স্ট্রিম প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০টি বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, এই সংকটময় সময়ে মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং উদ্ধার ও পুনর্বাসন বাস্তবায়ন করতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
মাহদী আমিন লিখেছেন, চট্টগ্রাম বিভাগে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই পাঁচ জেলায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গতদের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু খাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পাহাড়ি এলাকায় জরুরি উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও মোতায়েন হয়েছে। পাশাপাশি প্লাবিত অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ে অবস্থান করছেন। দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড একযোগে কাজ করছে।
মাহদী আমিন লিখেছেন, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে দুর্গত এলাকার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও হতাহতদের পরিবারের খোঁজ নিচ্ছেন।
তিনি আরও লিখেছেন, পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া ৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের উচ্চতা ৫ ফুট বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত দরপত্র প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এছাড়া পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করবে সরকার।
পরে সরকারি বাঙলা কলেজের প্রথম মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অভিনন্দনের বক্তব্যে মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান সরকার মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সুবিচার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

টানা বৃষ্টিতে মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় সরকার শোকাহত উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকার সব সংস্থাকে মানুষের পাশে থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।
তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে।
শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা তৈরিতে সহজ ঋণ এবং মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে সবাইকে সম্প্রীতির চেতনায় দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০টি বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, এই সংকটময় সময়ে মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং উদ্ধার ও পুনর্বাসন বাস্তবায়ন করতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
মাহদী আমিন লিখেছেন, চট্টগ্রাম বিভাগে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই পাঁচ জেলায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গতদের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু খাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পাহাড়ি এলাকায় জরুরি উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও মোতায়েন হয়েছে। পাশাপাশি প্লাবিত অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ে অবস্থান করছেন। দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড একযোগে কাজ করছে।
মাহদী আমিন লিখেছেন, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে দুর্গত এলাকার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও হতাহতদের পরিবারের খোঁজ নিচ্ছেন।
তিনি আরও লিখেছেন, পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া ৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের উচ্চতা ৫ ফুট বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত দরপত্র প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এছাড়া পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করবে সরকার।
পরে সরকারি বাঙলা কলেজের প্রথম মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অভিনন্দনের বক্তব্যে মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান সরকার মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সুবিচার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

টানা বৃষ্টিতে মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় সরকার শোকাহত উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকার সব সংস্থাকে মানুষের পাশে থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।
তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে।
শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা তৈরিতে সহজ ঋণ এবং মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে সবাইকে সম্প্রীতির চেতনায় দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
.png)

বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। চিঠিতে চীন-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তিনি।
১২ মিনিট আগে
হবিগঞ্জ সদরের খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত দেড় মাসেও শেষ না হওয়ায় আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণে নদীর পানি বেড়ে সদর উপজেলার কালীগঞ্জ এলাকায় বাঁধ ভেঙে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গতকাল রোববার কালীগঞ্জ এলাকায় বাঁধের মেরামতস্থলে নতুন করে ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুই দিনের সফরে তাঁর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন। শপথ নেওয়ার পর এটিই হবে রাষ্ট্রপতির প্রথম জেলা সফর।
১ ঘণ্টা আগে-d4a7be-256x144.webp)
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার তিনটি ইউনিয়নের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। রোববার রাত থেকে পানি বাড়তে শুরু করায় সদর, দক্ষিণ ও মোগড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে