স্ট্রিম ডেস্ক

মহাদেশীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ে কানাডার সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গঠিত একটি যৌথ বোর্ডে আর অংশ না নেওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কানাডা তাদের ‘প্রতিরক্ষা বাধ্যবাধকতা’ পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে অভিযোগ তুলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া কথা জানিয়েছে দেশটি। খবর আল-জাজিরার।
মার্কিন প্রতিরক্ষা আন্ডারসেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, পার্মানেন্ট জয়েন্ট বোর্ড অন ডিফেন্স’ ফোরামের সুবিধাগুলো ‘পুনর্বিবেচনা’র আগে তাঁর বিভাগ এতে অংশ নেবে না।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে গঠিত বোর্ডটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার একটি ফোরাম হিসেবে কাজ করে আসছিল।
কোলবি এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘একটি শক্তিশালী কানাডা, যা ফাঁপা কথার চেয়ে সামরিক শক্তিকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তা আমাদের সবার জন্যই কল্যাণকর। দুর্ভাগ্যবশত, কানাডা তার প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি পূরণে নির্ভরযোগ্য অগ্রগতি করতে ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কথার ফুলঝুরি আর বাস্তবতার মধ্যে এই ব্যবধান আমরা আর এড়িয়ে যেতে পারি না। প্রকৃত শক্তিগুলোকে অবশ্যই যৌথ প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে হবে।’
২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার পর থেকে কানাডার সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। ট্রাম্প মনে করেন, পশ্চিমা মিত্ররা মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করে আসছে। এ নিয়ে দেশগুলোকে তিরস্কার করার ক্ষেত্রে এই ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের সবশেষ উদাহরণ।
তবে মিত্র দেশগুলো ট্রাম্পের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তাদের যুক্তি, তারা সামরিক ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ নিতে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ঠিক এক বছর আগে নেদারল্যান্ডসের হেগে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে প্রায় প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে সম্মত হয়। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির অধীনে কানাডা এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল।
কার্নি সরকার জানিয়েছিল, প্রতিরক্ষার জন্য নির্ধারিত ৫ শতাংশের মধ্যে ৩.৫ শতাংশ যাবে কানাডার ‘মূল সামরিক সক্ষমতা’ জোরদার করার পেছনে। বাকি অংশ বন্দর উন্নয়ন, জরুরি প্রস্তুতি, অন্যান্য সম্পদসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে।
অবশ্য ২০২৫ সালের মার্চে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মার্কিন সামরিক ও অর্থনীতির ওপর কানাডার নির্ভরশীলতা কমানোর পক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়ে আসছেন কার্নি।
চলতি বছর এক বক্তব্যে তিনি এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন যেখানে কানাডার মতো ‘মধ্যম শক্তিগুলো’ বর্তমানের ‘শক্তিধরদের মধ্যের দ্বন্দ্ব’ এড়াতে একে অপরের সঙ্গে জোটবদ্ধ হবে। ওই শক্তিধর বলতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোকে ইঙ্গিত করেন।

মহাদেশীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ে কানাডার সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গঠিত একটি যৌথ বোর্ডে আর অংশ না নেওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কানাডা তাদের ‘প্রতিরক্ষা বাধ্যবাধকতা’ পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে অভিযোগ তুলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া কথা জানিয়েছে দেশটি। খবর আল-জাজিরার।
মার্কিন প্রতিরক্ষা আন্ডারসেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, পার্মানেন্ট জয়েন্ট বোর্ড অন ডিফেন্স’ ফোরামের সুবিধাগুলো ‘পুনর্বিবেচনা’র আগে তাঁর বিভাগ এতে অংশ নেবে না।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে গঠিত বোর্ডটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার একটি ফোরাম হিসেবে কাজ করে আসছিল।
কোলবি এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘একটি শক্তিশালী কানাডা, যা ফাঁপা কথার চেয়ে সামরিক শক্তিকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তা আমাদের সবার জন্যই কল্যাণকর। দুর্ভাগ্যবশত, কানাডা তার প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি পূরণে নির্ভরযোগ্য অগ্রগতি করতে ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কথার ফুলঝুরি আর বাস্তবতার মধ্যে এই ব্যবধান আমরা আর এড়িয়ে যেতে পারি না। প্রকৃত শক্তিগুলোকে অবশ্যই যৌথ প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে হবে।’
২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার পর থেকে কানাডার সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। ট্রাম্প মনে করেন, পশ্চিমা মিত্ররা মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করে আসছে। এ নিয়ে দেশগুলোকে তিরস্কার করার ক্ষেত্রে এই ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের সবশেষ উদাহরণ।
তবে মিত্র দেশগুলো ট্রাম্পের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তাদের যুক্তি, তারা সামরিক ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ নিতে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ঠিক এক বছর আগে নেদারল্যান্ডসের হেগে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে প্রায় প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে সম্মত হয়। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির অধীনে কানাডা এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল।
কার্নি সরকার জানিয়েছিল, প্রতিরক্ষার জন্য নির্ধারিত ৫ শতাংশের মধ্যে ৩.৫ শতাংশ যাবে কানাডার ‘মূল সামরিক সক্ষমতা’ জোরদার করার পেছনে। বাকি অংশ বন্দর উন্নয়ন, জরুরি প্রস্তুতি, অন্যান্য সম্পদসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে।
অবশ্য ২০২৫ সালের মার্চে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মার্কিন সামরিক ও অর্থনীতির ওপর কানাডার নির্ভরশীলতা কমানোর পক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়ে আসছেন কার্নি।
চলতি বছর এক বক্তব্যে তিনি এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন যেখানে কানাডার মতো ‘মধ্যম শক্তিগুলো’ বর্তমানের ‘শক্তিধরদের মধ্যের দ্বন্দ্ব’ এড়াতে একে অপরের সঙ্গে জোটবদ্ধ হবে। ওই শক্তিধর বলতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোকে ইঙ্গিত করেন।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালানোর পর কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এ তথ্য জানায়। খবর আল জাজিরার।
৪ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ)।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের (হিমার্স) মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। কৌশলগত জলসীমায় চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলায় দেশটির দিকে প্রথমবার বুধবার (১০ জুন) এই মহড়া চালানো হয়।
২১ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে দেশটির সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
১ দিন আগে