ফারুক হোসাইন

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কমায় লোডশেডিং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ফলে দুই সপ্তাহ পর চাহিদার সমান বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। তবে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় না ফেরায় ফের তীব্র লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে, কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ থাকা আদানির একটি ইউনিটের গতকাল রোববার উৎপাদনে ফেরার কথা থাকলেও তা হয়নি। বর্তমানে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা ১২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট হলেও জ্বালানি সংকটে উৎপাদন হচ্ছে অর্ধেকেরও কম।
এমন পরিস্থিতিতে এপ্রিলজুড়ে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো ভরসা দিলেও বর্তমানে চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া এবং পটুয়াখালীর আরএনপিএল পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছে না। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্যমতে, গতকাল রোববার সন্ধ্যা থেকে আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চাহিদার প্রায় সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ ১১ এপ্রিল চাহিদামতো বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হয়েছিল। পিডিবির ২৬ এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবার সন্ধ্যায়ও দেশে ১ হাজার ৯৬৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছিল। তবে বৃষ্টির কারণে চাহিদা কমায় সাময়িক স্বস্তি মিলেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান স্বস্তি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির ফল নয় বরং প্রকৃতি-নির্ভর। উৎপাদন অনিশ্চিত থাকায় গরম বাড়লেই ঘাটতি তীব্র হতে পারে। গত ২১ এপ্রিল কারিগরি ত্রুটিতে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছিল, ইউনিটটি ২৬ এপ্রিলের মধ্যে চালু হবে; কিন্তু তা এখনো বন্ধ আছে। ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট সক্ষমতার এই কেন্দ্রটি থেকে বর্তমানে মাত্র ৭৫৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ আদানির কেন্দ্রে প্রায় ৬৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ‘শর্টফল’ রয়েছে।
এদিকে, কয়লা সংকটে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ারের অর্ধেক সক্ষমতা অলস বসে আছে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই ‘রক্ষণাবেক্ষণজনিত’ কারণে বন্ধ। পটুয়াখালীর আরএনপিএল-ও কয়লা সংকটে সক্ষমতার অর্ধেকের কম বিদ্যুৎ দিচ্ছে। বর্তমানে দেশে ২৯ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি ও কারিগরি সংকটে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন করা যাচ্ছে না।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ম তামিম স্ট্রিমকে বলেন, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পর্যাপ্ত উৎপাদন আসছে না। সে জায়গায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সাপোর্ট দিচ্ছে। বর্তমানে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কয়লার জোগান দিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখা যাবে, কিন্তু গ্যাসের সংকট এখনই কাটছে না।
তিনি বলেন, তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আবার ব্যাপক লোডশেডিং হতে পারে। আবহাওয়া এখানে বিগ ফ্যাক্টর। গতবছর খুব বেশি গরম না থাকায়, লোডশেডিং সামাল দেওয়া গেছে। এবার যদি তেমনটা না হয় তাহলে সিরিয়াস লোডশেডিং হবে। আবার আমাদের তো বিদ্যুতের রিজার্ভ নেই; যে কোন সময় পুরনো বিদ্যুৎকেন্দ্র কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনটা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাবে। সামনে হয়তো আবার তিন-চার হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং দেখা যেতে পারে।
এ বিষয়ে পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, বৃষ্টির কারণে এখন চাহিদা কম। কিন্তু গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। গরম বাড়ার আগে আদানির বন্ধ থাকা ইউনিট চালু হয়ে গেলে লোডশেডিং কিছুটা সামাল দেওয়া যাবে।
আদানির ইউনিটটি কবে নাগাদ চালু হবে সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট কিছু জানিয়েছে বলেও জানি না। বড়পুকুরিয়ার তিন নম্বর ইউনিট মে মাসের ১০ তারিখ নাগাদ চালু হবে বলে আশা করছি।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কমায় লোডশেডিং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ফলে দুই সপ্তাহ পর চাহিদার সমান বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। তবে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় না ফেরায় ফের তীব্র লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে, কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ থাকা আদানির একটি ইউনিটের গতকাল রোববার উৎপাদনে ফেরার কথা থাকলেও তা হয়নি। বর্তমানে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা ১২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট হলেও জ্বালানি সংকটে উৎপাদন হচ্ছে অর্ধেকেরও কম।
এমন পরিস্থিতিতে এপ্রিলজুড়ে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো ভরসা দিলেও বর্তমানে চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া এবং পটুয়াখালীর আরএনপিএল পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছে না। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্যমতে, গতকাল রোববার সন্ধ্যা থেকে আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চাহিদার প্রায় সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ ১১ এপ্রিল চাহিদামতো বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হয়েছিল। পিডিবির ২৬ এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবার সন্ধ্যায়ও দেশে ১ হাজার ৯৬৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছিল। তবে বৃষ্টির কারণে চাহিদা কমায় সাময়িক স্বস্তি মিলেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান স্বস্তি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির ফল নয় বরং প্রকৃতি-নির্ভর। উৎপাদন অনিশ্চিত থাকায় গরম বাড়লেই ঘাটতি তীব্র হতে পারে। গত ২১ এপ্রিল কারিগরি ত্রুটিতে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছিল, ইউনিটটি ২৬ এপ্রিলের মধ্যে চালু হবে; কিন্তু তা এখনো বন্ধ আছে। ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট সক্ষমতার এই কেন্দ্রটি থেকে বর্তমানে মাত্র ৭৫৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ আদানির কেন্দ্রে প্রায় ৬৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ‘শর্টফল’ রয়েছে।
এদিকে, কয়লা সংকটে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ারের অর্ধেক সক্ষমতা অলস বসে আছে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই ‘রক্ষণাবেক্ষণজনিত’ কারণে বন্ধ। পটুয়াখালীর আরএনপিএল-ও কয়লা সংকটে সক্ষমতার অর্ধেকের কম বিদ্যুৎ দিচ্ছে। বর্তমানে দেশে ২৯ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি ও কারিগরি সংকটে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন করা যাচ্ছে না।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ম তামিম স্ট্রিমকে বলেন, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পর্যাপ্ত উৎপাদন আসছে না। সে জায়গায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সাপোর্ট দিচ্ছে। বর্তমানে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কয়লার জোগান দিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখা যাবে, কিন্তু গ্যাসের সংকট এখনই কাটছে না।
তিনি বলেন, তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আবার ব্যাপক লোডশেডিং হতে পারে। আবহাওয়া এখানে বিগ ফ্যাক্টর। গতবছর খুব বেশি গরম না থাকায়, লোডশেডিং সামাল দেওয়া গেছে। এবার যদি তেমনটা না হয় তাহলে সিরিয়াস লোডশেডিং হবে। আবার আমাদের তো বিদ্যুতের রিজার্ভ নেই; যে কোন সময় পুরনো বিদ্যুৎকেন্দ্র কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনটা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাবে। সামনে হয়তো আবার তিন-চার হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং দেখা যেতে পারে।
এ বিষয়ে পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, বৃষ্টির কারণে এখন চাহিদা কম। কিন্তু গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। গরম বাড়ার আগে আদানির বন্ধ থাকা ইউনিট চালু হয়ে গেলে লোডশেডিং কিছুটা সামাল দেওয়া যাবে।
আদানির ইউনিটটি কবে নাগাদ চালু হবে সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট কিছু জানিয়েছে বলেও জানি না। বড়পুকুরিয়ার তিন নম্বর ইউনিট মে মাসের ১০ তারিখ নাগাদ চালু হবে বলে আশা করছি।

বজ্রপাতে প্রাণহানি রোধে সরকার সাইরেন স্থাপন, আধুনিক বজ্রপাত নিরোধক টাওয়ার নির্মাণ, ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা এবং হাওড় অঞ্চলে বিশেষ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
৫ মিনিট আগে
বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য জানান। তিনি জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।
২১ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২ জনসহ বজ্রপাতে ৩ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।
৪১ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিশু হোসাইন হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ছয় কিশোরকে আটকের পর পুলিশ বলছে, জেল খাটার অভিজ্ঞতা কেমন– সেই কৌতূহলের জন্য তারা হোসাইনকে হত্যা করে।
৪৩ মিনিট আগে