স্ট্রিম সংবাদদাতা

টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরের নিচু এলাকায় আবারও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। পাহাড় ধস নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসন আশ্রয় কেন্দ্র খুললেও কতজন সেখানে গেছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৬ জুলাই) থেকে আজ (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া স্টেশনে ৩৩০ মিলিমিটার এবং আমবাগান আবহাওয়া অফিসে ২৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাপাসগোলা, কাতালগঞ্জ, রহমতগঞ্জ, শুলকবহর, আগ্রাবাদ, হামজারবাগসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে গেছে। কিছু এলাকায় পানি কোমর ছুঁয়েছে।
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীর স্বজনেরা। যান সংকটে গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের এলাকায় রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নামতে দীর্ঘ সময় লাগে, ফলে চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।’
বহদ্দারহাটের এক চাকরিজীবী বলেন, ‘হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে অফিসে যেতে হয়েছে। রিকশা পাওয়া কঠিন, পেলেও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে।’
নগরবাসীর অভিযোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও মাঝারি বৃষ্টিতেই অনেক এলাকা তলিয়ে যায়। প্রতি বর্ষায় এ নিয়ে তোলপাড় হলেও কাজের কাজ কিছু হয়। দশকের পর দশক এই ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে।
এদিকে ধসের আশঙ্কায় সোমবার বিকেল থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করেছে। খুলেছে আশ্রয়কেন্দ্র।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শরীফ উদ্দিন জানান, নগরীর ২৬টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে ৬ হাজার ৫৫৮ জন বাস করছেন। তাদেরসহ উপজেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে সরাতে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম জেলায় ৬২৯টি সাইক্লোন সেন্টারের ধারণক্ষমতা ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৪৩ জন। সবকিছু প্রস্তুত আছে। নগরীর একটি আশ্রয় কেন্দ্রে গতকাল রাতে কিছু মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে সকালে তারা বাড়ি ফিরে গেছেন।

টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরের নিচু এলাকায় আবারও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। পাহাড় ধস নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসন আশ্রয় কেন্দ্র খুললেও কতজন সেখানে গেছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৬ জুলাই) থেকে আজ (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া স্টেশনে ৩৩০ মিলিমিটার এবং আমবাগান আবহাওয়া অফিসে ২৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাপাসগোলা, কাতালগঞ্জ, রহমতগঞ্জ, শুলকবহর, আগ্রাবাদ, হামজারবাগসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে গেছে। কিছু এলাকায় পানি কোমর ছুঁয়েছে।
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীর স্বজনেরা। যান সংকটে গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের এলাকায় রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নামতে দীর্ঘ সময় লাগে, ফলে চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।’
বহদ্দারহাটের এক চাকরিজীবী বলেন, ‘হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে অফিসে যেতে হয়েছে। রিকশা পাওয়া কঠিন, পেলেও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে।’
নগরবাসীর অভিযোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও মাঝারি বৃষ্টিতেই অনেক এলাকা তলিয়ে যায়। প্রতি বর্ষায় এ নিয়ে তোলপাড় হলেও কাজের কাজ কিছু হয়। দশকের পর দশক এই ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে।
এদিকে ধসের আশঙ্কায় সোমবার বিকেল থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করেছে। খুলেছে আশ্রয়কেন্দ্র।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শরীফ উদ্দিন জানান, নগরীর ২৬টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে ৬ হাজার ৫৫৮ জন বাস করছেন। তাদেরসহ উপজেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে সরাতে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম জেলায় ৬২৯টি সাইক্লোন সেন্টারের ধারণক্ষমতা ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৪৩ জন। সবকিছু প্রস্তুত আছে। নগরীর একটি আশ্রয় কেন্দ্রে গতকাল রাতে কিছু মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে সকালে তারা বাড়ি ফিরে গেছেন।
.png)

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে বৃষ্টিপাতের মধ্যে পাহাড়ের ওপর থেকে গাছের গোড়া মাথায় পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লাল্যাঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় পাহাড় ধসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে
বৈরী আবহাওয়ায় সরবরাহ কমে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের চাপ কম থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সেবা দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকটের তীব্র প্রভাব পড়েছে বরফ উৎপাদনে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে বরফ কলগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। আবার বরফ জমলেও মান ঠিক থাকছে না। এতে গভীর সাগরে মাছ সংরক্ষণের একমাত্র ভরসা বরফ না পাওয়ায় সাগরে যেতে পারছেন না হাজার হাজার জেলে।
৩ ঘণ্টা আগে