স্ট্রিম প্রতিবেদক

আইন করে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলেও আমলাতন্ত্রে সেই মানসিকতা রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম। শনিবার (১৬ মে) সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডে আলোচনা সভায় একথা জানান তিনি।
হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের লড়াই ও “লাঙল যার, জমি তার” স্লোগানের পর ১৯৫০ সালে জমিদারী উচ্ছেদ হয়। তবে গত সাত দশকে জলমহাল, চা বাগান ও হাট-বাজার ইজারা দেওয়ার নামে ‘নব্য জমিদারী’ ব্যবস্থা টিকে আছে। তিনি অভিযোগ করেন, ইজারাদাররা সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম ও লুণ্ঠনের লাইসেন্স পাচ্ছে।
হাসনাত কাইয়ূম আরও জানান, জমিদারী সরাতে ১৫০ বছর লেগেছে, এখন নাগরিক মর্যাদা আদায়ের লড়াই চলছে। চব্বিশের অভ্যুত্থান সেই সংগ্রামেরই অংশ। সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে এই লড়াই সফল করতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, আইন করে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা হলেও রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতি ও আমলাতন্ত্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জমিদারী মানসিকতার ‘ভূত’ রয়ে গেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের অধ্যাপক বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘জমিদারী প্রথা বর্তমানে “শ্রমদারী” প্রথায় রূপ নিয়েছে। কৃষকের বদলে এখন শ্রমিক ও প্রান্তিক মানুষ শোষিত হচ্ছে।’ এর থেকে মুক্তির জন্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দাবি জানান তিনি।
আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোকসেদুল ইসলাম জানান, ২০০ বছরের পুরনো ঔপনিবেশিক আইন দিয়ে শোষণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে। আদালতের স্বায়ত্তশাসন ও শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ছাড়া এই সংকট কাটবে না।
অহিংস গণ-আন্দোলন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম চৌধুরী বলেন, এখন জমিদার নেই, আছে ভূমিবিষয়ক বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার প্রভৃতি। তাদের দৌরাত্ম্য, ভূমি অফিসের দুর্ভোগ, উৎকোচ এসব সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে রেখেছে।
গবেষক সহুল আহমদ জানান, আমলাতন্ত্র ও পুঁজিপতিরা গ্রামীণ জনপদে নতুন কায়দায় আধিপত্য বিস্তার করে নাগরিকদের কোণঠাসা করছে।
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় সভায় রাষ্ট্রচিন্তক মঞ্জুর কাদির, হরিপদ দাস, মোহাম্মদ সোহেলসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।

আইন করে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলেও আমলাতন্ত্রে সেই মানসিকতা রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম। শনিবার (১৬ মে) সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডে আলোচনা সভায় একথা জানান তিনি।
হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের লড়াই ও “লাঙল যার, জমি তার” স্লোগানের পর ১৯৫০ সালে জমিদারী উচ্ছেদ হয়। তবে গত সাত দশকে জলমহাল, চা বাগান ও হাট-বাজার ইজারা দেওয়ার নামে ‘নব্য জমিদারী’ ব্যবস্থা টিকে আছে। তিনি অভিযোগ করেন, ইজারাদাররা সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম ও লুণ্ঠনের লাইসেন্স পাচ্ছে।
হাসনাত কাইয়ূম আরও জানান, জমিদারী সরাতে ১৫০ বছর লেগেছে, এখন নাগরিক মর্যাদা আদায়ের লড়াই চলছে। চব্বিশের অভ্যুত্থান সেই সংগ্রামেরই অংশ। সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে এই লড়াই সফল করতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, আইন করে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা হলেও রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতি ও আমলাতন্ত্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জমিদারী মানসিকতার ‘ভূত’ রয়ে গেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের অধ্যাপক বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘জমিদারী প্রথা বর্তমানে “শ্রমদারী” প্রথায় রূপ নিয়েছে। কৃষকের বদলে এখন শ্রমিক ও প্রান্তিক মানুষ শোষিত হচ্ছে।’ এর থেকে মুক্তির জন্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দাবি জানান তিনি।
আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোকসেদুল ইসলাম জানান, ২০০ বছরের পুরনো ঔপনিবেশিক আইন দিয়ে শোষণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে। আদালতের স্বায়ত্তশাসন ও শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ছাড়া এই সংকট কাটবে না।
অহিংস গণ-আন্দোলন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম চৌধুরী বলেন, এখন জমিদার নেই, আছে ভূমিবিষয়ক বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার প্রভৃতি। তাদের দৌরাত্ম্য, ভূমি অফিসের দুর্ভোগ, উৎকোচ এসব সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে রেখেছে।
গবেষক সহুল আহমদ জানান, আমলাতন্ত্র ও পুঁজিপতিরা গ্রামীণ জনপদে নতুন কায়দায় আধিপত্য বিস্তার করে নাগরিকদের কোণঠাসা করছে।
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় সভায় রাষ্ট্রচিন্তক মঞ্জুর কাদির, হরিপদ দাস, মোহাম্মদ সোহেলসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।

বিএনপির উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা জাতিকে ধোঁকা দিয়েছেন। জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে অতীতে কেউ রেহাই পায়নি, আপনারাও পাবেন না। সৎ পথে ফিরে আসুন। জাতির সঙ্গে গাদ্দারি-বেঈমানি করবেন না।
২৮ মিনিট আগে
দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলে সরকারের প্রতি জনআস্থা কমবে বলে সতর্ক করেছে মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কোনো পরাশক্তির প্লে গ্রাউন্ড হিসেবে দেখতে চাই না বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার কোথায় মাথা বন্ধক রেখে ক্ষমতায় এসেছে, আমরা এখনো স্পষ্ট নয়। তারা কোনো পরাশক্তির মুখাপেক্ষী হয়ে দেশ পরিচালনা করবে, তা জনগণ মেনে নেবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সরকার করবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৯ ঘণ্টা আগে