-10a04f-480x270.webp)
ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পরিত্যক্ত ঘরে জুয়া খেলার অভিযোগে করা মামলায় আরও এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার(১৫ সেপ্টেম্বর) মামলায় পলাতক পিবিআই কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে মামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. বেলাল হোসেন বুধবার স্ট্রিমকে বলেন, ‘কোনো পুলিশ সদস্য ফৌজদারি অপরাধে গ্রেপ্তার হলে তাঁকে তখনই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া সদস্যদের বিরুদ্ধেও এই আদেশ কার্যকর হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।’
এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এসপি কার্যালয়ের উত্তর পাশের পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে পুলিশ সদস্যদের জুয়া খেলার খবর পেয়ে রাত পৌনে ১টার দিকে অভিযান চালানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কনস্টেবল মো. সোহেল রানা, এএসআই শান্তি কুমার রায়, কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির ও শহর ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান ও পিবিআই কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে শহিদুলকে গ্রেপ্তার করা হলেও আতাউর রহমান এখনও পলাতক। ঘটনাস্থল থেকে নগদ টাকা, পাঁচ সেট তাস ও একাধিক স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করা হয়। এসপি জানান, মামলায় উদ্ধার হওয়া আলামত যাচাই-বাছাই করে তদন্ত করা হচ্ছে।
.png)





-3b1dc0-256x144.webp)
