স্ট্রিম ডেস্ক

দেশজুড়ে তীব্র সংঘাতের কারণে সুদানের কোরদোফান অঞ্চলে ২ লাখের বেশি মানুষ নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এ তথ্য জানায়।
আইওএমের মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, সুদানজুড়ে পরিবারগুলো সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালাচ্ছে। পানি, বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যসেবার পাচ্ছে না। এর সঙ্গে এখন ভয়াবহ বন্যা যুক্ত হয়েছে।
২০২৩ সালে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধে অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ।
আইওএম জানিয়েছে, এল-ওবেইদ শহরসহ কোরদোফানের শেইকান জেলায় গত আট মাসে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
শহরটিতে আরএসএফের ড্রোন হামলায় প্রধান বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে পানি পাম্প করা, হাসপাতাল পরিচালনা এবং ফোন লাইন সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
কোরদোফানের বাইরে ব্লু নাইল রাজ্যেও প্রায় ৭৮ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। আর ওয়েস্ট দারফুরে আগস্টের প্রথমার্ধে প্রায় ১৮ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এদিকে নর্থ দারফুরের তাওইলা এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ১ হাজারের বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছে আইওএম।
জাতিসংঘের জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সুদানে প্রায় ৮৬ লাখ মানুষ দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে গেছে ৪২ লাখের বেশি মানুষ। দেশটিতে মানবিক সহায়তার প্রয়োজন ৩ কোটি ৩৭ লাখ মানুষের।
আল-জাজিরার প্রতিবেদক আলমিগদাদ আলরুহাইদ এল-ওবেইদের দিকে যাওয়া একটি প্রধান সড়ক থেকে জানান, ওই পথে আরএসএফের ড্রোন সেনাবাহিনীর যানবাহন, তেলবাহী ট্যাংকার ও পণ্যবাহী ট্রাক লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
সুদানের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা এল-ওবেইদ যুদ্ধের কারণে দীর্ঘ অবরোধের মুখে রয়েছে। তবে শহরের দক্ষিণ ও পশ্চিমে আরএসএফের অবস্থান রয়েছে এবং কাছের গ্রামগুলোতে তারা এখনো হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

দেশজুড়ে তীব্র সংঘাতের কারণে সুদানের কোরদোফান অঞ্চলে ২ লাখের বেশি মানুষ নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এ তথ্য জানায়।
আইওএমের মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, সুদানজুড়ে পরিবারগুলো সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালাচ্ছে। পানি, বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যসেবার পাচ্ছে না। এর সঙ্গে এখন ভয়াবহ বন্যা যুক্ত হয়েছে।
২০২৩ সালে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধে অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ।
আইওএম জানিয়েছে, এল-ওবেইদ শহরসহ কোরদোফানের শেইকান জেলায় গত আট মাসে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
শহরটিতে আরএসএফের ড্রোন হামলায় প্রধান বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে পানি পাম্প করা, হাসপাতাল পরিচালনা এবং ফোন লাইন সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
কোরদোফানের বাইরে ব্লু নাইল রাজ্যেও প্রায় ৭৮ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। আর ওয়েস্ট দারফুরে আগস্টের প্রথমার্ধে প্রায় ১৮ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এদিকে নর্থ দারফুরের তাওইলা এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ১ হাজারের বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছে আইওএম।
জাতিসংঘের জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সুদানে প্রায় ৮৬ লাখ মানুষ দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে গেছে ৪২ লাখের বেশি মানুষ। দেশটিতে মানবিক সহায়তার প্রয়োজন ৩ কোটি ৩৭ লাখ মানুষের।
আল-জাজিরার প্রতিবেদক আলমিগদাদ আলরুহাইদ এল-ওবেইদের দিকে যাওয়া একটি প্রধান সড়ক থেকে জানান, ওই পথে আরএসএফের ড্রোন সেনাবাহিনীর যানবাহন, তেলবাহী ট্যাংকার ও পণ্যবাহী ট্রাক লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
সুদানের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা এল-ওবেইদ যুদ্ধের কারণে দীর্ঘ অবরোধের মুখে রয়েছে। তবে শহরের দক্ষিণ ও পশ্চিমে আরএসএফের অবস্থান রয়েছে এবং কাছের গ্রামগুলোতে তারা এখনো হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
.png)

কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপি সমর্থিত হিন্দুত্ববাদী অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর (এসএফআই ও ডিএসও-ডিএসএফ) সমর্থকদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া এই সহিংসতায় ক্যাম্পাসজুড়ে আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফ্যাকাল্টি অব
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’কে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পরাজয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই তথাকথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ন
৩ ঘণ্টা আগে
বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার ছয় বছর পর চলতি মাসেই ব্রিটেনে ফিরছেন ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স- প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল দম্পতি। তাঁদের সঙ্গে দুই সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটও ব্রিটেনে ফিরবে। সেপ্টেম্বরে ব্রিটেনের একটি স্কুলে তাদের পড়াশোনা শুরু করার কথা।
