স্ট্রিম সংবাদদাতা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার কোনো আলাপ-আলোচনা করেনি বলে দাবি করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি– তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো একজন মানুষও বিষয়টি নিয়ে আমাদের সঙ্গে একটি শব্দ উচ্চারণ করেননি।
শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় রংপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সুধী সমাবেশে অংশ নেওয়ার আগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার বিষয়ে আশঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনমুখী দল। গণতান্ত্রিক পন্থায় এদেশের নেতৃত্বের পরিবর্তন চাই। কাজেই আমরা সব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি, এবারো করব।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন– জাতীয় নির্বাচনের পর দুটি উপনির্বাচন হয়েছে। একটি শেরপুরে ও আরেকটি বগুড়ায়। সেখানকার কারবার সবাই দেখেছে। আমরা এ ব্যাপারে শঙ্কিত, আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা? তবে আমরা জনগণকে অনুরোধ করব, তারা যেন নিজের অধিকারের পক্ষে আরেকবার সজাগ হয়, সোচ্চার হয়। সব রোগের ওষুধ হচ্ছে জনগণের ম্যান্ডেড।’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসার পর মুসলিমদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু পশ্চিমবঙ্গ না, দুনিয়ার যে কোনো জায়গায় এ ধরনের অপকর্ম হলে, আমরা তার নিন্দা জানাই। শুধু ধর্মীয় পরিচয়ে কাউকে আঘাত করার অধিকার এই দুনিয়া কাউকে দেয়নি। কোনো দেশের সংবিধানও দেয়নি। কেউ যদি এটা করে থাকেন, মানবতার ওপরে জুলুম। এটার বিপক্ষে আমাদের অবস্থান সব সময় স্পষ্ট।’
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা পদ্মা ব্যারেজের উদ্যোগকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু এটা তিস্তার বিনিময়ে নয়। তিস্তার জায়গায় অবশ্যই তিস্তাকে তার পাওনা দিতে হবে এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এর ভিন্ন আমরা কিছু চাই না। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট।’
সুধী সমাবেশে জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার কোনো আলাপ-আলোচনা করেনি বলে দাবি করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি– তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো একজন মানুষও বিষয়টি নিয়ে আমাদের সঙ্গে একটি শব্দ উচ্চারণ করেননি।
শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় রংপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সুধী সমাবেশে অংশ নেওয়ার আগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার বিষয়ে আশঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনমুখী দল। গণতান্ত্রিক পন্থায় এদেশের নেতৃত্বের পরিবর্তন চাই। কাজেই আমরা সব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি, এবারো করব।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন– জাতীয় নির্বাচনের পর দুটি উপনির্বাচন হয়েছে। একটি শেরপুরে ও আরেকটি বগুড়ায়। সেখানকার কারবার সবাই দেখেছে। আমরা এ ব্যাপারে শঙ্কিত, আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা? তবে আমরা জনগণকে অনুরোধ করব, তারা যেন নিজের অধিকারের পক্ষে আরেকবার সজাগ হয়, সোচ্চার হয়। সব রোগের ওষুধ হচ্ছে জনগণের ম্যান্ডেড।’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসার পর মুসলিমদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু পশ্চিমবঙ্গ না, দুনিয়ার যে কোনো জায়গায় এ ধরনের অপকর্ম হলে, আমরা তার নিন্দা জানাই। শুধু ধর্মীয় পরিচয়ে কাউকে আঘাত করার অধিকার এই দুনিয়া কাউকে দেয়নি। কোনো দেশের সংবিধানও দেয়নি। কেউ যদি এটা করে থাকেন, মানবতার ওপরে জুলুম। এটার বিপক্ষে আমাদের অবস্থান সব সময় স্পষ্ট।’
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা পদ্মা ব্যারেজের উদ্যোগকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু এটা তিস্তার বিনিময়ে নয়। তিস্তার জায়গায় অবশ্যই তিস্তাকে তার পাওনা দিতে হবে এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এর ভিন্ন আমরা কিছু চাই না। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট।’
সুধী সমাবেশে জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

বিএনপির উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা জাতিকে ধোঁকা দিয়েছেন। জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে অতীতে কেউ রেহাই পায়নি, আপনারাও পাবেন না। সৎ পথে ফিরে আসুন। জাতির সঙ্গে গাদ্দারি-বেঈমানি করবেন না।
২ ঘণ্টা আগে
আইন করে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলেও আমলাতন্ত্রে সেই মানসিকতা রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম। শনিবার (১৬ মে) সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডে আলোচনা সভায় একথা জানান তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলে সরকারের প্রতি জনআস্থা কমবে বলে সতর্ক করেছে মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কোনো পরাশক্তির প্লে গ্রাউন্ড হিসেবে দেখতে চাই না বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার কোথায় মাথা বন্ধক রেখে ক্ষমতায় এসেছে, আমরা এখনো স্পষ্ট নয়। তারা কোনো পরাশক্তির মুখাপেক্ষী হয়ে দেশ পরিচালনা করবে, তা জনগণ মেনে নেবে না।
৫ ঘণ্টা আগে