স্ট্রিম ডেস্ক

ইউক্রেনে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ব্রিটিশ গোপন প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এর ফলে ফ্রান্স ও ইউক্রেন মিলে ব্রিটিশ-ফরাসি নকশার স্কাল্প বা স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উদ্যোগ এগিয়ে নেবে। সোমবার (২৪ আগস্ট) কিয়েভ সফরে গিয়ে অনুমতি দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। একই সঙ্গে ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে দেশটির প্রতি দীর্ঘমেয়াদি সমর্থনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
ফ্রান্স ও ইউক্রেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউক্রেনে স্কাল্প ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন শুরু করা হতে পারে। যুক্তরাজ্যের অনুমতি দেওয়াকে এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইউরোপীয় অস্ত্র নির্মাতা এমবিডিএর তৈরি ‘স্কাল্প’ দীর্ঘপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। যুক্তরাজ্যে এটি স্টর্ম শ্যাডো নামে পরিচিত। ইউক্রেন এরই মধ্যে আমদানি করা স্কাল্প ও স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্য অনুযায়ী, স্কাল্পের সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার। এতে সর্বোচ্চ ৪০০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক বহনকারী ওয়ারহেড থাকতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্রটি টার্বোজেট ইঞ্জিনে চলে এবং ভূখণ্ডের খুব কাছ দিয়ে উড়ে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
ক্ষেপণাস্ত্রটির নেভিগেশন ব্যবস্থায় জিপিএস, ভূখণ্ডের মানচিত্র ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ফলে বিভিন্ন আবহাওয়ায় নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটির।
ইউক্রেনের জন্য স্কাল্পের বড় সুবিধা হলো, এটি মাটির গভীরে থাকা সামরিক স্থাপনা, কমান্ড বাঙ্কার ও সুরক্ষিত অবকাঠামোয় হামলা চালাতে পারে। তেল শোধনাগার বা গুদামের মতো তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনের তুলনায় এ ধরনের স্থাপনায় আঘাত হানতে ক্ষেপণাস্ত্রটি বেশি কার্যকর।
যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, যুক্তরাজ্য যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে এবং আগুনে ঘি ঢালছে।
এর আগে লন্ডনে রুশ দূতাবাসও সতর্ক করে বলেছিল, ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের সম্পৃক্ততা ও সহায়তা বাড়লে, দেশটিকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।
তবে ব্রিটেন ও ফ্রান্স এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে কতগুলো স্কাল্প বা স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছে, তা প্রকাশ করেনি। প্রায় ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালে এমবিডিএ এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন পুনরায় চালু করে।
তবে ব্রিটিশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের পরেও ইউক্রেনে বড় পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্রটির উৎপাদন শুরু হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। অবশ্য কিয়েভকে দীর্ঘমেয়াদে সমর্থনের কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন সরকার। প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম বলেছেন, ‘ইউক্রেনের নিরাপত্তাই আমাদের নিরাপত্তা।’
দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র তৈরিতে পিছিয়ে নেই ইউক্রেনও। দেশটির অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফায়ার পয়েন্ট এফপি-৫ ফ্লামিঙ্গো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।
প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার গভীরে হামলা চালানো সম্ভব। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চলতি মাসের শুরুতে দাবি করেন, রাশিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে একটি গুরুত্বপূর্ণ রকেট ইলেকট্রনিকস কারখানায় হামলায় ফ্লামিঙ্গো ব্যবহার করা হয়েছে।
জেলেনস্কির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুদ্ধক্ষেত্রে ফ্লামিঙ্গোর ব্যবহার শুরু হয়। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বলছে, চলতি বছর এই ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার আরও বেড়েছে।
ফায়ার পয়েন্ট দীর্ঘপাল্লার ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও তৈরি করছে।
ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের ফলে রাশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডই এখন মস্কোর জন্য এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। আটলান্টিক কাউন্সিলের ইউক্রেন অ্যালার্ট ব্লগের সম্পাদক পিটার ডিকিনসনের মতে, রাশিয়ার বিশাল আয়তনকে সামরিক সুবিধা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু ইউক্রেন এখন সেই সুবিধাকেই দুর্বলতায় পরিণত করার চেষ্টা করছে।
তাঁর মতে, রাশিয়ার বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে বাড়তে থাকা লক্ষ্যবস্তু রক্ষায় মস্কোকে সীমিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছড়িয়ে দিতে হচ্ছে। ইউক্রেনের কৌশল সফল হলে রাশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডই দেশটির জন্য সামরিক দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।

ইউক্রেনে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ব্রিটিশ গোপন প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এর ফলে ফ্রান্স ও ইউক্রেন মিলে ব্রিটিশ-ফরাসি নকশার স্কাল্প বা স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উদ্যোগ এগিয়ে নেবে। সোমবার (২৪ আগস্ট) কিয়েভ সফরে গিয়ে অনুমতি দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। একই সঙ্গে ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে দেশটির প্রতি দীর্ঘমেয়াদি সমর্থনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
ফ্রান্স ও ইউক্রেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউক্রেনে স্কাল্প ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন শুরু করা হতে পারে। যুক্তরাজ্যের অনুমতি দেওয়াকে এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইউরোপীয় অস্ত্র নির্মাতা এমবিডিএর তৈরি ‘স্কাল্প’ দীর্ঘপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। যুক্তরাজ্যে এটি স্টর্ম শ্যাডো নামে পরিচিত। ইউক্রেন এরই মধ্যে আমদানি করা স্কাল্প ও স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্য অনুযায়ী, স্কাল্পের সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার। এতে সর্বোচ্চ ৪০০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক বহনকারী ওয়ারহেড থাকতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্রটি টার্বোজেট ইঞ্জিনে চলে এবং ভূখণ্ডের খুব কাছ দিয়ে উড়ে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
ক্ষেপণাস্ত্রটির নেভিগেশন ব্যবস্থায় জিপিএস, ভূখণ্ডের মানচিত্র ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ফলে বিভিন্ন আবহাওয়ায় নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রটির।
ইউক্রেনের জন্য স্কাল্পের বড় সুবিধা হলো, এটি মাটির গভীরে থাকা সামরিক স্থাপনা, কমান্ড বাঙ্কার ও সুরক্ষিত অবকাঠামোয় হামলা চালাতে পারে। তেল শোধনাগার বা গুদামের মতো তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনের তুলনায় এ ধরনের স্থাপনায় আঘাত হানতে ক্ষেপণাস্ত্রটি বেশি কার্যকর।
যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, যুক্তরাজ্য যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে এবং আগুনে ঘি ঢালছে।
এর আগে লন্ডনে রুশ দূতাবাসও সতর্ক করে বলেছিল, ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের সম্পৃক্ততা ও সহায়তা বাড়লে, দেশটিকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।
তবে ব্রিটেন ও ফ্রান্স এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে কতগুলো স্কাল্প বা স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছে, তা প্রকাশ করেনি। প্রায় ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালে এমবিডিএ এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন পুনরায় চালু করে।
তবে ব্রিটিশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের পরেও ইউক্রেনে বড় পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্রটির উৎপাদন শুরু হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। অবশ্য কিয়েভকে দীর্ঘমেয়াদে সমর্থনের কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন সরকার। প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম বলেছেন, ‘ইউক্রেনের নিরাপত্তাই আমাদের নিরাপত্তা।’
দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র তৈরিতে পিছিয়ে নেই ইউক্রেনও। দেশটির অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফায়ার পয়েন্ট এফপি-৫ ফ্লামিঙ্গো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।
প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার গভীরে হামলা চালানো সম্ভব। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চলতি মাসের শুরুতে দাবি করেন, রাশিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে একটি গুরুত্বপূর্ণ রকেট ইলেকট্রনিকস কারখানায় হামলায় ফ্লামিঙ্গো ব্যবহার করা হয়েছে।
জেলেনস্কির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুদ্ধক্ষেত্রে ফ্লামিঙ্গোর ব্যবহার শুরু হয়। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বলছে, চলতি বছর এই ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার আরও বেড়েছে।
ফায়ার পয়েন্ট দীর্ঘপাল্লার ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও তৈরি করছে।
ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের ফলে রাশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডই এখন মস্কোর জন্য এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। আটলান্টিক কাউন্সিলের ইউক্রেন অ্যালার্ট ব্লগের সম্পাদক পিটার ডিকিনসনের মতে, রাশিয়ার বিশাল আয়তনকে সামরিক সুবিধা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু ইউক্রেন এখন সেই সুবিধাকেই দুর্বলতায় পরিণত করার চেষ্টা করছে।
তাঁর মতে, রাশিয়ার বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে বাড়তে থাকা লক্ষ্যবস্তু রক্ষায় মস্কোকে সীমিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছড়িয়ে দিতে হচ্ছে। ইউক্রেনের কৌশল সফল হলে রাশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডই দেশটির জন্য সামরিক দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।
.png)

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর এবার দেশটির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এটি হতে যাচ্ছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’। নতুন এই নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের বাণিজ্য মিত্ররা।
৭ মিনিট আগে
গাজা থেকে ঘুড়ি, বেলুন বা ড্রোন দেখা গেলে আবার হামলা জোরদারের হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই হুমকির পর ইতিমধ্যে ইসরায়েলি হামলায় চার বছরের এক শিশুসহ তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির সোমবার (২৪ আগস্ট) ইরান সফর যাচ্ছেন। অঞ্চলটিতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতেই তিনি এই সফর করবেন। রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির রাজধানী কোনাক্রির সবচেয়ে বড় ময়লার ভাগাড়ের আবর্জনার স্তূপ ধসে অন্তত ৩০ জন নিহত ও ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে আটকে থাকতে পারে বলে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর আল-জাজিরার।
১১ ঘণ্টা আগে