স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজধানীর অদূরের দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১ আসন। এখানে মোট ভোটারের প্রায় ২০ শতাংশ সনাতন (হিন্দু) ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। এই ভোটারদের ওপর এককভাবে নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো রাজনৈতিক দলের। বিভিন্ন সময় নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ওই দুই সম্প্রদায়ের মোট লোকজনের চেয়ে কম। এতে ভোটের ‘ফ্যাক্টর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁদের।
হিন্দু-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ভোটারেরা কোনো দলের বা প্রার্থীর দিকে ঝুঁকে পড়লে, নির্বাচনে তাঁর জয়লাভ সম্ভাবনা বেশি মনে করেন সবাই। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠেও তাঁদের বড় ‘ফ্যাক্টর’ বলে মনে করছেন রাজনীতিকরা।
উপজেলা নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় সূত্র জানা গেছে, স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৩ সালে প্রথম নির্বাচন থেকে দোহার থানা নিয়ে ছিল ঢাকা-২ নির্বাচনী এলাকা। ২০০১ সালের আদমশুমারির ভিত্তিতে সীমানা পুনর্বিন্যাস করে নির্বাচন কমিশন। এতে ২০০৮ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে দোহারকে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে ঢাকা-১ আসনে যুক্ত করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার। এর মধ্যে দোহারে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার এবং নবাবগঞ্জে ৩ লাখ ৫ হাজার। এসব ভোটারের মধ্যে বড় একটি অংশ সনাতন ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। যা মোট ভোটের অনুপাতের প্রায় ২০ শতাংশ। দোহার উপজেলায় ২৫ হাজার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার ৭৫ হাজার ভোটার রয়েছে দুই সম্প্রদায়ের লোকজন। মোট ১ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ভোটার, বাকি ৯৬ হাজার ভোট হিন্দু সম্প্রদায়ের।
এবার নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক ও জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী নজরুল ইসলামের মধ্যে হবে মনে করছেন ভোটারেরা। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের নুরুল ইসলাম ও প্রয়াত এমপি নাজমুল হুদার মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা সেলিমা হুদা প্রচার চালালেও অন্য দুই প্রার্থী নেই কোনো আলোচনায়। এমনকি তাদের পক্ষে কোনো প্রচারও চোখে পড়ে না।
এদিকে দোহার-নবাবগঞ্জ কখনো বিএনপি, কখনো আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিএনপির সঙ্গে হারের ভোটের ব্যবধান কমিয়ে আনেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূর-ই-আলী। এ বছর ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২ হাজার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল মান্নানকে ১১ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। ২০১৪ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সালমা ইসলাম সাড়ে ৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছিল।

দুই উপজেলার একাধিক ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে ভোট জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ভোট ব্যবধান খুব বেশি হবে না। এক্ষেত্রে হিন্দু-খ্রিষ্টান ভোট ম্যাজিক হিসেবে কাজ করতে পারে! এবারের ভোটে সম্ভাব্য বিজিত প্রার্থীকে অবশ্যই এই কমিউনিটির ভোট কাউন্ট করার সময় হয়েছে। হিন্দু ও খ্রিষ্টানদের ভোট প্রার্থীদের বাক্সে সমানভাবে না পড়লে ব্যবধান বাড়িয়ে দিতে পারে।
নাম না-প্রকাশের শর্তে দোহারের একজন হিন্দু নেতা জানান, নির্বাচনের ভোট দেওয়ার জন্য সবাই মুখিয়ে আছে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে তারা ভোটে অংশ নেবে। তিনি মনে করেন, তাঁর সম্প্রদায়ের ভোট সব বাক্সেই যাবে কমবেশি। নির্দিষ্ট কোনো দল বা গোষ্ঠীকে ভোট দেওয়ার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নয়, বরং ভোটাররা তাদের পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিবে এমনটাই আশা করছেন তিনি।
নবাবগঞ্জের নারী উদ্যোক্তা ও সংগঠক মাধুরী বণিক জানান, ‘বিগত নির্বাচনগুলিতে আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছি, যথারীতি এবারও করব। তবে আমাদের ভোট তাকেই দিব, যাকে দিলে এলাকার ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’
সমাজকর্মী ও লাইব্রেরি আন্দোলনের কর্মী জেমস আনজুস জানান, ‘আমাদের কমিউনিটিতে দুই উপজেলার ১৪টি গ্রামে বসবাসরত মানুষের মধ্যে ভোটেরর সংখ্যা ৪ হাজারের মতো। এই সম্প্রদায়ের শান্তিপ্রিয় মানুষজন ন্যায়ের পক্ষে রায় দিয়েছে, এবারো তাই করবে।’ আগামীর সুন্দর দেশ গড়তে ও মানুষে ভাগ্য উন্নয়নে যে কাজ প্রার্থীকে ভোট দেবেন তাঁর সম্প্রদায়ের লোকজন।
দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ জানান, ‘আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন, তার মধ্যেই সব ধর্মের মানুষের অধিকারের কথা বলে হয়েছে। বিএনপি নির্বাচিত হলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের পাশাপাশি গির্জা ও মন্দিরের সেবক হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তাদেরও ভাতার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি সনাতন ধর্মের যারা মৃৎশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, তাঁদের তালিকা করে ভাতা দেওয়া হবে।’
দোহার উপজেলা জামায়াতের আমির দেওয়ান মো. শহিদুজ্জামান জানান, তাঁর দল সরকার গঠন করলে সব ধর্মের মানুষকে সমান অধিকার দেওয়া হবে। মানুষের যে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত ছাড়াও সব ধর্মের মানুষ যাতে পাশাপাশি বসবাস করে, ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, তাদের বসবাসে যে সমস্যা তৈরি হয়, তা দেখে দেখে বাস্তবায়ন করা হবে।
পরশু বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় ভোটে এই জনপদের আগামী ৫ বছরের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। তিনি কে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে দুই দিন।

রাজধানীর অদূরের দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১ আসন। এখানে মোট ভোটারের প্রায় ২০ শতাংশ সনাতন (হিন্দু) ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। এই ভোটারদের ওপর এককভাবে নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো রাজনৈতিক দলের। বিভিন্ন সময় নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ওই দুই সম্প্রদায়ের মোট লোকজনের চেয়ে কম। এতে ভোটের ‘ফ্যাক্টর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁদের।
হিন্দু-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ভোটারেরা কোনো দলের বা প্রার্থীর দিকে ঝুঁকে পড়লে, নির্বাচনে তাঁর জয়লাভ সম্ভাবনা বেশি মনে করেন সবাই। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠেও তাঁদের বড় ‘ফ্যাক্টর’ বলে মনে করছেন রাজনীতিকরা।
উপজেলা নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় সূত্র জানা গেছে, স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৩ সালে প্রথম নির্বাচন থেকে দোহার থানা নিয়ে ছিল ঢাকা-২ নির্বাচনী এলাকা। ২০০১ সালের আদমশুমারির ভিত্তিতে সীমানা পুনর্বিন্যাস করে নির্বাচন কমিশন। এতে ২০০৮ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে দোহারকে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে ঢাকা-১ আসনে যুক্ত করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার। এর মধ্যে দোহারে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার এবং নবাবগঞ্জে ৩ লাখ ৫ হাজার। এসব ভোটারের মধ্যে বড় একটি অংশ সনাতন ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। যা মোট ভোটের অনুপাতের প্রায় ২০ শতাংশ। দোহার উপজেলায় ২৫ হাজার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার ৭৫ হাজার ভোটার রয়েছে দুই সম্প্রদায়ের লোকজন। মোট ১ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ভোটার, বাকি ৯৬ হাজার ভোট হিন্দু সম্প্রদায়ের।
এবার নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক ও জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী নজরুল ইসলামের মধ্যে হবে মনে করছেন ভোটারেরা। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের নুরুল ইসলাম ও প্রয়াত এমপি নাজমুল হুদার মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা সেলিমা হুদা প্রচার চালালেও অন্য দুই প্রার্থী নেই কোনো আলোচনায়। এমনকি তাদের পক্ষে কোনো প্রচারও চোখে পড়ে না।
এদিকে দোহার-নবাবগঞ্জ কখনো বিএনপি, কখনো আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিএনপির সঙ্গে হারের ভোটের ব্যবধান কমিয়ে আনেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূর-ই-আলী। এ বছর ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২ হাজার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল মান্নানকে ১১ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। ২০১৪ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সালমা ইসলাম সাড়ে ৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছিল।

দুই উপজেলার একাধিক ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে ভোট জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ভোট ব্যবধান খুব বেশি হবে না। এক্ষেত্রে হিন্দু-খ্রিষ্টান ভোট ম্যাজিক হিসেবে কাজ করতে পারে! এবারের ভোটে সম্ভাব্য বিজিত প্রার্থীকে অবশ্যই এই কমিউনিটির ভোট কাউন্ট করার সময় হয়েছে। হিন্দু ও খ্রিষ্টানদের ভোট প্রার্থীদের বাক্সে সমানভাবে না পড়লে ব্যবধান বাড়িয়ে দিতে পারে।
নাম না-প্রকাশের শর্তে দোহারের একজন হিন্দু নেতা জানান, নির্বাচনের ভোট দেওয়ার জন্য সবাই মুখিয়ে আছে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে তারা ভোটে অংশ নেবে। তিনি মনে করেন, তাঁর সম্প্রদায়ের ভোট সব বাক্সেই যাবে কমবেশি। নির্দিষ্ট কোনো দল বা গোষ্ঠীকে ভোট দেওয়ার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নয়, বরং ভোটাররা তাদের পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিবে এমনটাই আশা করছেন তিনি।
নবাবগঞ্জের নারী উদ্যোক্তা ও সংগঠক মাধুরী বণিক জানান, ‘বিগত নির্বাচনগুলিতে আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছি, যথারীতি এবারও করব। তবে আমাদের ভোট তাকেই দিব, যাকে দিলে এলাকার ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’
সমাজকর্মী ও লাইব্রেরি আন্দোলনের কর্মী জেমস আনজুস জানান, ‘আমাদের কমিউনিটিতে দুই উপজেলার ১৪টি গ্রামে বসবাসরত মানুষের মধ্যে ভোটেরর সংখ্যা ৪ হাজারের মতো। এই সম্প্রদায়ের শান্তিপ্রিয় মানুষজন ন্যায়ের পক্ষে রায় দিয়েছে, এবারো তাই করবে।’ আগামীর সুন্দর দেশ গড়তে ও মানুষে ভাগ্য উন্নয়নে যে কাজ প্রার্থীকে ভোট দেবেন তাঁর সম্প্রদায়ের লোকজন।
দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ জানান, ‘আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন, তার মধ্যেই সব ধর্মের মানুষের অধিকারের কথা বলে হয়েছে। বিএনপি নির্বাচিত হলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের পাশাপাশি গির্জা ও মন্দিরের সেবক হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তাদেরও ভাতার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি সনাতন ধর্মের যারা মৃৎশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, তাঁদের তালিকা করে ভাতা দেওয়া হবে।’
দোহার উপজেলা জামায়াতের আমির দেওয়ান মো. শহিদুজ্জামান জানান, তাঁর দল সরকার গঠন করলে সব ধর্মের মানুষকে সমান অধিকার দেওয়া হবে। মানুষের যে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত ছাড়াও সব ধর্মের মানুষ যাতে পাশাপাশি বসবাস করে, ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, তাদের বসবাসে যে সমস্যা তৈরি হয়, তা দেখে দেখে বাস্তবায়ন করা হবে।
পরশু বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় ভোটে এই জনপদের আগামী ৫ বছরের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। তিনি কে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে দুই দিন।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬