স্ট্রিম ডেস্ক

নয়াদিল্লিতে ভারতের সীমান্ত বাহিনী (বিএসএফ) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘সীমান্তে সম্প্রতি পুশইন ও পুশব্যাক সংক্রান্ত বিষয় আলোচনার টেবিলে রয়েছে। উভয় পক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আলোচনা করছে। আশা করছি ইতিবাচক ফলাফল পাব।’
জয়সোয়াল আরও বলেন, সমস্যা নিরসনে দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর এই দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থাপনাই সবচেয়ে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম।
বাংলাদেশ বরাবরই সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিক হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়ে এলেও এই আলোচনায় এই সংক্রান্ত কোনো আলাপ হচ্ছে কি না এ বিষয়ে কিছু জানাননি জয়সোয়াল।
গত সোমবার (৮ জুন) নতুন দিল্লিতে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন ১১ জুন পর্যন্ত চলবে। বৈঠকে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কাটা প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ কমানো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এছাড়া সীমান্ত দিয়ে অপরাধীদের প্রবেশ রোধ, নতুন কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও সীমান্ত অবকাঠামো নির্মাণ এবং দুই বাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস অর্জনের বিভিন্ন পদক্ষেপ (এই সম্মেলনের মূল এজেন্ডা।
এবারের সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। এর আগে সর্বশেষ বিএসএফ-বিজিবি সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন গত বছরের ২৫ থেকে ২৮ আগস্ট ঢাকায় হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সীমান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংলাপের ঐতিহ্য রয়েছে।
১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকায় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন বছরে দুইবার যথাক্রমে দিল্লি ও ঢাকায় হবে।
তথ্যসূত্র: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম

নয়াদিল্লিতে ভারতের সীমান্ত বাহিনী (বিএসএফ) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘সীমান্তে সম্প্রতি পুশইন ও পুশব্যাক সংক্রান্ত বিষয় আলোচনার টেবিলে রয়েছে। উভয় পক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আলোচনা করছে। আশা করছি ইতিবাচক ফলাফল পাব।’
জয়সোয়াল আরও বলেন, সমস্যা নিরসনে দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর এই দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থাপনাই সবচেয়ে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম।
বাংলাদেশ বরাবরই সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিক হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়ে এলেও এই আলোচনায় এই সংক্রান্ত কোনো আলাপ হচ্ছে কি না এ বিষয়ে কিছু জানাননি জয়সোয়াল।
গত সোমবার (৮ জুন) নতুন দিল্লিতে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন ১১ জুন পর্যন্ত চলবে। বৈঠকে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কাটা প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ কমানো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এছাড়া সীমান্ত দিয়ে অপরাধীদের প্রবেশ রোধ, নতুন কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও সীমান্ত অবকাঠামো নির্মাণ এবং দুই বাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস অর্জনের বিভিন্ন পদক্ষেপ (এই সম্মেলনের মূল এজেন্ডা।
এবারের সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। এর আগে সর্বশেষ বিএসএফ-বিজিবি সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন গত বছরের ২৫ থেকে ২৮ আগস্ট ঢাকায় হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সীমান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংলাপের ঐতিহ্য রয়েছে।
১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকায় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন বছরে দুইবার যথাক্রমে দিল্লি ও ঢাকায় হবে।
তথ্যসূত্র: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে প্রণীত হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
১ ঘণ্টা আগে
সংসদে বাজেট বক্তৃতা, রাজস্ব-ব্যয়ের বড় অঙ্ক, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি—সব মিলিয়ে সেই দিনটি হয়ে ওঠে অর্থনীতির সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা। কিন্তু এই দৃশ্যের আড়ালে থাকে এক দীর্ঘ, জটিল এবং নিরবচ্ছিন্ন প্রশাসনিক শ্রম। সেই অদৃশ্য প্রক্রিয়ার ভেতরেই বারবার উঠে এসেছে একটি নাম—ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তিনটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন, রেজিস্ট্রেশনবিহীন রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার আবদুর রহমান রাহিমের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইসলামী ব্যাংকের চারপাশে বিক্ষোভ করে কিছু গোষ্ঠী জনআস্থা নষ্ট করছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় ছিল সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনা বজায় রেখেছে।
২ ঘণ্টা আগে