শিবিরের দুই নেতার পায়ে পুলিশের গুলি: অভিযোগ গঠনের আদেশ ২০ এপ্রিল

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ১৪
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সংগৃহীত ছবি

যশোরের চৌগাছায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতার পায়ে গুলির ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২০ এপ্রিল দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে সকালে গ্রেপ্তার তিন আসামি চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এ ছাড়া মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিরা হলেন¬– যশোরের তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল-১-এ অভিযোগ দেয় প্রসিকিউশন। পরে ১২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।

ওইদিন মিজানুল ইসলাম বলেন, ২০১৬ সালে চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনের পায়ে গুলি করা হয়। পরে ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ক্ষতস্থানে বালু ঢোকানোয় দুজনের পায়ে পচন ধরে শেষপর্যন্ত কেটে ফেলতে হয়।

তবে অভিযোগ গঠনের শুনানি উপস্থিত তিন আসামিরই আইনজীবীরা অব্যাহতি চান। কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হকের আইনজীবী লিটন আহমেদ যুক্তি দেন, ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে না। আর এটি ‘ওয়াইড স্প্রেড’ বা ‘সিস্টেমেটিক অ্যাটাক’ নয় জানিয়ে এসআই আকিকুল ইসলামের অব্যাহতি চান তার আইনজীবী।

এ সময় ‘ওয়াইড স্প্রেড’ ও ‘সিস্টেমেটিক অ্যাটাকের’ আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত অধিকারের (মানবাধিকার সংগঠন) প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। ওই সময় যাকে টার্গেট করা হতো তাকেই তুলে নিয়ে যেত তারা। অর্থাৎ চৌগাছার ঘটনাটিও ‘সিস্টেমেটিক অ্যাটাক’ ও ‘ওয়াইড স্প্রেডের’ একটি অংশ।

সম্পর্কিত