ওলিউর রহমান

ইসলামের দৃষ্টিতে সময় শুধু গতি নয়; বরং তা ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একেকটি সুযোগ। মাসগুলোর মধ্যে রমজান যেমন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ, তেমনি সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যেও রয়েছে একটি শ্রেষ্ঠ দিন—শুক্রবার, যা মুসলমানদের কাছে ‘জুমার দিন’ নামে বেশি পরিচিত।
আল্লাহর কাছে দিনটির মর্যাদা এতটাই বেশি যে, এটিকে মুসলমানদের জন্য সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। হাদিসের বর্ণনায় এসেছে, জুমা অন্য সব দিনের সর্দার এবং আল্লাহ তাআলার কাছে অত্যন্ত সম্মানিত।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন। এদিন আল্লাহ তাআলা হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করেছেন, এদিনই তাঁকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে, এদিনই তাঁর ইন্তেকাল হয়েছে এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। (মুসনাদে আহমাদ)
অন্য এক হাদিসে এসেছে, জুমার দিন আল্লাহর কাছে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনের থেকেও অধিক মর্যাদাপূর্ণ। মানবজাতির সূচনা, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং পৃথিবীর শেষ পরিণতি এই দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত। (সুনানে ইবনে মাজাহ)
দোয়া কবুলের বিশেষ সময়: হাদিসে আছে, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হয়—যদি সে হারাম কোনো বিষয়ের প্রার্থনা না করে। এই সময়টি একজন মুমিনের জন্য অমূল্য সুযোগ। (মুসনাদে আহমাদ)
আমল পেশের রাত: অন্য এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়। তবে যারা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তাদের আমল গ্রহণ করা হয় না। এ বিষয়টি আমাদের সামাজিক জীবনের প্রতি ইসলামের গুরুত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। (মুসনাদে আহমাদ)
গুনাহ মাফের সুযোগ: আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত সংঘটিত গুনাহসমূহ (ছোট) মাফ করে দেওয়া হয়, যদি বড় গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা যায়। (সহিহ মুসলিম)
জুমার দিনের প্রধান আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। এর পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে— ১. ভালোভাবে গোসল করা, ২. সুগন্ধি ব্যবহার করা, ৩. আগে আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া, ৪. খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা, ৫. বেশি বেশি দুরুদ শরীফ পাঠ করা, ৬. সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা, ৭. আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দোয়া ও জিকিরে কাটানোর চেষ্টা করা।
জুমার দিন কেবল একটি সাপ্তাহিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি গুনাহমুক্তি ও আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এক অনন্য সুযোগ। প্রতি সপ্তাহে এই দিনটি আমাদের সামনে আসে—ঈমানকে ঝালিয়ে নেওয়ার জন্য, আমলকে পরিশুদ্ধ করার জন্য এবং সম্পর্কগুলোকে ঠিক করার জন্য।
যে ব্যক্তি জুমার দিনের প্রকৃত মূল্য বুঝতে পারে, তার জন্য এই দিনটি কেবল একটি দিন নয়—বরং পরিবর্তনের এক নতুন সূচনা।

ইসলামের দৃষ্টিতে সময় শুধু গতি নয়; বরং তা ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একেকটি সুযোগ। মাসগুলোর মধ্যে রমজান যেমন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ, তেমনি সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যেও রয়েছে একটি শ্রেষ্ঠ দিন—শুক্রবার, যা মুসলমানদের কাছে ‘জুমার দিন’ নামে বেশি পরিচিত।
আল্লাহর কাছে দিনটির মর্যাদা এতটাই বেশি যে, এটিকে মুসলমানদের জন্য সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। হাদিসের বর্ণনায় এসেছে, জুমা অন্য সব দিনের সর্দার এবং আল্লাহ তাআলার কাছে অত্যন্ত সম্মানিত।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন। এদিন আল্লাহ তাআলা হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করেছেন, এদিনই তাঁকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে, এদিনই তাঁর ইন্তেকাল হয়েছে এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। (মুসনাদে আহমাদ)
অন্য এক হাদিসে এসেছে, জুমার দিন আল্লাহর কাছে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনের থেকেও অধিক মর্যাদাপূর্ণ। মানবজাতির সূচনা, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং পৃথিবীর শেষ পরিণতি এই দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত। (সুনানে ইবনে মাজাহ)
দোয়া কবুলের বিশেষ সময়: হাদিসে আছে, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হয়—যদি সে হারাম কোনো বিষয়ের প্রার্থনা না করে। এই সময়টি একজন মুমিনের জন্য অমূল্য সুযোগ। (মুসনাদে আহমাদ)
আমল পেশের রাত: অন্য এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়। তবে যারা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তাদের আমল গ্রহণ করা হয় না। এ বিষয়টি আমাদের সামাজিক জীবনের প্রতি ইসলামের গুরুত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। (মুসনাদে আহমাদ)
গুনাহ মাফের সুযোগ: আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত সংঘটিত গুনাহসমূহ (ছোট) মাফ করে দেওয়া হয়, যদি বড় গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা যায়। (সহিহ মুসলিম)
জুমার দিনের প্রধান আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। এর পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে— ১. ভালোভাবে গোসল করা, ২. সুগন্ধি ব্যবহার করা, ৩. আগে আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া, ৪. খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা, ৫. বেশি বেশি দুরুদ শরীফ পাঠ করা, ৬. সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা, ৭. আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দোয়া ও জিকিরে কাটানোর চেষ্টা করা।
জুমার দিন কেবল একটি সাপ্তাহিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি গুনাহমুক্তি ও আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এক অনন্য সুযোগ। প্রতি সপ্তাহে এই দিনটি আমাদের সামনে আসে—ঈমানকে ঝালিয়ে নেওয়ার জন্য, আমলকে পরিশুদ্ধ করার জন্য এবং সম্পর্কগুলোকে ঠিক করার জন্য।
যে ব্যক্তি জুমার দিনের প্রকৃত মূল্য বুঝতে পারে, তার জন্য এই দিনটি কেবল একটি দিন নয়—বরং পরিবর্তনের এক নতুন সূচনা।
.png)

বাংলাদেশের আকাশে আজ ১৪৪৮ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ১৫ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।
১৩ আগস্ট ২০২৬
দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকায় এমন কিছু দিন আছে, যেগুলোর সঙ্গে এ দেশের মুসলিম সমাজের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। আখেরি চাহার শোম্বা তেমনই একটি দিন। আজ ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা উপলক্ষে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটি রয়েছে।
১২ আগস্ট ২০২৬
দিনভর ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা ও হিসাব-নিকাশের মধ্য দিয়ে কাটে আমাদের জীবন। কিন্তু নামাজ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন মুমিনের সামনে খুলে যায় এক ভিন্ন জগত। যেখানে তিনি একান্তে নিজের প্রতিপালকের সঙ্গে কথোপকথনে দাঁড়ান। সে মুহূর্তে অন্তরের একাগ্রতা, বিনয় ও আল্লাহমুখিতা—এসবই নামাজের প্রকৃত সৌন্দর্য।
৩১ জুলাই ২০২৬
উপমহাদেশে মুসলিম পুনর্জাগরণের অন্যতম রূপকার ছিলেন শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী। খ্রিস্টীয় আঠারো শতকের চরম রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্যোগের সময়ে ভারতীয় মুসলমানদের চিন্তা, শিক্ষা ও নৈতিক সংস্কারে তিনি এক যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করেন।
২৪ জুলাই ২০২৬