সাক্ষাৎকার

গল্প লিখে নিজেই গল্পের শিকার হয়েছি: উদয় রহমান

সম্প্রতি উদয় রহমানের ‘সুর’ নামে একটি গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অনেকদিন পরে বাংলা সাহিত্যের কোনো গল্প নিয়ে এমন আলোড়ন সৃষ্টি হলো। গল্পটি সত্যিই সাহিত্যমান উত্তীর্ণ হয়েছে কিনা, তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন। আবার অনেকেই গল্পটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন। সেই ‘সুর’ গল্পের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হয় লেখকের সঙ্গে। উদয় রহমানের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হুমায়ূন শফিক

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

স্ট্রিম গ্রাফিক

স্ট্রিম: ‘সুর’ গল্পটিতে শব্দপ্রযুক্তি, ৪৩২ হার্টজের ফ্রিকোয়েন্সি তত্ত্ব এবং বাঙালির লোকবিশ্বাস এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে। এই গল্পের মূল ভাবনা বা আইডিয়াটা আপনার মাথায় প্রথম কীভাবে এসেছিল?

উদয় রহমান: সত্যি বলতে, মাথার ভেতর অনেকদিন ঘুরছিল কথাটা। প্রথমে কিছু পডকাস্ট আর ইন্সটাগ্রাম রিলস দেখে ৪৪০ আর ৪৩২ এর কন্সপিরেসি থিওরি গুলো ইন্টারেস্টিং মনে হয়। এরপরে এই ব্যাপারে বই পড়া আর ডকুমেন্টারি দেখা শুরু করি। গান নিয়ে আকর্ষণ সেই ৫ বছর বয়স থেকেই। শব্দ, ফ্রিকোয়েন্সি, মিউজিক, কোয়ান্টাম ফিজিক্স, আর সুফিবাদ নিয়ে বেশ কিছু পড়াশোনা করার আগ্রহ হয়। ছয় মাস আগে হুট করে একদিন ভাবলাম এটাকে একটা গল্পে রূপ দিতে পারলে মন্দ হয় না। তখন থেকেই অনেক দিন ধরে লিখতে গিয়েও থেমে গিয়েছি জীবনের নানা চাপে। শেষ পর্যন্ত কোনো এক উইকেন্ডে লেখাটি শেষ করে ফেসবুকে দেই।

স্ট্রিম: গল্পের শুরুতেই দাদির সেই চিরাচরিত নিয়ম—‘রাত বারোটার পর গান বাজানো যাবে না, জ্বিন আসে।’ আধুনিক সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে এই গ্রাম্য সংস্কারকে মেলানোর পেছনের দর্শনটা কী?

উদয় রহমান: আমার কাছে সংস্কার আর বিজ্ঞান আলাদা কিছু মনে হয় না। দাদি “জ্বিন আসে” বলেছেন, ইঞ্জিনিয়ার বলবে “ফ্রিকোয়েন্সি রেসপন্স”। আমাদের ভেতরে যেন দুটো সত্তা থাকে, একটা যুক্তি খোঁজে, সবকিছুর ব্যাখ্যা চায়, আরেকটা ফিরে যেতে চায় দাদির মুখে শোনা জ্বিন-ভূতের গল্প, সহজ-সরল সেই সময়ে। গল্পে আমি আসলে এই দুই সত্তার টানাপোড়েনটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

স্ট্রিম: গল্পে ১৯৩৯ সালে স্ট্যান্ডার্ড টিউনিং ৪৪০ হার্টজে বদলে দেওয়া এবং এর পেছনে রাজনৈতিক/মনস্তাত্ত্বিক কারণ (মানুষকে অস্থির রাখা) থাকার যে বিষয়টি করিম ওস্তাদ বলেছেন, একজন লেখক হিসেবে এই তত্ত্বটিকে আপনি কতটা বিশ্বাস করেন?

উদয় রহমান: বিশ্বাস-অবিশ্বাসের ব্যাপার না। ঘটনাটা সত্যি, ৩৯ সালে টিউনিং বদলেছিল। এর পেছনে ষড়যন্ত্র ছিল কিনা, জানি না। তবে করিম ওস্তাদের মুখে কথাটা মানায়, তাই ওনাকে দিয়ে বলিয়েছি। গল্পের সুবিধা এই, নিজে দায় না নিয়েও কথাটা বলা যায়।

স্ট্রিম: জাপানি গবেষকের জলের ওপর সুরের প্রভাব এবং মানবদেহের ৭০ ভাগ জল হওয়ার বিষয়টিকে আপনি যেভাবে গল্পের চরিত্রের মানসিক রূপান্তরের সাথে মেলালেন—এটার পেছনে কি কোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে?

উদয় রহমান: ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ওই একটাই, খারাপ সময়ে কিছু গান শুনলে ভেতরটা সত্যিই নাড়া দেয়। বাকিটা গল্পের কারিগরি। শরীরের সত্তর ভাগ পানি, এই তথ্যটা পরে মিলিয়ে দেখলাম মজা লাগল। আমাদের দুনিয়ার সত্তর ভাগও কিন্তু পানিই। তাই ব্যাপারটি একেবারে উড়িয়ে দেয়ার মতোও না।

স্ট্রিম: ‘শুমান রেজোন্যান্স’ বা পৃথিবীর নিজস্ব কাঁপনকে করিম ওস্তাদ ‘দুনিয়ার জিকির’ বলেছেন। বিজ্ঞান আর আধ্যাত্মিকতার এই মেলবন্ধন ঘটানোর অনুপ্রেরণা কোথায় পেলেন?

উদয় রহমান: আমার মনে হয় সাধকরা যা টের পান তাদের আধ্যাত্মিক জগতে, বিজ্ঞানীরা তাই মাপেন, অংক কষে প্রমাণ করেন। দুজনের প্রক্রিয়া ভিন্ন। কিন্তু দুজনেই দুনিয়ার নিয়মনীতি আর সত্য পাওয়ার খোঁজে। “দুনিয়ার জিকির” কথাটা ছোটবেলায় সত্যিই দাদির মুখে শুনেছি। ধর্মগ্রন্থেও বলে তাই, এজন্যই রেখে দিলাম।

স্ট্রিম: ‘করিম ওস্তাদ’ চরিত্রটি একদিকে বধির, কানে হিয়ারিং এইড পরেন; অন্যদিকে তিনি সুরের পরম সাধক। চরিত্রটি নির্মাণের পেছনে কি বাস্তব কোনো ওস্তাদ বা সাধকের ছায়া আছে?

উদয় রহমান: নির্দিষ্ট কেউ না। তবে ছোটবেলায় আমার একজন গানের ওস্তাদ ছিলেন। উনি আমাকে গান শেখানোর জন্য জীবনে এক টাকা বেতন নেন নি। ওনার কাছে সংগীত ছিল আত্মার ব্যাপার, ব্যবসা নয়। তার ছায়া তো থাকেই, যারা সারাজীবন সুর সাধনা করলেন, নাম হলো না। বধিরত্বটা আমি ইচ্ছা করেই দিয়েছি। যে কানে শোনে না, অনেক সময় সেই-ই সুরের গভীরে পৌঁছে যায়। এই বৈপরীত্যটা আমার খুব ভালো লাগে। এর পেছনে জার্মান সুরকার Ludwig van Beethoven ও একটা অনুপ্রেরণা। তিনি প্রায় সম্পূর্ণ বধির হয়ে যাওয়ার পরও তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সিম্ফনিগুলো রচনা করেছিলেন। সেই ভাবনাটা কোথাও না কোথাও আমার লেখাতেও এসে গেছে।

স্ট্রিম: সুরাইয়া চরিত্রটি গল্পে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যগত জ্ঞানের এক নিখুঁত সেতু। সে তার দাদাকেও অন্ধভাবে বিশ্বাস করে না, আবার ফ্রিকোয়েন্সির প্রভাবকেও অস্বীকার করে না। সুরাইয়ার এই ব্যালান্সড দৃষ্টিভঙ্গি কি আজকের প্রজন্মের প্রতিনিধি?

উদয় রহমান: হ্যাঁ, সুরাইয়া আজকের প্রজন্ম। অন্ধ বিশ্বাসও না, অন্ধ অস্বীকারও না। এই ব্যালান্সটাই আমার কাছে সবচেয়ে বুদ্ধিমান অবস্থান মনে হয়। তাকে দিয়েই গল্পের প্রশ্নগুলো করিয়েছি।

স্ট্রিম: সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার নায়ক শুরুতে অত্যন্ত প্র্যাকটিক্যাল বা টেকনিক্যাল একজন মানুষ ছিল, পরে সে সুরের আধ্যাত্মিক দিকটা বুঝতে পারল। তার এই ভেতরের পরিবর্তনটা ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে আপনাকে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হয়েছে?

উদয় রহমান: চ্যালেঞ্জ একটাই, বদলটা যেন হঠাৎ না লাগে। টেকনিক্যাল মানুষ হুট করে সাধক হয়ে গেলে মিথ্যা শোনায়। তাই ধীরে, একটু একটু করে ফাটল ধরিয়েছি। বাকিটা পাঠক নিজেই বুঝে নেয়।

স্ট্রিম: ‘হ্যামেলিনের বাঁশিওয়ালা’র রূপকথাকে গল্পে করিম ওস্তাদ বাস্তব এবং ক্ষতিকর ফ্রিকোয়েন্সির খেলা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। গল্পে এই রূপকটি আনার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?

উদয় রহমান: হ্যামেলিনের গল্পটা তো আসলে শব্দ দিয়ে নিয়ন্ত্রণের গল্প। রূপকথা ভেবে আমরা পাশ কাটিয়ে যাই। আমি শুধু জিজ্ঞেস করতে চেয়েছি, বাঁশিওয়ালা যদি আজও থাকে? সে এখন বাঁশি বাজায় না, প্লেলিস্ট বানায়।

স্ট্রিম: করিম ওস্তাদ শেষ রাতে অন্তর্ধান হওয়ার আগে গলির ড্রেনের ইঁদুরগুলো দরজার সামনে এসে শান্ত হয়ে সার বেঁধে বসেছিল—এই দৃশ্যটি অত্যন্ত থ্রিলিং এবং অর্থবহ। এই ইমেজের মাধ্যমে আপনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উদয় রহমান: ইঁদুরের দৃশ্যটা নিয়ে অনেকে জিজ্ঞেস করেছে। সোজা উত্তর দিই না, ইচ্ছা করেই। কেউ ভাবুক সুরের টান, কেউ ভাবুক বাঁশিওয়ালার ফিরে আসা। যেটা বেশি গা ছমছম করায়, সেটাই ঠিক।

স্ট্রিম: টিনের বাক্সে রাখা বহু পুরনো বাঁশিটি কখনোই না খোলার শর্ত দেওয়া হয়েছে। এই ‘অব্যবহৃত/অনিঃসৃত সুরের বাক্স’ কি মানুষের সাধ্যের বাইরের কোনো মহাজাগতিক শক্তির রূপক?

উদয় রহমান: বাক্সটা আসলে ওই জিনিসটার রূপক, যা আমরা কেউ পুরোপুরি বাজাতে পারি না। সুর হোক, শক্তি হোক, ঈশ্বর হোক। খুললেই সব শেষ। কিছু জিনিস বন্ধ থাকাতেই সুন্দর।

স্ট্রিম: করিম ওস্তাদ চলে যাওয়ার রাতে সুরাইয়ার মতো এক তরুণীর গলা শোনা গিয়েছিল, কিন্তু সুরাইয়া তখন চট্টগ্রামে। পরে সুরাইয়া বলল—‘সুর যখন ডাকতে আসে, চেনা মানুষের গলা ধরে আসে।’ এই ভৌতিক অথচ সুরের গভীর সত্যের ধারণাটি কীভাবে ভাবলেন?

উদয় রহমান: এই লাইনটা আমার নিজেরও প্রিয়। ডাক যখন আসে, সে তো অচেনা রূপে আসে না, চেনা গলা ধরেই আসে। গ্রিক পুরাণের Odyssey-এর সাইরেনদের ডাকও তো এমনই ছিল। তাই তো ওডিসিউস সাইরেনের ডাক শুনে বলে, “All the things you wanted to be and then all the things you wished you never wished for.” নোলানের দ্য ওডিসি সিনেমাতেও এই ভাবনাটাকেই নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষকে শেষ পর্যন্ত টানে কোনো অচেনা শব্দ নয়, তার নিজের ভেতরের সবচেয়ে চেনা আকাঙ্ক্ষাই।

উদয় রহমান। ছবি: সংগৃহীত
উদয় রহমান। ছবি: সংগৃহীত

স্ট্রিম: সুরাইয়া গল্পে বলেছে, ‘আপনি মানুষের মগজের কেমিস্ট্রি বদলানোর মেশিন বা হিপনোটিস্ট।’ বর্তমান যুগে বাণিজ্যিক মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি যেভাবে ক্যাচি বিট দিয়ে মানুষের মন নিয়ন্ত্রণ করছে, এটা কি তার প্রতি এক ধরনের সাহিত্যিক প্রতিবাদ?

উদয় রহমান: প্রতিবাদ বলব না, তবে খোঁচা তো বটেই। আজকাল অনেক গান বানানো হয় কান ধরে রাখার জন্য, মন ছোঁয়ার জন্য না। কয়েক সেকেন্ডের হুক না এলে স্কিপ। সুরাইয়ার মুখ দিয়ে ওই অস্বস্তিটাই বলিয়ে নিলাম।

স্ট্রিম: ‘পচা খাবারে পেট খারাপ হয় একদিনে... পচা শব্দে মন খারাপ হয়, সহজে টেরও পাওয়া যায় না।’—শব্দদূষণ ও বেসুরা জীবনের প্রভাব নিয়ে আপনার এই বক্তব্যটি বর্তমান ঢাকা শহর বা আধুনিক জীবনের প্রেক্ষাপটে কতটা জরুরি বলে মনে করেন?

উদয় রহমান: খুব জরুরি মনে হয়। চব্বিশ ঘণ্টা একটা বেসুরো গুনগুন কানে বাজে, হর্ন, জেনারেটর, মাইক। পচা খাবার আমরা ফেলে দিই, পচা শব্দ গিলে ফেলি টেরও পাই না।

স্ট্রিম: আজান, সুরা ফাতিহা এবং শিশুর কানে জন্মমুহূর্তে আজান দেওয়ার যে শারীরবৃত্তীয় ও মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা করিম ওস্তাদ দিয়েছেন, তা পাঠককে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। এই বিষয়ে আপনার নিজস্ব কোনো গবেষণা ছিল কি?

উদয় রহমান: আলাদা করে কোনো একাডেমিক গবেষণা করিনি। তবে বিজ্ঞান, ধর্ম, কনস্পিরেসি -এসব বিষয় নিয়ে নিজের মতো করে অনেক পড়াশোনা আর ভাবার চেষ্টা করেছি। জন্মের পর কানে আজান দেওয়ার রীতিটাও আমাকে ভাবিয়েছে। প্রথম যে শব্দটা মানুষের কানে যায়, সেটা কি কোনো ছাপ ফেলে? এই প্রশ্নগুলো ঘুরতেই থাকত। নানা দিক থেকে আসা সেই চিন্তাগুলো মিলিয়ে আমার মাথায় যে ভাবনাগুলো তৈরি হয়েছে, করিম ওস্তাদের কথাগুলো আসলে সেগুলোরই একটা প্রকাশ।

স্ট্রিম: গল্পের শেষে এক মাসের শিশু ‘আয়াত’ ঘুমের মধ্যে ঠিক ৪৩২ হার্টজের সঠিক টিউনে গুনগুন করে ওঠে। এই সমাপ্তির মাধ্যমে আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যে সুর বা ফ্রিকোয়েন্সি আসলে জিনগত বা বংশানুক্রমিক রূপ নেয়?

উদয় রহমান: আয়াতের গুনগুন দিয়ে বলতে চেয়েছি, কিছু জিনিস শেখানো লাগে না, রক্তে থাকে। সুর মানুষের আদিমতম ভাষা, ভাষার চেয়েও পুরনো। জিনগতই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমার মা সুন্দর গান করেন, আমার গলায়ও বেসুরো নয়, আমার মেয়ের ক্ষেত্রেও তাই দেখছি।

স্ট্রিম: নবাবপুরের সেই গলি ‘সুর ঘর’ যেখানে সব কিছু সুরে বাঁধা হয়, আর নিকেতনের আধুনিক স্টুডিও—এই দুটি বিপরীত পরিবেশের মাধ্যমে আপনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার কোনো দ্বন্দ্বে আলোকপাত করতে চেয়েছেন?

উদয় রহমান: সুরঘর আর নিকেতনের স্টুডিও, দুইটাই আসলে সত্যি খোঁজার জায়গা, শুধু ভাষা আলাদা। আমি বলতে চাইনি একটা ভালো, আরেকটা খারাপ। বলতে চেয়েছি, পুরনো জিনিসটা হারিয়ে গেলে আমরা কী হারাই, সেটা টেরও পাই না।

স্ট্রিম: গল্পে বারবার ৪৩২ হার্টজ এবং ৪৪০ হার্টজের পার্থক্যের কথা বলা হয়েছে। এই গল্পটি লেখার পর আপনার কি নিজের গান শোনার বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের অভ্যাসে কোনো পরিবর্তন এসেছে?

উদয় রহমান: এসেছে, স্বীকার করি। এখন গান শোনার আগে মাঝেমাঝে ভাবি, এটা কোন টিউনে বাঁধা। একটু বাতিকগ্রস্ত হয়ে গেছি বলতে পারেন। গল্প লিখে নিজেই গল্পের শিকার।

স্ট্রিম: অনেকেই দেখলাম গল্পটি লিখতে আপনি এআইয়ের ব্যবহার করেছেন কি না, তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করতে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য জানতে চাই।

উদয় রহমান: আমি একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার ও ইকমার্স সল্যুশন এক্সপার্ট। আমার দৈনন্দিন জীবনে নানা সমস্যায় এআই ব্যবহার করি। গল্প বানানো বা লেখা আমার জন্য কোন সমস্যা নয়। এই কাজটা এসব টেকনোলজি থেকে দূরে গিয়ে একটু নিঃশ্বাস নেবার প্রয়াস!

Ad 300x250

সম্পর্কিত