স্ট্রিম প্রতিবেদক

তীব্র বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে দেশের তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এই সংকট নিরসন না হলে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের তৈরি পোশাক ক্রয়াদেশ হারানোর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা।
প্রয়োজন অনুসারে গ্যাস ও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় অনেক কারখানাই তাদের হাতে থাকা কার্যাদেশ অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারছে না। কোথাও উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকের বেশি কমেছে, কোথাও বন্ধ রয়েছে গ্যাসনির্ভর ইউনিট। এতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রয়াদেশ অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে।
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান আশাব্যঞ্জক নয়। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৮৮২ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। একই সময়ে তৈরি পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
এ ছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের ৩ হাজার ৯৩৫ কোটি ডলারের তুলনায় তা ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম। অন্যতম রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।
দেশে তৈরি পোশাক খাতের একটি শিল্পঘন অঞ্চল হলো গাজীপুর। জেলায় শিল্পখাতে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট, যেখানে ঘাটতি প্রায় ৪৫ শতাংশ। অনেক কারখানায় গ্যাসের চাপ প্রয়োজনীয় ৭ থেকে ৮ পিএসআইয়ের বিপরীতে মিলছে ২ পিএসআই বা তারও কম।
কার্যাদেশের লক্ষ্য পূরণে কোনো কোনো কারখানা বাধ্য হয়ে ডিজেল বা অন্য জ্বালানি ব্যবহার করে উৎপাদন চালাচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর পাশাপাশি এই খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ অর্থাৎ সুতা, বয়ন, নিটিং, ডাইং ও ফিনিশিং কারখানাও এ সংকটে পড়েছে।
বিদেশি ক্রেতারা এখনো ব্যাপকভাবে ক্রয়াদেশ প্রত্যাহার করছেন না। তবে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা খাতসংশ্লিষ্টদের।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘বিদেশি ক্রেতারা চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয়াদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন না। তাই এখনই ক্রয়াদেশ বাতিলের বড় ধরনের ঘটনা দেখা যাচ্ছে না। তবে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পড়তে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালের আন্দোলনের সময়ে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব দুই বছর পর এসে দৃশ্যমান হচ্ছে। বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবও সামনে দেখা যেতে পারে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে নতুন কার্যাদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্রেতারা সতর্ক অবস্থান নিতে পারেন।’
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সেখানে ভোক্তা ব্যয় কমেছে। ফলে ক্রেতারা দাম কমানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন। একই সময়ে চীন, ভারত ও ভিয়েতনামের রপ্তানিকারকেরা বাজার দখলে আগ্রাসী কৌশল নিয়েছেন। ফলে তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের কম দামে ক্রয়াদেশ নিতে হচ্ছে। কিন্তু বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে গিয়ে তাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে।
গার্মেন্টস খাতের প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি সেলিম রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার ধরন পরিবর্তন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, ব্যাংকিং জটিলতা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে অনেক কারখানাকেই এখন টিকে থাকতে লড়াই করতে হচ্ছে।
এদিকে নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানিয়েছেন, তার কারখানার ইউরোপীয় এক ক্রেতা প্রতিশ্রুতির তুলনায় ক্রয়াদেশ এক-তৃতীয়াংশ কমিয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তারা ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
মোহাম্মদ হাতেমের মতে, এমনিতেই রপ্তানি কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হ্রাস, ব্যাংকিং জটিলতা, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে পোশাক শিল্প কঠিন সময় পার করছে। তার ওপর চলমান জ্বালানি সংকটে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে।
বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) বর্তমান প্রশাসক ফজলুল হক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির পরিবর্তনের পর চীন ও ভিয়েতনাম ইউরোপের বাজারে আগ্রাসী বিপণন কৌশল নিয়েছে। নীতিগত জটিলতা ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাংলাদেশ সেই প্রতিযোগিতায় তাল মেলাতে পারছে না।
এমন অবস্থায় খাতসংশ্লিষ্টরা গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়তা, সহজ অর্থায়ন, নীতিগত স্থিতিশীলতা ও প্রণোদনার দ্রুত বাস্তবায়নও চান তারা।

তীব্র বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে দেশের তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এই সংকট নিরসন না হলে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের তৈরি পোশাক ক্রয়াদেশ হারানোর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা।
প্রয়োজন অনুসারে গ্যাস ও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় অনেক কারখানাই তাদের হাতে থাকা কার্যাদেশ অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারছে না। কোথাও উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকের বেশি কমেছে, কোথাও বন্ধ রয়েছে গ্যাসনির্ভর ইউনিট। এতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রয়াদেশ অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে।
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান আশাব্যঞ্জক নয়। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৮৮২ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। একই সময়ে তৈরি পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
এ ছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের ৩ হাজার ৯৩৫ কোটি ডলারের তুলনায় তা ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম। অন্যতম রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।
দেশে তৈরি পোশাক খাতের একটি শিল্পঘন অঞ্চল হলো গাজীপুর। জেলায় শিল্পখাতে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট, যেখানে ঘাটতি প্রায় ৪৫ শতাংশ। অনেক কারখানায় গ্যাসের চাপ প্রয়োজনীয় ৭ থেকে ৮ পিএসআইয়ের বিপরীতে মিলছে ২ পিএসআই বা তারও কম।
কার্যাদেশের লক্ষ্য পূরণে কোনো কোনো কারখানা বাধ্য হয়ে ডিজেল বা অন্য জ্বালানি ব্যবহার করে উৎপাদন চালাচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর পাশাপাশি এই খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ অর্থাৎ সুতা, বয়ন, নিটিং, ডাইং ও ফিনিশিং কারখানাও এ সংকটে পড়েছে।
বিদেশি ক্রেতারা এখনো ব্যাপকভাবে ক্রয়াদেশ প্রত্যাহার করছেন না। তবে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা খাতসংশ্লিষ্টদের।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘বিদেশি ক্রেতারা চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয়াদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন না। তাই এখনই ক্রয়াদেশ বাতিলের বড় ধরনের ঘটনা দেখা যাচ্ছে না। তবে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পড়তে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালের আন্দোলনের সময়ে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব দুই বছর পর এসে দৃশ্যমান হচ্ছে। বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবও সামনে দেখা যেতে পারে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে নতুন কার্যাদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্রেতারা সতর্ক অবস্থান নিতে পারেন।’
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সেখানে ভোক্তা ব্যয় কমেছে। ফলে ক্রেতারা দাম কমানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন। একই সময়ে চীন, ভারত ও ভিয়েতনামের রপ্তানিকারকেরা বাজার দখলে আগ্রাসী কৌশল নিয়েছেন। ফলে তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের কম দামে ক্রয়াদেশ নিতে হচ্ছে। কিন্তু বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে গিয়ে তাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে।
গার্মেন্টস খাতের প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি সেলিম রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার ধরন পরিবর্তন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, ব্যাংকিং জটিলতা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে অনেক কারখানাকেই এখন টিকে থাকতে লড়াই করতে হচ্ছে।
এদিকে নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানিয়েছেন, তার কারখানার ইউরোপীয় এক ক্রেতা প্রতিশ্রুতির তুলনায় ক্রয়াদেশ এক-তৃতীয়াংশ কমিয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তারা ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
মোহাম্মদ হাতেমের মতে, এমনিতেই রপ্তানি কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হ্রাস, ব্যাংকিং জটিলতা, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে পোশাক শিল্প কঠিন সময় পার করছে। তার ওপর চলমান জ্বালানি সংকটে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে।
বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) বর্তমান প্রশাসক ফজলুল হক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির পরিবর্তনের পর চীন ও ভিয়েতনাম ইউরোপের বাজারে আগ্রাসী বিপণন কৌশল নিয়েছে। নীতিগত জটিলতা ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাংলাদেশ সেই প্রতিযোগিতায় তাল মেলাতে পারছে না।
এমন অবস্থায় খাতসংশ্লিষ্টরা গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়তা, সহজ অর্থায়ন, নীতিগত স্থিতিশীলতা ও প্রণোদনার দ্রুত বাস্তবায়নও চান তারা।
.png)

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার যৌথ সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা দুই দেশের প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে কিছুটা ধীরগতি এসেছে। সমস্যা চিহ্নিত করে এই বাণিজ্য আরও সহজ ও কা
৯ ঘণ্টা আগে
বাধ্যতামূলকভাবে চালুর মাত্র দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেনের একক প্ল্যাটফর্ম বাংলা কিউআর-এ দৈনিক লেনদেন ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২৩ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনলাইনে কর রিটার্ন দাখিল বা ‘ই-রিটার্ন’ সিস্টেমের নিরাপত্তা ও কারিগরি ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি। কোনো সমান্তরাল ‘ডিজাস্টার রিকভারি (ডিআর) সাইট’ না থাকা, পুরোনো হার্ডওয়্যারের কার্যকাল শেষ হওয়ার মতো তথ্যও দিয়েছে।
২৩ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন আবদুর রহমান খান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য সাবেক এই চেয়ারম্যানকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২৩ আগস্ট ২০২৬