স্কুলের প্রথম দিনই জীবনের শেষ দিন হলো ওয়াফার

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ১৭
ওয়াফার স্কুলে যাওয়ার এই আনন্দের ছবিটি এখন শুধুই স্মৃতি। ছবি: সংগৃহীত
ওয়াফার স্কুলে যাওয়ার এই আনন্দের ছবিটি এখন শুধুই স্মৃতি। ছবি: সংগৃহীত

ছোট্ট ওয়াফা, পরনে আকাশি-নীল ইউনিফর্ম, বুকে নেমট্যাগ। মুখে হৃদয়কাড়া হাসি নিয়ে শিশুটি বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা উদযাপন করছে, এমন একটি ছবি আজ প্রকাশিত হয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। কারণ ছবির এই প্রাণোচ্ছল ফিলিস্তিনি শিশুটির স্কুলের প্রথম দিনটিই পরিণত হয়েছে জীবনের শেষ দিনে।

নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুলে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছে শিশুটি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গাজা সিটির আল-নাসর এলাকায় ৬ সেপ্টেম্বর এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় স্কুল শেষে বাবার সঙ্গে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিল ৮ বছরের ওয়াফা ইউসেফ নাবিল আকিলা। সেসময় ইসরায়েলী ড্রোন হামলায় গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় ওয়াফার। বিধ্বস্ত গাড়িটি থেকে উদ্ধার করা হয় ওয়াফার প্রায় পুড়ে যাওয়া ব্যাগে থাকা আধপোড়া রঙিন ছবির বই।

বিধ্বস্ত গাড়িতে ওয়াফার আধপোড়া বই। ছবি: সংগৃহীত
বিধ্বস্ত গাড়িতে ওয়াফার আধপোড়া বই। ছবি: সংগৃহীত

এই ঘটনায় ওয়াফার বাবা ইউসেফ নাবিল রাবাহ আকিলাকে (৩৬) গুরুতর আহত অবস্থায় আল শিফা হাসপাতালে নেওয়া হলেও তিনি মারা যান।

এই ঘটনার পর নামেমাত্র যুদ্ধবিরতির তীব্র সমালোচনা ও বিক্ষোভ করেন ঘটনাস্থলে আসা ফিলিস্তিনিরা।

এদিকে ইসরায়েলী সামরিক বাহিনীর দাবি, একজন হামাস সদস্যকে টার্গেট করে ওই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল।

আসছে নভেম্বরের ১১ তারিখ ৯ বছরে পা রাখতো ওয়াফা। অথচ এখন শিশুটির নাম যুক্ত হলোন গাজাযুদ্ধে প্রাণ হারানো হাজারো শিশুর তালিকায়।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত