স্ট্রিম প্রতিবেদক

দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলে সরকারের প্রতি জনআস্থা কমবে বলে সতর্ক করেছে মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় দলটির নেতারা এসব কথা বলেন।
সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা কমেছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। কিন্তু সরকার বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
খেলাফত মজলিসের নেতারা মনে করেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের অংশগ্রহণে কাজ করবে। সেখানে দলীয় প্রশাসক বসানো অতীতের একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা তৈরি করছে। অবিলম্বে সব দলীয় প্রশাসক নিয়োগ বাতিল করে সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানান তারা।
একটি অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষ হওয়ার আহ্বান জানায় দলটি।
সভায় নেতারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও অনিয়ম আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দ্রুত নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, স্থানীয় উন্নয়ন গণমুখী হবে এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অপতৎপরতা কমে আসবে।
তারা সতর্ক করে বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় নিয়ন্ত্রণে রাখলে দেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে এবং সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও কমবে।
খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও সিনিয়র নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মাওলানা রুহুল আমিন খান, মাওলানা কুরবান আলী এবং মাওলানা ফয়সাল আহমদ প্রমুখ।

দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলে সরকারের প্রতি জনআস্থা কমবে বলে সতর্ক করেছে মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় দলটির নেতারা এসব কথা বলেন।
সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা কমেছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। কিন্তু সরকার বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
খেলাফত মজলিসের নেতারা মনে করেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের অংশগ্রহণে কাজ করবে। সেখানে দলীয় প্রশাসক বসানো অতীতের একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা তৈরি করছে। অবিলম্বে সব দলীয় প্রশাসক নিয়োগ বাতিল করে সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানান তারা।
একটি অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষ হওয়ার আহ্বান জানায় দলটি।
সভায় নেতারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও অনিয়ম আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দ্রুত নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, স্থানীয় উন্নয়ন গণমুখী হবে এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অপতৎপরতা কমে আসবে।
তারা সতর্ক করে বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় নিয়ন্ত্রণে রাখলে দেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে এবং সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও কমবে।
খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও সিনিয়র নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মাওলানা রুহুল আমিন খান, মাওলানা কুরবান আলী এবং মাওলানা ফয়সাল আহমদ প্রমুখ।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬