বিজেপি যেভাবে বাংলাদেশ ইস্যুকে ব্যবহার করেছেপশ্চিমবঙ্গ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন শুধু ১৫ বছর তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ক্ষমতায় আসার ঘটনা নয়। এটি সেই সময় হিসেবে দেখা হবে, যখন দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সীমান্ত সংক্রান্ত একটি বিষয় নতুন করে নির্বাচনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে ওঠে।০৯ মে ২০২৬
বিজেপির বিজয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি সন্ধিক্ষণ। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্টের উত্থান এবং ২০১১ সালে তৃণমূলের ক্ষমতা দখলের পর এই ফলাফল বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে তৃতীয় বড় বাঁক।০৮ মে ২০২৬
ভারত থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পাঁচ জেলার সীমান্তে সতর্কতাভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও ক্ষমতার পালাবদলকে ঘিরে সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দেশটি থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পঞ্চগড় সীমান্তে টহল বাড়ানো হয়েছে। অতিরিক্ত সদস্যও মোতায়েন করা হয়েছে।০৭ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু জাতীয়তাবাদ কি আবার ফিরে আসছেইতিহাসবিদদের একধরনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা-ব্যবস্থা থাকে। তাই তারা জানেন, প্রতিটি ইতিহাসেরই আবার নিজস্ব ইতিহাস আছে। ফলে তারা সহজে বিস্মিত হন না। এবারের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফল ব্যাপকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষে গেছে।০৬ মে ২০২৬
পরিবর্তনের পরিবর্তন: বিজেপি সরকার কি পারবে পশ্চিমবঙ্গের হাল ফেরাতে২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটিয়ে বিজেপির ক্ষমতা দখল—পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক অভাবনীয় মোড়। টানা ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসন এবং ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার পর এই ‘পরিবর্তনের পরিবর্তন’ সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।০৬ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চলছেই বিজেপিকর্মীদের তাণ্ডবনির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছেন দলের নেতাকর্মী। আবার কোথাও ভাঙা হচ্ছে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়। রাজ্যজুড়ে সহিংসতায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।০৬ মে ২০২৬
বিজেপিও কি অন্তত ১৫ বছরের জন্য ক্ষমতায়২০২৬-এর নির্বাচনে বিজেপির ভূমিধস বিজয়ের পর তাই অনেকেই সন্দেহ করছেন, পাঁচ বছরে বাংলায় গেরুয়া ঝড় থামবে না। দীর্ঘদিনের জন্যই হয়তো পশ্চিমবঙ্গের মসনদে বিজেপি টিকে থাকবে।০৫ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবিত্ত ও হিন্দু ভোট কেন তৃণমূল থেকে সরে গেল২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল রাজ্যের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণকে পাল্টে দিয়েছে। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ২০৬টি আসনে জয় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৮১ আসনে নেমে আসা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।০৫ মে ২০২৬
প্রথমে রাজনীতিই করতে চাননি থালাপতি, মামলা করেছিলেন মা বাবার বিরুদ্ধেজনপ্রিয় তামিল অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম’ (টিভিকে) ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি ভালো ফল করেছে এবং রাজ্যের একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়ে উঠেছে বিজয়ের।০৫ মে ২০২৬
অভয়ার জন্যই ভোট দিল পশ্চিমবঙ্গ!এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের যে ফলাফল সামনে এলো, তা রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব পালাবদলের ইঙ্গিত। এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে— বাংলার মহিলারা কি এবার একজোট হয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রত্যাখ্যান করলেন? ভোটের অঙ্ক অন্তত সেই বাস্তবতাই তুলে ধরছে।০৫ মে ২০২৬
বিজেপির বিজয়ে গয়েশ্বরভারতীয় জনগণ যাঁকে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাঁর সঙ্গে কাজ করবভারতের কোন রাজ্যে কে ক্ষমতায় আসল, তা নিয়ে বাংলাদেশের চিন্তার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ভারতের জনগণ যাঁকে ম্যান্ডেট দেবে, তাঁর সঙ্গেই আমরা কাজ করব।০৫ মে ২০২৬