স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার রাতভর জেরুজালেম, মধ্য ইসরায়েলসহ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিকবার সতর্ক সংকেত (অ্যালার্ট) বাজানো হয়। ওই হামলার পর ভোররাতের দিকে ভারী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরানের রাজধানী তেহরান। খবর আল-জাজিরার।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্ক সংকেত বাজার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এই হামলায় ইরান ক্লাস্টার বা গুচ্ছ বোমাসংবলিত ওয়ারহেডের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই বিস্ফোরিত হয় এবং এরপর ছোট ছোট বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ক্ষুদ্র বোমা ছড়িয়ে পড়ে।
আল-জারিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা মধ্য ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক আঘাত হানার তথ্য পেয়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও ক্ষয়ক্ষতির বেশ কিছু ছবি দেখা গেছে। এর আগে উত্তর ইসরায়েলের অনেক এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে পরে তা তুলে নেওয়া হয়।
এদিকে ইরানের হামলার পর দেশটির রাজধানী তেহরানে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তেহরানের মধ্য, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। এর কিছুক্ষণ পরই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে তেহরানে সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর কথা জানায়।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানের পাঁচটি এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রাজধানীর ১, ৪, ১১, ১৩ ও ২১ নম্বর এলাকায় এই হামলা হয়েছে। শহরের শহীদ বাবেই এক্সপ্রেসওয়ের কাছের অন্তত দুটি স্থান এবং শহরের পূর্ব উপকণ্ঠের গামদারেহ এলাকায় হামলা হয়। এ ছাড়া হাফেজ ও জমৌরি সড়কের সংযোগস্থলের কাছে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিস্ফোরণের বিকট শব্দ পাওয়া গেছে। এই এলাকায় সরকারি ও বাণিজ্যিক ভবনের পাশাপাশি অনেক আবাসিক ভবন রয়েছে।
তেহরানের পশ্চিমে খোররামাবাদ শহরে হামলায় অন্তত একটি ভবন ধ্বংস হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওই হামলায় অন্তত এক শিশুর প্রাণ গেছে। উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয়রা ধ্বংসস্তূপের নিচে বেঁচে থাকা মানুষদের খুঁজছেন। এক নারী জানিয়েছেন, আক্রান্ত বাড়িগুলোর একটিতে একজন বৃদ্ধা থাকতেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তেহরানে আল-জাজিরা আরবির প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা জানান, তেহরানে বিস্ফোরণের তীব্রতা ও শব্দ ছিল নজিরবিহীন, বিশেষ করে শহরের পূর্ব অংশে।
তিনি আরও জানান, শহরের পূর্বাঞ্চলে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে, যার অর্থ ওই এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি ড্রোন লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার রাতভর জেরুজালেম, মধ্য ইসরায়েলসহ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিকবার সতর্ক সংকেত (অ্যালার্ট) বাজানো হয়। ওই হামলার পর ভোররাতের দিকে ভারী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরানের রাজধানী তেহরান। খবর আল-জাজিরার।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্ক সংকেত বাজার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এই হামলায় ইরান ক্লাস্টার বা গুচ্ছ বোমাসংবলিত ওয়ারহেডের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই বিস্ফোরিত হয় এবং এরপর ছোট ছোট বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ক্ষুদ্র বোমা ছড়িয়ে পড়ে।
আল-জারিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা মধ্য ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক আঘাত হানার তথ্য পেয়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও ক্ষয়ক্ষতির বেশ কিছু ছবি দেখা গেছে। এর আগে উত্তর ইসরায়েলের অনেক এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে পরে তা তুলে নেওয়া হয়।
এদিকে ইরানের হামলার পর দেশটির রাজধানী তেহরানে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তেহরানের মধ্য, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। এর কিছুক্ষণ পরই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে তেহরানে সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর কথা জানায়।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানের পাঁচটি এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রাজধানীর ১, ৪, ১১, ১৩ ও ২১ নম্বর এলাকায় এই হামলা হয়েছে। শহরের শহীদ বাবেই এক্সপ্রেসওয়ের কাছের অন্তত দুটি স্থান এবং শহরের পূর্ব উপকণ্ঠের গামদারেহ এলাকায় হামলা হয়। এ ছাড়া হাফেজ ও জমৌরি সড়কের সংযোগস্থলের কাছে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিস্ফোরণের বিকট শব্দ পাওয়া গেছে। এই এলাকায় সরকারি ও বাণিজ্যিক ভবনের পাশাপাশি অনেক আবাসিক ভবন রয়েছে।
তেহরানের পশ্চিমে খোররামাবাদ শহরে হামলায় অন্তত একটি ভবন ধ্বংস হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওই হামলায় অন্তত এক শিশুর প্রাণ গেছে। উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয়রা ধ্বংসস্তূপের নিচে বেঁচে থাকা মানুষদের খুঁজছেন। এক নারী জানিয়েছেন, আক্রান্ত বাড়িগুলোর একটিতে একজন বৃদ্ধা থাকতেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তেহরানে আল-জাজিরা আরবির প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা জানান, তেহরানে বিস্ফোরণের তীব্রতা ও শব্দ ছিল নজিরবিহীন, বিশেষ করে শহরের পূর্ব অংশে।
তিনি আরও জানান, শহরের পূর্বাঞ্চলে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে, যার অর্থ ওই এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি ড্রোন লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম এবং ইরানের পাল্টা হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, ট্রাম্প যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায় ইরান পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে।
২১ মিনিট আগে
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কাজে লাগিয়ে সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের দিকে এগোচ্ছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন দেশের জাহাজ কী শর্তে চলাচল করবে, তা এখন তেহরানই নিয়ন্ত্রণ করছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
কাতারে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির মূল কেন্দ্র হলো দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা। দেশটির জন্য এটি অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর। কিন্তু শহরটির আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে কীভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘান হেনেছে তা এখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছে বিস্ময়।
১ দিন আগে