অক্টোবরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ: রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ১৭
এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিনের। ছবি: সংগৃহীত
এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিনের। ছবি: সংগৃহীত

অক্টোবরের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশান এফবিসিসিআই কার্যালয়ে সংগঠনটির প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রকল্পের কারিগরি ইস্যুগুলো দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রায় চার হাজার রাশিয়ান বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী নিরলসভাবে কাজ করছে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বলেন, আগামী মাসের মধ্যে প্রথম ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে।

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যৌথ ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মস্কো চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে মস্কোতে ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম’ আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন।

আলেকজান্ডার খোজিন বলেন, দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে মস্কোতে বিজনেস ফোরাম আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফোরামে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক প্রোফাইলের ভিত্তিতে সরাসরি বিটুবি বৈঠকসহ বিভিন্ন সেশনের আয়োজন করা হবে।

বৈঠকে এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন ও সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি মানবসম্পদ রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে জেনেরিক ওষুধ আমদানির বিষয়ে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগত ও আইনি বিষয় পর্যালোচনা করছে। রাশিয়ায় তীব্র শীতের উপযোগী ভারী জুতা ও চামড়াজাত পণ্যেরও ভালো চাহিদা রয়েছে।

কৃষি, মৎস্য, জাহাজ নির্মাণ শিল্প ও সেবা খাতে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে, সরকার ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত উদ্যোগে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত