স্ট্রিম সংবাদদাতা

যশোর আদ-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবার ভুল চিকিৎসায় ইমরান হোসেন নামে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গভীর রাতে শহরের চাচড়ায় এই ঘটনার পর হাসপাতালে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
মাছ ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন শার্শার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের গাজীপাড়া গ্রামের শওকত আলী বিশ্বাসের ছেলে। তাঁর ১৭ মাস বয়সী এক ছেলেসন্তান রয়েছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যের মৃত্যুতে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গত ২৭ মে রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তদন্তের পরে গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই ঘটনার রেশ না কাটতেই হাসপাতালটির যশোর শাখায় রোগী মৃত্যু অভিযোগ উঠল।

স্বজনের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বিকেলে জ্বর-সর্দি নিয়ে যশোরের আদ-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন ইমরান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে পরপর তিনটি ইনজেকশন দেন। এরপরই শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে আইসিইউতে নেওয়া হলেও, তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইমরানের মৃত্যুর পরপরই স্বজনরা হাসপাতালে চত্বরে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকশ মানুষ হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা চিকিৎসকদের হাজির করে ঘটনার ব্যাখ্যা এবং চিকিৎসায় অবহেলায় বিচার দাবি করেন।
ইমরানের খালাতো ভাই ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি করার পর কয়েকটি পরীক্ষা দেন চিকিৎসক। সেগুলো করাতে দিলে রাত ৯টার দিকে রিপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়। এরপর এক নার্স কিছু ওষুধের তালিকা দেন। হাসপাতাল ও বাইরের ফার্মেসি থেকে সেগুলো এনে দিই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের রোগীর মূল সমস্যা শ্বাসকষ্ট। আমরা ভেবেছিলাম তাঁকে দ্রুত অক্সিজেন দেওয়া হবে। কিন্তু তারা একের পর এক ইনজেকশন দিতে থাকেন। প্রথম ইনজেকশনের পর ইমরান অস্বস্তিবোধের কথা জানান এবং আর ইনজেকশন না দিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা না শুনে আরও দুটি ইনজেকশন দেন।’
ইসমাইলের দাবি, দ্বিতীয় ইনজেকশনের পর ইমরানের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে। এরপর তৃতীয় ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর প্রস্রাব করে ফেলে এবং নিস্তেজ হয়ে যায়। ভর্তি হওয়ার পর রোগীর প্রকৃত শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আমাদের যথাযথভাবে জানানো হয়নি। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই ওষুধ ও ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।
অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের পরিচালক ডা. ইমদাদুল হক বলেন, নিয়ম অনুযায়ী জরুরি বিভাগে ইমরানকে চিকিৎসক দেখেন। পরে তাঁকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও দেখেন। রোগীকে প্রাথমিকভাবে গ্যাস ও বমি বন্ধের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু।

এদিকে, শুক্রবার (১২ জুন) ইমরানের বাবা শওকত আলী বিশ্বাস কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে ইমরানকে চিকিৎসার জন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই স্যালাইনের সঙ্গে এবং হাতে লাগানো ক্যানুলার মাধ্যমে একাধিক ইনজেকশন প্রয়োগ করেন।
শওকত আলীর দাবি, ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তাঁর ছেলে চিৎকার করতে শুরু করেন এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে মারা যান। আমাদের বুঝ দিতে কর্তৃপক্ষ মৃত অবস্থায় তাঁকে আইসিইউতে নেয়। এর কিছুক্ষণ পর তারা এসে ইমরানের মৃত্যুর খবর জানায়।
তিনি বলেন, ‘ভুল চিকিৎসার কারণেই আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানান, পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশের একাধিক দল তদন্ত করছে।

যশোর আদ-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবার ভুল চিকিৎসায় ইমরান হোসেন নামে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গভীর রাতে শহরের চাচড়ায় এই ঘটনার পর হাসপাতালে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
মাছ ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন শার্শার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের গাজীপাড়া গ্রামের শওকত আলী বিশ্বাসের ছেলে। তাঁর ১৭ মাস বয়সী এক ছেলেসন্তান রয়েছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যের মৃত্যুতে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গত ২৭ মে রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তদন্তের পরে গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই ঘটনার রেশ না কাটতেই হাসপাতালটির যশোর শাখায় রোগী মৃত্যু অভিযোগ উঠল।

স্বজনের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বিকেলে জ্বর-সর্দি নিয়ে যশোরের আদ-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন ইমরান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে পরপর তিনটি ইনজেকশন দেন। এরপরই শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে আইসিইউতে নেওয়া হলেও, তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইমরানের মৃত্যুর পরপরই স্বজনরা হাসপাতালে চত্বরে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকশ মানুষ হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা চিকিৎসকদের হাজির করে ঘটনার ব্যাখ্যা এবং চিকিৎসায় অবহেলায় বিচার দাবি করেন।
ইমরানের খালাতো ভাই ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি করার পর কয়েকটি পরীক্ষা দেন চিকিৎসক। সেগুলো করাতে দিলে রাত ৯টার দিকে রিপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়। এরপর এক নার্স কিছু ওষুধের তালিকা দেন। হাসপাতাল ও বাইরের ফার্মেসি থেকে সেগুলো এনে দিই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের রোগীর মূল সমস্যা শ্বাসকষ্ট। আমরা ভেবেছিলাম তাঁকে দ্রুত অক্সিজেন দেওয়া হবে। কিন্তু তারা একের পর এক ইনজেকশন দিতে থাকেন। প্রথম ইনজেকশনের পর ইমরান অস্বস্তিবোধের কথা জানান এবং আর ইনজেকশন না দিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা না শুনে আরও দুটি ইনজেকশন দেন।’
ইসমাইলের দাবি, দ্বিতীয় ইনজেকশনের পর ইমরানের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে। এরপর তৃতীয় ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর প্রস্রাব করে ফেলে এবং নিস্তেজ হয়ে যায়। ভর্তি হওয়ার পর রোগীর প্রকৃত শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আমাদের যথাযথভাবে জানানো হয়নি। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই ওষুধ ও ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।
অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের পরিচালক ডা. ইমদাদুল হক বলেন, নিয়ম অনুযায়ী জরুরি বিভাগে ইমরানকে চিকিৎসক দেখেন। পরে তাঁকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও দেখেন। রোগীকে প্রাথমিকভাবে গ্যাস ও বমি বন্ধের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু।

এদিকে, শুক্রবার (১২ জুন) ইমরানের বাবা শওকত আলী বিশ্বাস কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে ইমরানকে চিকিৎসার জন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই স্যালাইনের সঙ্গে এবং হাতে লাগানো ক্যানুলার মাধ্যমে একাধিক ইনজেকশন প্রয়োগ করেন।
শওকত আলীর দাবি, ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তাঁর ছেলে চিৎকার করতে শুরু করেন এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে মারা যান। আমাদের বুঝ দিতে কর্তৃপক্ষ মৃত অবস্থায় তাঁকে আইসিইউতে নেয়। এর কিছুক্ষণ পর তারা এসে ইমরানের মৃত্যুর খবর জানায়।
তিনি বলেন, ‘ভুল চিকিৎসার কারণেই আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানান, পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশের একাধিক দল তদন্ত করছে।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর সেখান থেকে রেফার করা রোগীদের তাৎক্ষণিক ও যথাযথ চিকিৎসাসেবা দিতে ঢাকার ছয়টি সরকারি হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
১৯ মিনিট আগে
অর্থনৈতিক সংস্কারের আশা করা হলেও এই বাজেটের মাধ্যমে তা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৩৪ মিনিট আগে
নীলফামারীতে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়কে কার্পেটিং ঢালাইয়ের ৭ দিনের মাথায় উঠতে শুরু করেছে কার্পেটিং। জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের একটি গ্রামীণ সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নয়, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
৪২ মিনিট আগে