স্ট্রিম ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার চীন সফর শেষ করেছেন। বাণিজ্যে বড় কোনো অগ্রগতি কিংবা ইরান যুদ্ধ বন্ধে বেইজিং থেকে দৃশ্যমান সহায়তা ছাড়াই ফিরছেন তিনি। যদিও দুই দিনের সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের প্রশংসা করেছেন বারবার। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীন সফর করলেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশটিতে ট্রাম্পের এই সফরের লক্ষ্য ছিল বাস্তব কিছু অর্জন দেখানো। যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কমে যাওয়া জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারেন তিনি।
সফরজুড়ে ছিল জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন। কুচকাওয়াজরত সেনাদের প্রদর্শনী থেকে শুরু করে গোপন বাগান পরিদর্শন। তবে বৈঠকের অন্তরালে সি চিন পিং ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে ভুল পদক্ষেপ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, সি তাকে জানিয়েছেন চীন তাইওয়ানের স্বাধীনতা বিরোধী।
ট্রাম্প বলেন, আমি তার কথা শুনেছি। তবে কোনো মন্তব্য করিনি। আমি কোনো পক্ষেই প্রতিশ্রুতি দিইনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তাইওয়ানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ঝুলে থাকা অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বেইজিংয়ে দুই দিনের সফরে এটাই ছিল ট্রাম্পের প্রথম খোলামেলা মন্তব্য। সফরজুড়ে তিনি অস্বাভাবিকভাবে সংযত ছিলেন।
ঝোংনানহাই কমপ্লেক্সে শেষ বৈঠকে ট্রাম্প সিকে বলেন, এটি অসাধারণ একটি সফর ছিল। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে অনেক ভালো কিছু হয়েছে।
ট্রাম্প তাৎক্ষণিক ব্যবসায়িক সাফল্য খুঁজছিলেন। এর মধ্যে বোয়িং বিমান বিক্রির একটি চুক্তিও ছিল। তবে এটি বিনিয়োগকারীদের প্রভাবিত করতে পারেনি। অন্যদিকে সি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্থিতিশীল বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দেন। এতে দুই নেতার অগ্রাধিকারের পার্থক্য স্পষ্ট হয়।
সি দুই দেশের সম্পর্ককে বর্ণনা করতে নতুন একটি শব্দ ব্যবহার করেন—‘গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীলতা’। এটি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ব্যবহৃত ‘কৌশলগত প্রতিযোগিতা’ শব্দের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। শব্দটি বেইজিং অপছন্দ করত।
বেইজিংয়ের ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজির পরিচালক দা ওয়েই বলেন, চীন কোনো বিকল্প প্রস্তাব দেয়নি। এখন দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এতে সম্মত হলে অগ্রগতি হবে।
বৃহস্পতিবারের বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার বিষয়ে দুই নেতার আগ্রহ আছে। পাশাপাশি সি যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনার আগ্রহ দেখিয়েছেন। যাতে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।
তবে শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুদ্ধ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে কঠোর ভাষায় বিবৃতি দেয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ারও কোনো কারণ নেই।
তারা আরও জানায়, যুদ্ধে জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধ বন্ধে শান্তিচুক্তির প্রচেষ্টা চীন সমর্থন করে।
ঝোংনানহাইয়ে ট্রাম্প বলেন, তারা ইরান নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং দুই দেশের অবস্থান কাছাকাছি। যদিও সি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। দেশে ফেরার পথে ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইরান ইস্যুতে কোনো অনুগ্রহ চাইছেন না।
তবুও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বেইজিংকে আহ্বান জানান, তারা যেন সমঝোতায় পৌঁছাতে তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, চীন ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ঢাল মনে করে। সি জিনপিং ইরানের ওপর কঠোর চাপ দেবেন না এবং তাদের সামরিক সাহায্য দেওয়াও বন্ধ করবেন না।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক প্যাট্রিসিয়া কিম বলেন, ইরান প্রসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি চীন দেয়নি।
ট্রাম্প ‘কাঠামোগত সংস্কার’, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা’ বা ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থা’ নিয়ে কোনো আলোচনা করেননি বলে দেশটির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এমনকি বৈঠকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে প্রচারিত চুক্তিটিও হতাশাজনক ছিল। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, চীন ২০০টি বোয়িং বিমান কিনবে। অথচ রয়টার্সকে সূত্রগুলো জানিয়েছিল, প্রায় ৫০০ বিমানের চুক্তি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এ ঘোষণার পর বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশ কমে যায়।
পরে ট্রাম্প বলেন, ২০০ বিমানের কাজ ভালো হলে অর্ডার বেড়ে ৭৫০টিতেও যেতে পারে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, কৃষিপণ্য বিক্রির কয়েকটি চুক্তি হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে অগ্রগতি হয়েছে। উভয় পক্ষ ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য চিহ্নিত করবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
তবে এসব চুক্তির বিস্তারিত তথ্য খুব কম। এছাড়া এনভিডিয়ার উন্নত এইচ২০০ এআই চিপ চীনে বিক্রির বিষয়ে কোনো অগ্রগতির লক্ষণও দেখা যায়নি। যদিও শেষ মুহূর্তে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং সফরে যোগ দিয়েছিলেন।
গত বছরের এপ্রিলে ট্রাম্পের দেওয়া শুল্কের জবাবে চীন তাদের বিরল খনিজ রপ্তানি কমিয়ে দেয়। এর পর থেকে তৈরী হওয়া সংকটের সমাধান ছাড়াই সফর শেষ করেন ট্রাম্প।
গত অক্টোবর দুই দেশ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিল। যেখানে ওয়াশিংটন শুল্ক কমাবে এবং বিনিময়ে চীন বিরল খনিজ সরবরাহ অব্যাহত রাখবে। কিন্তু চীনের পদক্ষেপের কারণে মার্কিন চিপ নির্মাতা ও মহাকাশ কোম্পানিগুলো সংকটে পড়ে।
এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি ও সি শুল্ক নিয়ে আলোচনা করেননি।
ব্রুকিংসের কিম বলেন, এ ধরনের সমঝোতা সম্মেলনের সফলতার সবচেয়ে মৌলিক মানদণ্ড হতো।
তাইওয়ান নিয়ে ভুল পদক্ষেপ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে—সির এই মন্তব্য ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মধ্যে একটি কড়া সতর্কবার্তা।
চীনের উপকূল থেকে ৫০ মাইল দূরে অবস্থিত গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত দ্বীপ তাইওয়ান। বহুদিন ধরেই দুই দেশের উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু এটি। দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি বেইজিং। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে বাধ্য।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এনবিসি নিউজকে বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি আজও অপরিবর্তিত।
তার এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া লুং।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার চীন সফর শেষ করেছেন। বাণিজ্যে বড় কোনো অগ্রগতি কিংবা ইরান যুদ্ধ বন্ধে বেইজিং থেকে দৃশ্যমান সহায়তা ছাড়াই ফিরছেন তিনি। যদিও দুই দিনের সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের প্রশংসা করেছেন বারবার। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীন সফর করলেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশটিতে ট্রাম্পের এই সফরের লক্ষ্য ছিল বাস্তব কিছু অর্জন দেখানো। যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কমে যাওয়া জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারেন তিনি।
সফরজুড়ে ছিল জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন। কুচকাওয়াজরত সেনাদের প্রদর্শনী থেকে শুরু করে গোপন বাগান পরিদর্শন। তবে বৈঠকের অন্তরালে সি চিন পিং ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে ভুল পদক্ষেপ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, সি তাকে জানিয়েছেন চীন তাইওয়ানের স্বাধীনতা বিরোধী।
ট্রাম্প বলেন, আমি তার কথা শুনেছি। তবে কোনো মন্তব্য করিনি। আমি কোনো পক্ষেই প্রতিশ্রুতি দিইনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তাইওয়ানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ঝুলে থাকা অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বেইজিংয়ে দুই দিনের সফরে এটাই ছিল ট্রাম্পের প্রথম খোলামেলা মন্তব্য। সফরজুড়ে তিনি অস্বাভাবিকভাবে সংযত ছিলেন।
ঝোংনানহাই কমপ্লেক্সে শেষ বৈঠকে ট্রাম্প সিকে বলেন, এটি অসাধারণ একটি সফর ছিল। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে অনেক ভালো কিছু হয়েছে।
ট্রাম্প তাৎক্ষণিক ব্যবসায়িক সাফল্য খুঁজছিলেন। এর মধ্যে বোয়িং বিমান বিক্রির একটি চুক্তিও ছিল। তবে এটি বিনিয়োগকারীদের প্রভাবিত করতে পারেনি। অন্যদিকে সি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্থিতিশীল বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দেন। এতে দুই নেতার অগ্রাধিকারের পার্থক্য স্পষ্ট হয়।
সি দুই দেশের সম্পর্ককে বর্ণনা করতে নতুন একটি শব্দ ব্যবহার করেন—‘গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীলতা’। এটি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ব্যবহৃত ‘কৌশলগত প্রতিযোগিতা’ শব্দের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। শব্দটি বেইজিং অপছন্দ করত।
বেইজিংয়ের ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজির পরিচালক দা ওয়েই বলেন, চীন কোনো বিকল্প প্রস্তাব দেয়নি। এখন দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এতে সম্মত হলে অগ্রগতি হবে।
বৃহস্পতিবারের বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার বিষয়ে দুই নেতার আগ্রহ আছে। পাশাপাশি সি যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনার আগ্রহ দেখিয়েছেন। যাতে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।
তবে শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুদ্ধ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে কঠোর ভাষায় বিবৃতি দেয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ারও কোনো কারণ নেই।
তারা আরও জানায়, যুদ্ধে জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধ বন্ধে শান্তিচুক্তির প্রচেষ্টা চীন সমর্থন করে।
ঝোংনানহাইয়ে ট্রাম্প বলেন, তারা ইরান নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং দুই দেশের অবস্থান কাছাকাছি। যদিও সি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। দেশে ফেরার পথে ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইরান ইস্যুতে কোনো অনুগ্রহ চাইছেন না।
তবুও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বেইজিংকে আহ্বান জানান, তারা যেন সমঝোতায় পৌঁছাতে তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, চীন ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ঢাল মনে করে। সি জিনপিং ইরানের ওপর কঠোর চাপ দেবেন না এবং তাদের সামরিক সাহায্য দেওয়াও বন্ধ করবেন না।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক প্যাট্রিসিয়া কিম বলেন, ইরান প্রসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি চীন দেয়নি।
ট্রাম্প ‘কাঠামোগত সংস্কার’, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা’ বা ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থা’ নিয়ে কোনো আলোচনা করেননি বলে দেশটির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এমনকি বৈঠকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে প্রচারিত চুক্তিটিও হতাশাজনক ছিল। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, চীন ২০০টি বোয়িং বিমান কিনবে। অথচ রয়টার্সকে সূত্রগুলো জানিয়েছিল, প্রায় ৫০০ বিমানের চুক্তি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এ ঘোষণার পর বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশ কমে যায়।
পরে ট্রাম্প বলেন, ২০০ বিমানের কাজ ভালো হলে অর্ডার বেড়ে ৭৫০টিতেও যেতে পারে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, কৃষিপণ্য বিক্রির কয়েকটি চুক্তি হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে অগ্রগতি হয়েছে। উভয় পক্ষ ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য চিহ্নিত করবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
তবে এসব চুক্তির বিস্তারিত তথ্য খুব কম। এছাড়া এনভিডিয়ার উন্নত এইচ২০০ এআই চিপ চীনে বিক্রির বিষয়ে কোনো অগ্রগতির লক্ষণও দেখা যায়নি। যদিও শেষ মুহূর্তে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং সফরে যোগ দিয়েছিলেন।
গত বছরের এপ্রিলে ট্রাম্পের দেওয়া শুল্কের জবাবে চীন তাদের বিরল খনিজ রপ্তানি কমিয়ে দেয়। এর পর থেকে তৈরী হওয়া সংকটের সমাধান ছাড়াই সফর শেষ করেন ট্রাম্প।
গত অক্টোবর দুই দেশ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিল। যেখানে ওয়াশিংটন শুল্ক কমাবে এবং বিনিময়ে চীন বিরল খনিজ সরবরাহ অব্যাহত রাখবে। কিন্তু চীনের পদক্ষেপের কারণে মার্কিন চিপ নির্মাতা ও মহাকাশ কোম্পানিগুলো সংকটে পড়ে।
এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি ও সি শুল্ক নিয়ে আলোচনা করেননি।
ব্রুকিংসের কিম বলেন, এ ধরনের সমঝোতা সম্মেলনের সফলতার সবচেয়ে মৌলিক মানদণ্ড হতো।
তাইওয়ান নিয়ে ভুল পদক্ষেপ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে—সির এই মন্তব্য ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মধ্যে একটি কড়া সতর্কবার্তা।
চীনের উপকূল থেকে ৫০ মাইল দূরে অবস্থিত গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত দ্বীপ তাইওয়ান। বহুদিন ধরেই দুই দেশের উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু এটি। দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি বেইজিং। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে বাধ্য।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এনবিসি নিউজকে বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি আজও অপরিবর্তিত।
তার এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া লুং।

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ইতুরিতে নতুন করে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) আফ্রিকার রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি আফ্রিকা) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৪৬ জন আক্রান্ত এবং অন্তত ৬৫ জন মারা গেছে। খবর বিবিসির।
৩ ঘণ্টা আগে
১৫ মে। ফিলিস্তিনিদের কাছে দিনটি ‘নাকবা দিবস’ নামে পরিচিত। আরবি ‘নাকবা’ শব্দের অর্থ বিপর্যয়। ১৯৪৮ সালের এই দিনে ফিলিস্তিনের জনগণ শিকার হয় মানব ইতিহাসেরই অন্যতম ভয়াবহ বিপর্যয়ের। একদিনের ব্যবধানে বাস্তুচ্যুত হয় ৭ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি। শুরু হয় তাদের শতাব্দীব্যাপী শরণার্থী জীবন।
১০ ঘণ্টা আগে
‘এই যুদ্ধ, যা কখনোই হওয়া উচিত ছিল না, তা দীর্ঘায়িত করার কোনো প্রয়োজন নেই। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান খুঁজে বের করা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ এবং পুরো বিশ্বের জন্যই মঙ্গলজনক হবে।’
১২ ঘণ্টা আগে
ভারতের উত্তরপ্রদেশে ধূলিঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাতে অন্তত ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ এবং ব্যাপক ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
১ দিন আগে