁচফোড়ন। এই চাটনি কাচের বয়ামে অনেক দিন রেখে খাওয়া যায়।
আমের আচারের নাম শুনলেই জিভে জল আসে। গ্রীষ্মকালে অনেক বাড়িতেই বৈয়াম ভর্তি থাকে হরেক পদের আচারে। চাইলে খোসাসহ বা খোসা ছাড়া আচারও বানানো যায়। আপনি কেমন আচার বানাতে চান, তার ওপর নির্ভর করে বদলে যায় রান্নার রেসিপি।
চাইলে রোদে শুকিয়ে তেলে ডুবানো আচার বানাতে পারেন। আবার চাইলে আম সেদ্ধ করে তাতে চিনি বা গুড় দিয়ে মিষ্টি আচার বানাতে পারেন। শুধু তেল-মশলা দিয়ে ঝাল আচারও হয়। খিচুড়ি বা ভাতের সঙ্গে আচার খেতে দারুণ লাগে।
লুকিয়ে লুকিয়ে আমচুর খাওয়ার মধুর স্মৃতি আমাদের অনেকেরই আছে। কাঁচা আম শুকিয়ে তৈরি হয় আমচুর। এটি মূলত আমের শুকনো গুঁড়ো মশলা। আমচুর বানাতে আম পাতলা করে কেটে কোনো মশলা ছাড়া শুধু রোদে শুকাতে হবে একদম মচমচে হওয়ার আগ পর্যন্ত।
শুকানো আম ব্লেন্ডারে গুঁড়ো করে নিন। তৈরি হয়ে গেল খাঁটি আমচুর পাউডার। ডাল বা তরকারিতে আমচুর ব্যবহার করা হয়। চটপটি বা ফুচকাতেও আমচুর দেওয়া হয়। বাজারেও এখন আমচুর পাউডার কিনতে পাওয়া যায়।
আমসত্ত্ব খেতে কে না ভালোবাসে? পাকা আমের রস দিয়ে তৈরি হয় এই পদ। রোদে শুকিয়ে আমসত্ত্ব বানানো হয়। আমসত্ত্ব বানাতে প্রথমে পাকা আমের খোসা ছাড়িয়ে নিন। হাত দিয়ে চটকে আমের রস বের করুন।
আঁশ ফেলার জন্য রস ছেঁকে নিন। একটি বড় কুলা বা থালায় তেল মাখুন। এবার আমের রস পাতলা করে লেপে দিন। থালাটি কড়া রোদে রেখে দিন। প্রথম স্তর শুকিয়ে গেলে আবার রস দিন। এভাবে স্তরের পর স্তর দিয়ে শুকাতে হয়।
আধুনিক রান্নায় আমের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। পাকা আম দিয়েও বানানো যায় মজাদার পুডিং।
পুডিং বানাতে প্রথমে আমের পিউরি নিন। তারপর একটি পাত্রে দুধ ও চিনি ফোটান। দুধের সঙ্গে কাস্টার্ড পাউডার বা জেলটিন মেশান। এবার ফোটানো দুধে আমের পিউরি দিন। সবকিছু ভালো করে মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটি ঘন হলে চুলা থেকে নামান। পুডিংয়ের ছাঁচে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রাখুন। দুই ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করুন। পাত্রে উপুড় করলেই তৈরি আমের পুডিং।
সালাদে আমের ব্যবহার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কাঁচা আমের কুচি সালাদে মেশালে এর স্বাদ অনেক বেড়ে যায়। সালাদ বানাতে শসা ও গাজর কুচিয়ে নিন। সঙ্গে দিন কাঁচা আমের মিহি কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা।
এতে সামান্য লেবুর রস ও চাট মশলা ছিটান। ভালো করে মিশিয়ে নিলেই আমের সালাদ রেডি। এ ছাড়া তালের বড়ার মতো আমের বড়াও বানানো যায়।

ভোজনরসিক বাঙালির রসনাবিলাসে বৈচিত্র্য এনেছে আম। গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে কাঁচা আমের ঠান্ডা শরবত কিংবা শেষ পাতে একটু আমের টক, খাবারকে আরও সুস্বাদু করে তোলে।
কাঁচা আমের টক-ঝাল ঝাঁঝ আর পাকা আমের মিষ্টি স্বাদ আমাদের খাদ্য সংস্কৃতিকে করেছে দারুণ সমৃদ্ধ। শুধু ফল হিসেবে নয়, ডাল, চাটনি, আচার থেকে শুরু করে আমচুর বা আমসত্ত্বর মতো খাবারে আমের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।
আমের মৌসুম এলে কাচা-পাকা, দু’ধরনের আম দিয়েই বাড়িতে আমের জুস বা শরবত বানানো হয়। গরমের দিনে ঠান্ডা আমের জুস প্রাণ জুড়িয়ে দেয়।
বাইরের প্যাকেটজাত আমের জুস না কিনে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন। জুস বানাতে পাকা আম টুকরো করুন। ব্লেন্ডারের জারে আমের টুকরোগুলো দিন। সঙ্গে দিন ঠান্ডা পানি ও চিনি। টক ভাব রাখতে চাইলে তাতে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে দিতে পারেন।
সঙ্গে এক চিমটি বিট লবণ স্বাদ বাড়িয়ে দেবে। এবার সবকিছু ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন। ম্যাঙ্গো শেকও অনেকের খুব পছন্দ। ঘরে তৈরি ম্যাংগো শেক কিংবা ফ্রেশ জুসের স্বাদই আলাদা।
গ্রীষ্মের দুপুরে খাবারের সঙ্গে আমের টক খেতে দারুণ লাগে। সাধারণত কাঁচা আম দিয়ে এই পদ রাঁধা হয়। আম টক রান্নার জন্য আম লম্বা ফালি করে কেটে কড়াইতে সামান্য সরিষার তেল গরম করুন। তেলে সরষে ও শুকনো মরিচ ফোড়ন দিন।
এবার আমের টুকরোগুলো কড়াইতে ছাড়ুন। সামান্য হলুদ ও লবণ দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। আম একটু নরম হলে তাতে পানি দিন। ঝোল ফুটে উঠলে পরিমাণমতো চিনি দিন। ঝোল ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। গরমের দিনে শেষ পাতে আমের টক শরীর- মন দুই-ই জুড়ায়।
আমের মৌসুমে আম ডাল রান্না হয় না, এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া কঠিন। ডালের মধ্যে কাঁচা আমের টুকরো দিয়ে এই পদ রাঁধা হয়। পাতলা মসুর ডালের সঙ্গে আমের টক ভাব, ডালের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ।
প্রথমে মসুর ডাল ভালো করে ধুয়ে তাতে পানি, সামান্য হলুদ ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করুন। ডাল সেদ্ধ হলে ডালঘুটনি দিয়ে ঘুটে নিন। এবার কাঁচা আমের ফালি ডালে ছাড়ুন। আম সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। অন্য একটি পাত্রে সরিষার তেল গরম করুন। এই ফোটানো তেল ডালের মধ্যে ঢেলে দিন। গ্রীষ্মের দুপুরে গরম ভাতের সঙ্গে আলু ভর্তা আর আম ডাল হলে আর কী লাগে!
আমের মৌসুমে আম চাটনি না হলে কী হয়! চাটনি রাঁধতে আম চৌকো করে কেটে তেল দিয়ে ভাজুন। এতে সামান্য লবণ, হলুদ ও মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে দিন। আম নরম হলে এতে পরিমাণমতো পানি ও চিনি দিন।
চিনি গলে ঝোল ঘন হয়ে আসবে। নামানোর আগে ভাজা মশলার গুঁড়া ছড়িয়ে দিন। মৌরি ও জিরা ভেজে এই মশলা তৈরি হয়। সঙ্গে দিতে পারেন ভাজা পাঁচফোড়ন। এই চাটনি কাচের বয়ামে অনেক দিন রেখে খাওয়া যায়।
আমের আচারের নাম শুনলেই জিভে জল আসে। গ্রীষ্মকালে অনেক বাড়িতেই বৈয়াম ভর্তি থাকে হরেক পদের আচারে। চাইলে খোসাসহ বা খোসা ছাড়া আচারও বানানো যায়। আপনি কেমন আচার বানাতে চান, তার ওপর নির্ভর করে বদলে যায় রান্নার রেসিপি।
চাইলে রোদে শুকিয়ে তেলে ডুবানো আচার বানাতে পারেন। আবার চাইলে আম সেদ্ধ করে তাতে চিনি বা গুড় দিয়ে মিষ্টি আচার বানাতে পারেন। শুধু তেল-মশলা দিয়ে ঝাল আচারও হয়। খিচুড়ি বা ভাতের সঙ্গে আচার খেতে দারুণ লাগে।
লুকিয়ে লুকিয়ে আমচুর খাওয়ার মধুর স্মৃতি আমাদের অনেকেরই আছে। কাঁচা আম শুকিয়ে তৈরি হয় আমচুর। এটি মূলত আমের শুকনো গুঁড়ো মশলা। আমচুর বানাতে আম পাতলা করে কেটে কোনো মশলা ছাড়া শুধু রোদে শুকাতে হবে একদম মচমচে হওয়ার আগ পর্যন্ত।
শুকানো আম ব্লেন্ডারে গুঁড়ো করে নিন। তৈরি হয়ে গেল খাঁটি আমচুর পাউডার। ডাল বা তরকারিতে আমচুর ব্যবহার করা হয়। চটপটি বা ফুচকাতেও আমচুর দেওয়া হয়। বাজারেও এখন আমচুর পাউডার কিনতে পাওয়া যায়।
আমসত্ত্ব খেতে কে না ভালোবাসে? পাকা আমের রস দিয়ে তৈরি হয় এই পদ। রোদে শুকিয়ে আমসত্ত্ব বানানো হয়। আমসত্ত্ব বানাতে প্রথমে পাকা আমের খোসা ছাড়িয়ে নিন। হাত দিয়ে চটকে আমের রস বের করুন।
আঁশ ফেলার জন্য রস ছেঁকে নিন। একটি বড় কুলা বা থালায় তেল মাখুন। এবার আমের রস পাতলা করে লেপে দিন। থালাটি কড়া রোদে রেখে দিন। প্রথম স্তর শুকিয়ে গেলে আবার রস দিন। এভাবে স্তরের পর স্তর দিয়ে শুকাতে হয়।
আধুনিক রান্নায় আমের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। পাকা আম দিয়েও বানানো যায় মজাদার পুডিং।
পুডিং বানাতে প্রথমে আমের পিউরি নিন। তারপর একটি পাত্রে দুধ ও চিনি ফোটান। দুধের সঙ্গে কাস্টার্ড পাউডার বা জেলটিন মেশান। এবার ফোটানো দুধে আমের পিউরি দিন। সবকিছু ভালো করে মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটি ঘন হলে চুলা থেকে নামান। পুডিংয়ের ছাঁচে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রাখুন। দুই ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করুন। পাত্রে উপুড় করলেই তৈরি আমের পুডিং।
সালাদে আমের ব্যবহার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কাঁচা আমের কুচি সালাদে মেশালে এর স্বাদ অনেক বেড়ে যায়। সালাদ বানাতে শসা ও গাজর কুচিয়ে নিন। সঙ্গে দিন কাঁচা আমের মিহি কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা।
এতে সামান্য লেবুর রস ও চাট মশলা ছিটান। ভালো করে মিশিয়ে নিলেই আমের সালাদ রেডি। এ ছাড়া তালের বড়ার মতো আমের বড়াও বানানো যায়।

আজ গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তিনি ছিলেন কলকাতার বিখ্যাত ব্যান্ড ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র দলনেতা, যিনি ‘মণিদা’ নামে সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। তাঁকে নিয়ে স্ট্রিমের সঙ্গে কথা বলেছেন গৌতম-পুত্র ‘লক্ষীছাড়া’ ব্যান্ডের গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু।
১ দিন আগে
আজ খাজা আহমদ আব্বাসের (১৯১৪–১৯৮৭) মৃত্যুদিন। তিনি ছিলেন ভারতীয় গণনাট্য আন্দোলন ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, উর্দু লেখক, সাংবাদিক, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক। জন্ম ভারতের পানিপতে। উর্দু সাহিত্যের দিকপাল মাওলানা আলতাফ হোসেন হালি ছিলেন তাঁর মাতামহর বাবা। তাঁর পিতামহর বাবা
১ দিন আগে
ঈদের ছুটি শেষে আব আবারও ফিরতে হচ্ছে কর্মব্যস্ত জীবনে। কবজি ডুবিয়ে খাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা মন চাইলেই বিছানায় গা এলিয়ে পড়ে থাকার দিন শেষ। এমন সুখের দিন কাটানোর পর কার ইচ্ছে করে কর্মমুখর দিনে ফিরে যেতে?
২ দিন আগে
কোরবানির ঈদের পর অনেকের শরীরেই শুরু হয় অন্য এক যুদ্ধ। কয়েক দিন ধরে টানা কোরবানির মাংস ও ভারী পদের খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ করেই দেখা দেয় অস্বস্তি। কারও গ্যাস, আবার কারও রক্তচাপ বেড়ে যায়। অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের ভাষায়, ঈদের পর শরীরকে ‘স্বাভাবিক বিপাকীয় অবস্থায়’ ফিরিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
২ দিন আগে