স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংস্কার থেকে সরকার সরে এলে আবার অভ্যুত্থান হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারের বিডিবিএল ভবনে ‘ভয়েস অব রিফর্ম’ আয়োজিত নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সিজন ও চেয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সরকারের মেন্টালিটি চেঞ্জ হয়ে গেছে। সরকারকে স্ট্রাকচারাল জায়গায় এক হতে হবে। এটি থেকে সরে আসলে চব্বিশ আবারও হবে। কোনো না কোনোভাবে হয়তো সে প্রস্তুতি হচ্ছে। বাট চব্বিশ হবে। মেজরিটি দিয়ে আটকানোর সুযোগ নেই।’
তিনি বলেন, ‘যারা চব্বিশে রাস্তায় নেমেছিল তারা কাউকে এমপি-উপদেষ্টা বানানোর জন্য রাস্তায় নামেনি। তারা রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের জন্য রাস্তায় নেমে এসেছিল।’
‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল ও গুম প্রতিরোধ-প্রতিকার অধ্যাদেশ স্থগিত: সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রযাত্রার প্রতি হুমকি’ শীর্ষক এই সংলাপে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘হাসিনা কোনও একক ব্যক্তি নয়, বরং অনেক ফ্যাসিবাদী আইডিয়ার সমষ্টি। যদি বিদ্যমান সিস্টেম বা ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা হয়, তবে যেকোনো ব্যক্তিই পরবর্তীতে পুনরায় ‘হাসিনা’ হয়ে উঠতে পারে। তাই রাষ্ট্র সংস্কার এখন সময়ের দাবি।’
মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ কার্যকর না হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি যথাযথভাবে কার্যকর না হলে তদন্তের দায়ভার পুনরায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ কর্তৃক হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার পুলিশের হাতেই থাকবে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। গুম হওয়া পরিবারগুলোর যন্ত্রণার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছিল, যেখানে কাউকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে চিরতরে গায়েব করে দেওয়া হবে না।’
ভয়েস অব রিফর্মের উদ্যোক্তা ফাহিম মাশরুরের সঞ্চালনায় সংলাপে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী মানজুর-আল-মতিন বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত গৃহীত হলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার আইনটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। সরকারকে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বিচার বিভাগকে স্বাধীন করার আহ্বান জানান তিনি।
সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

সংস্কার থেকে সরকার সরে এলে আবার অভ্যুত্থান হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারের বিডিবিএল ভবনে ‘ভয়েস অব রিফর্ম’ আয়োজিত নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সিজন ও চেয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সরকারের মেন্টালিটি চেঞ্জ হয়ে গেছে। সরকারকে স্ট্রাকচারাল জায়গায় এক হতে হবে। এটি থেকে সরে আসলে চব্বিশ আবারও হবে। কোনো না কোনোভাবে হয়তো সে প্রস্তুতি হচ্ছে। বাট চব্বিশ হবে। মেজরিটি দিয়ে আটকানোর সুযোগ নেই।’
তিনি বলেন, ‘যারা চব্বিশে রাস্তায় নেমেছিল তারা কাউকে এমপি-উপদেষ্টা বানানোর জন্য রাস্তায় নামেনি। তারা রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের জন্য রাস্তায় নেমে এসেছিল।’
‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল ও গুম প্রতিরোধ-প্রতিকার অধ্যাদেশ স্থগিত: সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রযাত্রার প্রতি হুমকি’ শীর্ষক এই সংলাপে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘হাসিনা কোনও একক ব্যক্তি নয়, বরং অনেক ফ্যাসিবাদী আইডিয়ার সমষ্টি। যদি বিদ্যমান সিস্টেম বা ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা হয়, তবে যেকোনো ব্যক্তিই পরবর্তীতে পুনরায় ‘হাসিনা’ হয়ে উঠতে পারে। তাই রাষ্ট্র সংস্কার এখন সময়ের দাবি।’
মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ কার্যকর না হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি যথাযথভাবে কার্যকর না হলে তদন্তের দায়ভার পুনরায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ কর্তৃক হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার পুলিশের হাতেই থাকবে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। গুম হওয়া পরিবারগুলোর যন্ত্রণার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছিল, যেখানে কাউকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে চিরতরে গায়েব করে দেওয়া হবে না।’
ভয়েস অব রিফর্মের উদ্যোক্তা ফাহিম মাশরুরের সঞ্চালনায় সংলাপে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী মানজুর-আল-মতিন বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত গৃহীত হলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার আইনটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। সরকারকে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বিচার বিভাগকে স্বাধীন করার আহ্বান জানান তিনি।
সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

নোয়াখালীতে পুলিশের উপস্থিতিতেই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। শুক্রবার (৫ জুন) জুমার পর সদর উপজেলার বাঁধেরহাট বাজারে এই কর্মসূচি পালন করে তারা।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির ৬ শীর্ষ নেতা। আজ শুক্রবার (৫ জুন) রাত সাড়ে আটটায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৫ জুন) জাবি টিএসসিতে সংবাদ সম্মেলনে জিসান বাড়িতে হামলার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ধীরে ধীরে আবহাওয়া পড়তে শুরু করছে। এখন থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়বে। ফলে কমবে অসহনীয় তাপমাত্রা।
৪ ঘণ্টা আগে