ফাবিহা বিনতে হক

বাঙালি বিয়ের অন্যতম রঙিন আর প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান গায়ে হলুদ। বর-কনের গায়ে থাকে হলুদ রঙের পোশাক, ঘরবাড়ি সাজানো হয় হলুদ রঙের গাঁদা ফুলে।
কিন্তু অনুষ্ঠানটির ধরন আগের চেয়ে অনেক পালটে গেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হলুদের সাজ-পোশাক, গয়না আর রীতিতে এসেছে পরিবর্তন। ঘরোয়া পরিবেশের আনন্দ-উচ্ছ্বাস এখন ধীরে ধীরে বদলে গেছে জাঁকজমক আর চাকচিক্যে।
আশি-নব্বইয়ের দশকের হলুদের সঙ্গে আজকালকার হলুদের অনুষ্ঠানের অনেক পার্থক্য। আগে হলুদের সাজ ছিল একদম ছিমছাম আর ঘরোয়া। কনের পরনে থাকত হলুদ রঙের সাধারণ সুতির শাড়ি।
শাড়িতে হয়তো থাকত লাল রঙের চিকন পাড় বা সাধারণ ব্লক প্রিন্টের কাজ। সাজ বলতে ছিল একদম সতেজ আর কাঁচা ফুলের মালা। খোঁপার বাঁধনে জড়ানো থাকত গাঁদা বা রজনীগন্ধা ফুল। অনেকেই তখন কপালে লাল টিপের সঙ্গে পরতেন ‘কুমকুম’। অডিও প্লেয়ারে বাজতো, ‘হলুদ বাটো, মেন্দি বাটো’ কিংবা ‘মালকা বানুর দেশে রে, বিয়ার বাদ্যওয়ালা বাজে রে’।
গায়ে-হলুদের আসল আকর্ষণ ছিল এর আচার-অনুষ্ঠানে। বাড়ির নারীরা, বিশেষ করে মা-চাচি, দাদি-নানিরা মিলে কনেকে হলুদ দিয়ে গোসল করাতেন। সেই কাঁচা হলুদে মিশে থাকত আদর আর স্নেহ। মাঝে মাঝে ভেসে আসত কনের মায়ের কান্নার সুর। কোনো শৌখিন বাড়িতে হয়তো সাধারণ ক্যামেরা দিয়ে কিছু ছবি তুলত বা ভিডিও করে রাখত। এই স্মৃতি খুব ‘পিকচার পার্ফেক্ট’ না হলেও সেখানে কোনো কৃত্রিমতা নেই।
নাম ‘গায়ে হলুদ’ হলেও এখন আর হলুদ মেখে গোসল করানোর সেই পুরোনো রীতি প্রায় বিলুপ্ত। এখন সুন্দর করে সাজানো রুপার বা পিতলের বাটিতে হলুদ রাখা হয় ঠিকই, কিন্তু তা কেবল নামেমাত্র ছোঁয়ানোর জন্য।
কনের ভারী মেকআপ আর দামি পোশাক নষ্ট হওয়ার ভয়ে কেউই আর গায়ে হলুদ মাখান না। শুধু আঙুল দিয়ে আলতো করে গালে বা হাতে একটু হলুদ ছুঁইয়ে দেওয়া হয়।
আর্থিক স্বচ্ছলতার সঙ্গে সঙ্গে হলুদের ফ্যাশনে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। সুতির শাড়ির জায়গা দখল করে নেয় সিল্ক, হাফসিল্ক বা কাতান শাড়ি। কেউ কেউ হলুদে জামদানি শাড়িও পরেন। কিন্তু ফ্যাশন তো আর এক জায়গায় থেমে থাকে না। সেই ট্রেন্ডেও এখন কিছুটা ভাটা পড়েছে। শাড়ির বদলে এখন কনেদের প্রথম পছন্দ লেহেঙ্গা বা গাউন।
এই পোশাকগুলোতে ভারতীয় বা পাকিস্তানি ডিজাইনের প্রভাব দেখা যায়। লম্বা ঘেরের লেহেঙ্গা, ক্রপ টপ আর স্কার্ট, কিংবা ভারী পাথর ও জরির কাজের গাউনে কনেরা সাজছেন। কেউ কেউ আবার শাড়ি পরলেও পরছেন আধুনিক ডিজাইনে।
অন্যদিকে আগে গায়ে হলুদ মানেই ছিল শুধু হলুদ রঙের রাজত্ব। কিন্তু এখন রঙের ধারণায় এসেছে বিশাল বৈচিত্র্য। শুধু হলুদ নয়, বরং লাল, কমলা, মেজেন্টা, গোলাপি, এমনকি সবুজ রঙের পোশাকেও সাজছেন কনেরা। অনেকেই গাঢ় রঙের বদলে প্যাস্টেল কালার বা হালকা রঙের দিকে ঝুঁকছেন।
দক্ষিণ ভারতীয় বিয়ের ট্রেন্ড অনুসরণ করে অনেকেই অফ হোয়াইট বা ঘিয়ে রঙের পোশাক বেছে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার কনের পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বর এবং দুই পরিবারের সদস্যরা পরছেন থিমভিত্তিক পোশাক।
ফুলের গয়নার ফ্যাশনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। আগে গায়ে-হলুদ মানেই ছিল কাঁচা ফুলের গয়না। এরপর রজনীগন্ধা আর গাঁদার পাশাপাশি বিভিন্ন রঙের গোলাপ, অর্কিড বা জার্বেরা ফুলের ব্যবহার শুরু হয়। এরপর এসেছে কাগজের বা কৃত্রিম ফুলের গয়না। নানা রঙের কাগজ, কাপড় বা ফোম দিয়ে তৈরি এসব গয়না বেশ টেকসই। তবে এখন ফুলের গয়নার ট্রেন্ডও যেন কিছুটা ম্লান হয়ে যাচ্ছে।

ফুলের বদলে কনেরা এখন ভারী গয়নার দিকে ঝুঁকছেন। গোল্ড প্লেটেড গয়না, কুন্দন, পুঁতি বা ভারী পাথর বসানো গয়না এখন হলুদের সাজে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। অনেকেই রুপার গয়না বা কালচে অক্সিডাইজড গয়না পরছেন। মাংটিকা, পাশা, সীতাহার, চোকার থেকে শুরু করে ভারী চেইন—সবকিছুই এখন হলুদের সাজের অংশ।
এর পাশাপাশি হলুদের মেকআপেও এসেছে পরিবর্তন। আগে কনেরা বাড়িতেই সেজে নিতেন। কিন্তু এখন পার্লার ছাড়া হলুদের সাজ অসম্পূর্ণ। এইচডি বা এয়ারব্রাশ মেকআপের সাহায্যে কনেরা নিচ্ছেন একদম নিখুঁত লুক। এই সবকিছুর পেছনে বড় কারণ হলো ‘পিকচার পারফেক্ট’ হওয়ার প্রবল ইচ্ছা। ভালো ছবির জন্য ভালো সাজ, ভালো আলো আর চোখ ধাঁধানো স্টেজ—এগুলো আজকালকার হলুদের প্রধান শর্ত। এমনও দেখা যায়, প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের নির্দেশনায় কনে আর বর ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুধু ছবিই তুলছেন।
গায়ে-হলুদ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে এর আবহ আর আয়োজনে। হারিয়ে যাচ্ছে মা-চাচিদের সেই দরদভরা গীত। একসময় কুলো বাজিয়ে, হাতে তালি দিয়ে যে গানগুলো গাওয়া হতো, তার জায়গা দখল করেছে সাউন্ড সিস্টেম।
ডিজে মিউজিক ছাড়া হলুদ যেন জমেই না। সবাই ব্যস্ত থাকেন পারফর্ম করার জন্য। বিয়ের কয়েক মাস আগে থেকেই চলে নাচের রিহার্সাল। কে কার চেয়ে ভালো নাচবে, কার এন্ট্রি কতটা রাজকীয় হবে—এসব নিয়েই থাকে সবার ভাবনা।
দেশি-বিদেশি সংস্কৃতির মিশ্রণে হলুদের অনুষ্ঠান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গ্ল্যামারাস। তবে এই জাঁকজমকের ভিড়ে সেই পুরোনো দিনের হলুদের মায়া, পারিবারিক উষ্ণতা একটু একটু করে ফিকে হয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে ফ্যাশন ও ট্রেন্ডে পরিবর্তন আসবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে আড়ম্বরের পাশাপাশি হলুদের সেই চিরায়ত স্নিগ্ধতাটুকুও বেঁচে থাকুক প্রতিটি আয়োজনে।

বাঙালি বিয়ের অন্যতম রঙিন আর প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান গায়ে হলুদ। বর-কনের গায়ে থাকে হলুদ রঙের পোশাক, ঘরবাড়ি সাজানো হয় হলুদ রঙের গাঁদা ফুলে।
কিন্তু অনুষ্ঠানটির ধরন আগের চেয়ে অনেক পালটে গেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হলুদের সাজ-পোশাক, গয়না আর রীতিতে এসেছে পরিবর্তন। ঘরোয়া পরিবেশের আনন্দ-উচ্ছ্বাস এখন ধীরে ধীরে বদলে গেছে জাঁকজমক আর চাকচিক্যে।
আশি-নব্বইয়ের দশকের হলুদের সঙ্গে আজকালকার হলুদের অনুষ্ঠানের অনেক পার্থক্য। আগে হলুদের সাজ ছিল একদম ছিমছাম আর ঘরোয়া। কনের পরনে থাকত হলুদ রঙের সাধারণ সুতির শাড়ি।
শাড়িতে হয়তো থাকত লাল রঙের চিকন পাড় বা সাধারণ ব্লক প্রিন্টের কাজ। সাজ বলতে ছিল একদম সতেজ আর কাঁচা ফুলের মালা। খোঁপার বাঁধনে জড়ানো থাকত গাঁদা বা রজনীগন্ধা ফুল। অনেকেই তখন কপালে লাল টিপের সঙ্গে পরতেন ‘কুমকুম’। অডিও প্লেয়ারে বাজতো, ‘হলুদ বাটো, মেন্দি বাটো’ কিংবা ‘মালকা বানুর দেশে রে, বিয়ার বাদ্যওয়ালা বাজে রে’।
গায়ে-হলুদের আসল আকর্ষণ ছিল এর আচার-অনুষ্ঠানে। বাড়ির নারীরা, বিশেষ করে মা-চাচি, দাদি-নানিরা মিলে কনেকে হলুদ দিয়ে গোসল করাতেন। সেই কাঁচা হলুদে মিশে থাকত আদর আর স্নেহ। মাঝে মাঝে ভেসে আসত কনের মায়ের কান্নার সুর। কোনো শৌখিন বাড়িতে হয়তো সাধারণ ক্যামেরা দিয়ে কিছু ছবি তুলত বা ভিডিও করে রাখত। এই স্মৃতি খুব ‘পিকচার পার্ফেক্ট’ না হলেও সেখানে কোনো কৃত্রিমতা নেই।
নাম ‘গায়ে হলুদ’ হলেও এখন আর হলুদ মেখে গোসল করানোর সেই পুরোনো রীতি প্রায় বিলুপ্ত। এখন সুন্দর করে সাজানো রুপার বা পিতলের বাটিতে হলুদ রাখা হয় ঠিকই, কিন্তু তা কেবল নামেমাত্র ছোঁয়ানোর জন্য।
কনের ভারী মেকআপ আর দামি পোশাক নষ্ট হওয়ার ভয়ে কেউই আর গায়ে হলুদ মাখান না। শুধু আঙুল দিয়ে আলতো করে গালে বা হাতে একটু হলুদ ছুঁইয়ে দেওয়া হয়।
আর্থিক স্বচ্ছলতার সঙ্গে সঙ্গে হলুদের ফ্যাশনে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। সুতির শাড়ির জায়গা দখল করে নেয় সিল্ক, হাফসিল্ক বা কাতান শাড়ি। কেউ কেউ হলুদে জামদানি শাড়িও পরেন। কিন্তু ফ্যাশন তো আর এক জায়গায় থেমে থাকে না। সেই ট্রেন্ডেও এখন কিছুটা ভাটা পড়েছে। শাড়ির বদলে এখন কনেদের প্রথম পছন্দ লেহেঙ্গা বা গাউন।
এই পোশাকগুলোতে ভারতীয় বা পাকিস্তানি ডিজাইনের প্রভাব দেখা যায়। লম্বা ঘেরের লেহেঙ্গা, ক্রপ টপ আর স্কার্ট, কিংবা ভারী পাথর ও জরির কাজের গাউনে কনেরা সাজছেন। কেউ কেউ আবার শাড়ি পরলেও পরছেন আধুনিক ডিজাইনে।
অন্যদিকে আগে গায়ে হলুদ মানেই ছিল শুধু হলুদ রঙের রাজত্ব। কিন্তু এখন রঙের ধারণায় এসেছে বিশাল বৈচিত্র্য। শুধু হলুদ নয়, বরং লাল, কমলা, মেজেন্টা, গোলাপি, এমনকি সবুজ রঙের পোশাকেও সাজছেন কনেরা। অনেকেই গাঢ় রঙের বদলে প্যাস্টেল কালার বা হালকা রঙের দিকে ঝুঁকছেন।
দক্ষিণ ভারতীয় বিয়ের ট্রেন্ড অনুসরণ করে অনেকেই অফ হোয়াইট বা ঘিয়ে রঙের পোশাক বেছে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার কনের পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বর এবং দুই পরিবারের সদস্যরা পরছেন থিমভিত্তিক পোশাক।
ফুলের গয়নার ফ্যাশনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। আগে গায়ে-হলুদ মানেই ছিল কাঁচা ফুলের গয়না। এরপর রজনীগন্ধা আর গাঁদার পাশাপাশি বিভিন্ন রঙের গোলাপ, অর্কিড বা জার্বেরা ফুলের ব্যবহার শুরু হয়। এরপর এসেছে কাগজের বা কৃত্রিম ফুলের গয়না। নানা রঙের কাগজ, কাপড় বা ফোম দিয়ে তৈরি এসব গয়না বেশ টেকসই। তবে এখন ফুলের গয়নার ট্রেন্ডও যেন কিছুটা ম্লান হয়ে যাচ্ছে।

ফুলের বদলে কনেরা এখন ভারী গয়নার দিকে ঝুঁকছেন। গোল্ড প্লেটেড গয়না, কুন্দন, পুঁতি বা ভারী পাথর বসানো গয়না এখন হলুদের সাজে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। অনেকেই রুপার গয়না বা কালচে অক্সিডাইজড গয়না পরছেন। মাংটিকা, পাশা, সীতাহার, চোকার থেকে শুরু করে ভারী চেইন—সবকিছুই এখন হলুদের সাজের অংশ।
এর পাশাপাশি হলুদের মেকআপেও এসেছে পরিবর্তন। আগে কনেরা বাড়িতেই সেজে নিতেন। কিন্তু এখন পার্লার ছাড়া হলুদের সাজ অসম্পূর্ণ। এইচডি বা এয়ারব্রাশ মেকআপের সাহায্যে কনেরা নিচ্ছেন একদম নিখুঁত লুক। এই সবকিছুর পেছনে বড় কারণ হলো ‘পিকচার পারফেক্ট’ হওয়ার প্রবল ইচ্ছা। ভালো ছবির জন্য ভালো সাজ, ভালো আলো আর চোখ ধাঁধানো স্টেজ—এগুলো আজকালকার হলুদের প্রধান শর্ত। এমনও দেখা যায়, প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের নির্দেশনায় কনে আর বর ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুধু ছবিই তুলছেন।
গায়ে-হলুদ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে এর আবহ আর আয়োজনে। হারিয়ে যাচ্ছে মা-চাচিদের সেই দরদভরা গীত। একসময় কুলো বাজিয়ে, হাতে তালি দিয়ে যে গানগুলো গাওয়া হতো, তার জায়গা দখল করেছে সাউন্ড সিস্টেম।
ডিজে মিউজিক ছাড়া হলুদ যেন জমেই না। সবাই ব্যস্ত থাকেন পারফর্ম করার জন্য। বিয়ের কয়েক মাস আগে থেকেই চলে নাচের রিহার্সাল। কে কার চেয়ে ভালো নাচবে, কার এন্ট্রি কতটা রাজকীয় হবে—এসব নিয়েই থাকে সবার ভাবনা।
দেশি-বিদেশি সংস্কৃতির মিশ্রণে হলুদের অনুষ্ঠান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গ্ল্যামারাস। তবে এই জাঁকজমকের ভিড়ে সেই পুরোনো দিনের হলুদের মায়া, পারিবারিক উষ্ণতা একটু একটু করে ফিকে হয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে ফ্যাশন ও ট্রেন্ডে পরিবর্তন আসবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে আড়ম্বরের পাশাপাশি হলুদের সেই চিরায়ত স্নিগ্ধতাটুকুও বেঁচে থাকুক প্রতিটি আয়োজনে।

সুন্দরবনকে আমরা সাধারণত একটি বিশাল বনভূমি হিসেবেই চিনি। প্রায় ছয় হাজার বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এক অপরূপ প্রাকৃতিক বিস্ময়। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সমগ্র বিশ্বের কাছেই এক অনন্য পরিচয়ের নাম। কিন্তু এই বনের গল্প কেবল গাছ, নদী, বাঘ আর কাদামাটির নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আশপাশের লাখো মানুষের জীবন-সংগ্রাম,
৪ ঘণ্টা আগে
আমির হামজাকে অনেকেই চেনেন। তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চাচা। আমির হামজার অভিযানের গল্প ‘হামজানামা’ নামেই পরিচিত। ভারতীয় উপমহাদেশের পাশাপাশি পারস্যেও দারুণ জনপ্রিয় তাঁর অভিযানের গল্প।
৮ ঘণ্টা আগে
দিনশেষে প্রশ্নটা আর শুধু এই নয় যে, মানুষ কী কিনছে? প্রশ্নটা হলো, মানুষ কোথায় গিয়ে সময় কাটাতে চাইছে? কারণ রিটেইলাররা জানে, ক্রেতার সময় দখল করতে পারলেই তার পকেটেও পৌঁছানো যাবে।
১ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিচালিত এই গবেষণায় উঠে এসেছে, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতা নিজেরাই এ ধরনের পরজীবী দ্বারা সংক্রমিত। এর মধ্যে ৬৬ শতাংশ বিক্রেতা ব্লাস্টোসিস্টিস হোমিনিস দ্বারা সংক্রমিত।
১ দিন আগে