উক্যাচিং এর মা বাবা খবর পেয়ে ঢাকায় গেছেন। উক্যাচিং মারমার বাবা উসাইমং মারমা মোবাইলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, তাঁরা ছেলের মরদেহ নিয়ে আজ মঙ্গলবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার বাঙালহালিয়া কিউংধং পাড়ায় তাঁদের পারিবারিক শশ্মানে সৎকার করা হবে।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

নাতির ছবি হাতে নিয়ে নিজের ঘরে বিলাপ করছেন কংহলাপ্রু মারমা ও ক্রাপ্রুমা মারমা। লেখাপড়ার জন্য নাতিকে পাঠিয়েছিলেন ঢাকায়। মেধাবী ছিল বলে বড় আশা করে মাইলস্টোন কলেজে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু নাতির মৃত্যুর খবর শুনে নিজেকে সামলাতে পারছেন না কংহলাপ্রু মারমা। রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া কলেজ পাড়ায় বইছে শোকের মাতম।
কংহলাপ্রু মারমা (৭৫) বলেন, ‘নাতিকে এভাবে হারাব কখনো ভাবিনি। অত্যন্ত ভদ্র ও সুর্দশন ছিল আমার নাতি। সে অনেক মেধাবী ছাত্র ছিল। লেখাপড়ার জন্য ঢাকাতে গেছিল। কিন্তু লাশ হয়ে ফিরছে আমার নাতি। নাতির সঙ্গে কত স্মৃতি। আমি নিজেকে কি দিয়ে বুঝ দিই।’

কংহলাপ্রু মারমার নাতি উক্যাচিং মারমা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় দগ্ধ হলে তাকে রাজধানীর বার্ন ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সে মৃত্যুবরণ করে।
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ক্যাম্পাস সংলগ্ন ছাত্রাবাসে উক্যাচিং মারমা থাকত। তবে রাজধানীতে থাকেন তাঁর মাসি নেলী মারমা। দুর্ঘটনার পর তিনি উক্যাচিং মারমার সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। উক্যাচিং এর মা বাবা খবর পেয়ে ঢাকায় গেছেন। উক্যাচিং মারমার বাবা উসাইমং মারমা মোবাইলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, তাঁরা ছেলের মরদেহ নিয়ে আজ মঙ্গলবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার বাঙালহালিয়া কিউংধং পাড়ায় তাঁদের পারিবারিক শশ্মানে সৎকার করা হবে।
উক্যাচিং এর দাদি ক্রাপ্রুমা মারমা (৬৫) বলেন, নাতিকে কোলেপিঠে করে মানুষ করেছি। তারা বান্দরবান থাকলেও ছুটিতে দাদুর বাড়িতে আসত। কত দুষ্টুমি করতো আমার নাতিটা। নাতির এই মৃত্যু আমরা কোনো ভাবেই মানতে পারছি না। আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো সে সামান্য আঘাত পেয়েছে কিন্তু পরে যখন নাতি উক্যচিং এর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার কথা শুনি তখন নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারছিলাম।
সোমবার (২১ জুলাই) বেলা ১টায় ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিমান বাহিনী একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। সেখানেই স্কুলে অবস্থান করছিলো রাঙামাটির ছেলে উক্য চিং মারমা। এ ঘটনায় তার শরীরের বেশিরভাগ অংশ দগ্ধ হয়।

নাতির ছবি হাতে নিয়ে নিজের ঘরে বিলাপ করছেন কংহলাপ্রু মারমা ও ক্রাপ্রুমা মারমা। লেখাপড়ার জন্য নাতিকে পাঠিয়েছিলেন ঢাকায়। মেধাবী ছিল বলে বড় আশা করে মাইলস্টোন কলেজে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু নাতির মৃত্যুর খবর শুনে নিজেকে সামলাতে পারছেন না কংহলাপ্রু মারমা। রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া কলেজ পাড়ায় বইছে শোকের মাতম।
কংহলাপ্রু মারমা (৭৫) বলেন, ‘নাতিকে এভাবে হারাব কখনো ভাবিনি। অত্যন্ত ভদ্র ও সুর্দশন ছিল আমার নাতি। সে অনেক মেধাবী ছাত্র ছিল। লেখাপড়ার জন্য ঢাকাতে গেছিল। কিন্তু লাশ হয়ে ফিরছে আমার নাতি। নাতির সঙ্গে কত স্মৃতি। আমি নিজেকে কি দিয়ে বুঝ দিই।’

কংহলাপ্রু মারমার নাতি উক্যাচিং মারমা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় দগ্ধ হলে তাকে রাজধানীর বার্ন ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সে মৃত্যুবরণ করে।
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ক্যাম্পাস সংলগ্ন ছাত্রাবাসে উক্যাচিং মারমা থাকত। তবে রাজধানীতে থাকেন তাঁর মাসি নেলী মারমা। দুর্ঘটনার পর তিনি উক্যাচিং মারমার সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। উক্যাচিং এর মা বাবা খবর পেয়ে ঢাকায় গেছেন। উক্যাচিং মারমার বাবা উসাইমং মারমা মোবাইলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, তাঁরা ছেলের মরদেহ নিয়ে আজ মঙ্গলবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার বাঙালহালিয়া কিউংধং পাড়ায় তাঁদের পারিবারিক শশ্মানে সৎকার করা হবে।
উক্যাচিং এর দাদি ক্রাপ্রুমা মারমা (৬৫) বলেন, নাতিকে কোলেপিঠে করে মানুষ করেছি। তারা বান্দরবান থাকলেও ছুটিতে দাদুর বাড়িতে আসত। কত দুষ্টুমি করতো আমার নাতিটা। নাতির এই মৃত্যু আমরা কোনো ভাবেই মানতে পারছি না। আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো সে সামান্য আঘাত পেয়েছে কিন্তু পরে যখন নাতি উক্যচিং এর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার কথা শুনি তখন নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারছিলাম।
সোমবার (২১ জুলাই) বেলা ১টায় ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিমান বাহিনী একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। সেখানেই স্কুলে অবস্থান করছিলো রাঙামাটির ছেলে উক্য চিং মারমা। এ ঘটনায় তার শরীরের বেশিরভাগ অংশ দগ্ধ হয়।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে