শিশু রামিসা হত্যা

রায়ের আগে এজলাসে দুই আসামি, আদালত প্রাঙ্গণে ভিড়

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায়ের আগে আদালত প্রাঙ্গণে ভিড়। স্ট্রিম ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় রায় ঘোষণার আগে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী আসামি স্বপ্না আক্তার কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে কড়া পাহারায় আসামি সোহেলকে এজলাসে দাঁড় করানো হয়। এর ১০ মিনিট পর স্বপ্নাকে আনা হয়।

আজ বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আলোচিত মামলাটির রায় ঘোষণার কথা রয়েছে।

মেয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রায় শুনতে সকালেই ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে এসেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

এদিকে রায়কে ঘিরে সকাল থেকেই আদালত পাড়ায় সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণ ও এজলাস কক্ষে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে ভাড়া থাকা ভবনেই নৃশংস হত্যার শিকার হয় আট বছরের শিশু রামিসা। ভবনের একটি ফ্ল্যাটে সাবলেট থাকা সোহেল শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। এতে সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী স্বপ্না। পরে তাদের ঘর থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

তবে এর আগেই সোহেল শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। বাসা থেকে তখনই সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করা হয়। আর ওই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২০ মে ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল ও স্বপ্না।

দেশব্যাপী আলোড়ন তোলা ওই মামলায় পাঁচ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা। এরপর ১ থেকে ৪ জুনের ভেতর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। সবমিলিয়ে ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় রায় হতে যাচ্ছে।

সম্পর্কিত