স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতিসংঘে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইস্ক্যাপ) ৮২তম অধিবেশন শেষ হয়েছে। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বাংলাদেশের নেতৃত্বে টেকসই বায়ো-ইকোনমি বা জৈব অর্থনীতিবিষয়ক একটি রেজল্যুশন গৃহীত হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও ক্রমবর্ধমান নেতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হলো।
শুক্রবার ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুয়ার্ডস আ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক এ রেজল্যুশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয়, এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে তা গৃহীত হয়। এটি বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার—টেকসই, উদ্ভাবননির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সার্কুলার অর্থনীতি, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং টেকসই বায়োইকোনমি ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বায়োইকোনমি শুধু একটি নতুন ধারণা নয়; এটি জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার একটি কার্যকর পথ।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক ঐকমত্যের প্রতিফলন হিসেবে বাংলাদেশের এ উদ্যোগে সহ-স্পন্সর হিসেবে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, চীন, মঙ্গোলিয়া, আর্মেনিয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সমর্থন দিয়েছে। এই অধিবেশনে আরও ‘সব বয়সের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সামাজিক উন্নয়ন জোরদার’ বিষয়ে বাকু-ব্যাংকক ঘোষণা গৃহীত হয়েছে, যা অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

জাতিসংঘে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইস্ক্যাপ) ৮২তম অধিবেশন শেষ হয়েছে। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বাংলাদেশের নেতৃত্বে টেকসই বায়ো-ইকোনমি বা জৈব অর্থনীতিবিষয়ক একটি রেজল্যুশন গৃহীত হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও ক্রমবর্ধমান নেতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হলো।
শুক্রবার ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুয়ার্ডস আ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক এ রেজল্যুশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয়, এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে তা গৃহীত হয়। এটি বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার—টেকসই, উদ্ভাবননির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সার্কুলার অর্থনীতি, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং টেকসই বায়োইকোনমি ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বায়োইকোনমি শুধু একটি নতুন ধারণা নয়; এটি জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার একটি কার্যকর পথ।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক ঐকমত্যের প্রতিফলন হিসেবে বাংলাদেশের এ উদ্যোগে সহ-স্পন্সর হিসেবে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, চীন, মঙ্গোলিয়া, আর্মেনিয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সমর্থন দিয়েছে। এই অধিবেশনে আরও ‘সব বয়সের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সামাজিক উন্নয়ন জোরদার’ বিষয়ে বাকু-ব্যাংকক ঘোষণা গৃহীত হয়েছে, যা অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে উচ্চ তাপমাত্রা ও করণীয় সংক্রান্ত একটি ‘বিভ্রান্তিকর বার্তা’ প্রচার করা হচ্ছে, যার সঙ্গে অধিদপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই বলে নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মুখপাত্র শাহজাহান শিকদার।
৩ মিনিট আগে
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে মেধাভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে রাষ্ট্রের মালিক এই দেশের জনগণ। তাই জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা হিসেবে জনগণের স্বার্থ ও কল্যাণ নিশ্চিত করা আপন
১০ মিনিট আগে
কলেজ শিক্ষার্থী রিজয়ান রশীদের নির্মিত গো-কার্ট (রেসিং কার) চালিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১০ মিনিট আগে
দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। এরই মধ্যে সুখবর দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্তত তিনটি বিভাগে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে