-92d8ff-480x270.webp)
নরসিংদীর বিভিন্ন কলকারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। প্রায় দুই মাস পর গ্যাসের চাপ বাড়ায় শিল্পকারখানা, বাসাবাড়ি ও সিএনজি স্টেশনগুলোতেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
সোমবার(১৪ সেপ্টেম্বর) নতুন এলএনজি কার্গো খালাসের পর রাত থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করে। এর প্রভাবে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের চাপও ধীরে ধীরে বাড়ছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২৬২ কোটি ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। তবে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। ফলে সরবরাহ বাড়লেও এখনো দৈনিক প্রায় ১১৮ কোটি ঘনফুট ঘাটতি রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ আরও বাড়তে পারে।
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রাশেদুল হাসান রিন্টু বলেন, গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় নরসিংদী, মাধবদী ও চৌয়ালা শিল্প এলাকার টেক্সটাইল, ডাইং, স্পিনিং ও সাইজিং মিলগুলোর উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় বন্ধ ও সীমিত পরিসরে চলা কারখানাগুলোতে উৎপাদনে ফেরার আশা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) মুখপাত্র ও আবেদ টেক্সটাইলের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় নরসিংদীসহ দেশের শিল্পকারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। মঙ্গলবার রাত থেকে গ্যাস সরবরাহের উন্নতি হয়েছে।’
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের নরসিংদীর ব্যবস্থাপক মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় মঙ্গলবার থেকে নরসিংদীর শিল্পকারখানা, সিএনজি পাম্প ও বাসাবাড়িতে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। শিল্পাঞ্চলেও গ্যাসের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে।
.png)
-40e58c.jpeg)


-3d2c06-256x144.webp)


