চা-শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৯
শুক্রবার রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে ‘ঢাকাস্থ চা-বাগানের সচেতন ছাত্র-যুবকবৃন্দ’র মানবন্ধন। সংগৃহীত ছবি
শুক্রবার রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে ‘ঢাকাস্থ চা-বাগানের সচেতন ছাত্র-যুবকবৃন্দ’র মানবন্ধন। সংগৃহীত ছবি

চা-শ্রমিকদের ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের গেজেট বাতিল করে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে ‘চা-বাগানের সচেতন ছাত্র-যুবকরা’।

শুক্রবার রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে ‘ঢাকাস্থ চা-বাগানের সচেতন ছাত্র-যুবকবৃন্দ’র ব্যানারে আয়োজিত মানবন্ধনে তারা এ দাবি জানান।

মানববন্ধনে তারা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি মাত্র ১৮৭ টাকা। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে একজন চা-শ্রমিক ৩৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি পান। এই বৈষম্যমূলক মজুরিতে বাড়তে থাকা দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাঁচা অসম্ভব। চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি কমপক্ষে ৫০০ টাকা করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, চা-শ্রমিকরা প্রজন্মনের পর প্রজন্ম চা-বাগানে বসবাস করলেও তারা তাদের বসতভিটার মালিকানা পায়নি। চা-শ্রমিকদের নিজেদের ভূমির কোনো দলিল নেই। ফলে তারা ব্যাংক ঋণ পায় না, নিজেদের ঘর বাড়াতে পারে না এবং প্রভাবশালীদের ভূমি দখলের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার পায় না।

চা-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে দাবি তুলে ধরে চা-শ্রমিকের সন্তান মোহন রবিদাস বলেন, চা-শ্রমিকদের মজুরি কমপক্ষে ৫০০ টাকা নিশ্চিত করতে হবে। চা জনগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শ্রম আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে। আইন লঙ্ঘনকারী বাগান মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

একইসঙ্গে প্রতিটি চা-বাগানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চবিদ্যালয়, কারিগরি বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তিনি প্রতিটি চা-বাগান ক্লাস্টারে কমপক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নলকূপ বা পানি শোধনাগার স্থাপনের দাবি জানানো হয়।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

চা-শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন