স্ট্রিম প্রতিবেদক

ডিভাইস আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদনে যেতে পারলেই প্রকৃত সাফল্য আসবে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন, ‘ব্যাটারি শিল্প ও মোবাইল উৎপাদনে শুল্ক কমানোর মতো সফল নীতিগত উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে কম্পিউটার উৎপাদন সহজ করতে সরকার ও ব্যবসায়ীদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তিনদিনব্যাপী ‘ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) যৌথভাবে এই এক্সপোজিশনের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, নীতিগত সহায়তার ফলে সরকারের রাজস্ব কীভাবে বাড়বে—সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যবসায়িক কেস উপস্থাপন করলে সরকার আরও সহনশীল সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
দেশে ডিভাইস বাজারের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমানে স্মার্টফোন পেনিট্রেশন মাত্র ৪৫ শতাংশ, ল্যাপটপ ১০ শতাংশ এবং ট্যাবলেট ২ থেকে ৫ শতাংশ। তরুণ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত বাংলাদেশে এই বাজার আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সব স্কুলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও ডিজিটাল লার্নিং নিশ্চিত করার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এজন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য ডিভাইস নিশ্চিত করা জরুরি। এছাড়া কিস্তিতে ডিভাইস বিক্রি, ই-কমার্সে আস্থা ফেরানো এবং ডেলিভারি অথেন্টিকেশন ব্যবস্থার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ সহকারী আরও জানান, সাইবার সিকিউরিটি অধ্যাদেশ, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশ, এআই ও ক্লাউড পলিসিসহ প্রয়োজনীয় ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কাঠামো ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। এখন প্রয়োজন বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো। সরকার–ব্যবসা–একাডেমিয়ার সমন্বয়ে বাংলাদেশ শুধু ডিভাইস আমদানিকারক নয়, ভবিষ্যতে ডিভাইস উৎপাদন ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, এক্সিবিশনের পাশাপাশি সেমিনার, আলোচনা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। সরকার–ইন্ডাস্ট্রি–একাডেমিয়ার সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ট্রান্সফর্মড বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরেক বিশেষ অতিথি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান (এফসিএমএ) দেশীয় দক্ষ এক্সপার্ট ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মানবসম্পদই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি, যা সঠিকভাবে কাজে লাগালে দেশকে প্রযুক্তিনির্ভর ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তর করা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, দীর্ঘদিন পর আইসিটি সেক্টরে এ ধরনের আয়োজন খাতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে এই আয়োজন ঢাকা কেন্দ্রিক না রেখে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার ‘গভরন্যান্স উইদাউট গভর্নমেন্ট’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আইসিটির মাধ্যমে দৃশ্যমান সরকার ছাড়াই কার্যকর সেবা নিশ্চিত করাই হবে ভবিষ্যৎ লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ সাইফুল হাসান এবং আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্ল্যাটিনাম ও গোল্ড স্পন্সরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিটিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসলাম হোসেন, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী, টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আশরাফ হোসেনসহ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রির ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিনিয়োগকারী ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দপ্তর সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এক্সপো ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এক্সপোতে সেরা প্যাভিলিয়নের পুরস্কার জিতেছে শাওমি, লেনোভো এবং টিপি লিংক। সেরা স্টল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ড্রিমটেক, জিনিউ এবং স্কার্টের লি.। এক্সপোতে দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ডিজিটাল ডিভাইস, স্মার্ট সল্যুশন ও উদীয়মান প্রযুক্তির নানা দিক তুলে ধরা হয়, যার মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তি শিল্পের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা দেশবাসীর সামনে উপস্থাপিত হয়েছে।

ডিভাইস আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদনে যেতে পারলেই প্রকৃত সাফল্য আসবে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন, ‘ব্যাটারি শিল্প ও মোবাইল উৎপাদনে শুল্ক কমানোর মতো সফল নীতিগত উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে কম্পিউটার উৎপাদন সহজ করতে সরকার ও ব্যবসায়ীদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তিনদিনব্যাপী ‘ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) যৌথভাবে এই এক্সপোজিশনের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, নীতিগত সহায়তার ফলে সরকারের রাজস্ব কীভাবে বাড়বে—সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যবসায়িক কেস উপস্থাপন করলে সরকার আরও সহনশীল সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
দেশে ডিভাইস বাজারের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমানে স্মার্টফোন পেনিট্রেশন মাত্র ৪৫ শতাংশ, ল্যাপটপ ১০ শতাংশ এবং ট্যাবলেট ২ থেকে ৫ শতাংশ। তরুণ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত বাংলাদেশে এই বাজার আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সব স্কুলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও ডিজিটাল লার্নিং নিশ্চিত করার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এজন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য ডিভাইস নিশ্চিত করা জরুরি। এছাড়া কিস্তিতে ডিভাইস বিক্রি, ই-কমার্সে আস্থা ফেরানো এবং ডেলিভারি অথেন্টিকেশন ব্যবস্থার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ সহকারী আরও জানান, সাইবার সিকিউরিটি অধ্যাদেশ, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশ, এআই ও ক্লাউড পলিসিসহ প্রয়োজনীয় ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কাঠামো ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। এখন প্রয়োজন বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো। সরকার–ব্যবসা–একাডেমিয়ার সমন্বয়ে বাংলাদেশ শুধু ডিভাইস আমদানিকারক নয়, ভবিষ্যতে ডিভাইস উৎপাদন ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, এক্সিবিশনের পাশাপাশি সেমিনার, আলোচনা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। সরকার–ইন্ডাস্ট্রি–একাডেমিয়ার সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ট্রান্সফর্মড বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরেক বিশেষ অতিথি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান (এফসিএমএ) দেশীয় দক্ষ এক্সপার্ট ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মানবসম্পদই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি, যা সঠিকভাবে কাজে লাগালে দেশকে প্রযুক্তিনির্ভর ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তর করা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, দীর্ঘদিন পর আইসিটি সেক্টরে এ ধরনের আয়োজন খাতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে এই আয়োজন ঢাকা কেন্দ্রিক না রেখে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার ‘গভরন্যান্স উইদাউট গভর্নমেন্ট’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আইসিটির মাধ্যমে দৃশ্যমান সরকার ছাড়াই কার্যকর সেবা নিশ্চিত করাই হবে ভবিষ্যৎ লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ সাইফুল হাসান এবং আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্ল্যাটিনাম ও গোল্ড স্পন্সরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিটিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসলাম হোসেন, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী, টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আশরাফ হোসেনসহ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রির ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিনিয়োগকারী ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দপ্তর সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এক্সপো ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এক্সপোতে সেরা প্যাভিলিয়নের পুরস্কার জিতেছে শাওমি, লেনোভো এবং টিপি লিংক। সেরা স্টল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ড্রিমটেক, জিনিউ এবং স্কার্টের লি.। এক্সপোতে দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ডিজিটাল ডিভাইস, স্মার্ট সল্যুশন ও উদীয়মান প্রযুক্তির নানা দিক তুলে ধরা হয়, যার মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তি শিল্পের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা দেশবাসীর সামনে উপস্থাপিত হয়েছে।

দেশের মানুষের ডিজিটাল জীবন সহজ ও সাশ্রয়ী করতে বিটিসিএল এমভিএনও সিম এবং ট্রিপল প্লে সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের আলোচিত ‘হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’– এর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে প্রতিষ্ঠানটির সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ৬৪ কর্মী তাদে
১২ দিন আগে
বাংলাদেশে শীতকালীন ফসল চাষে দীর্ঘদিনের চেনা ছবি নালা কেটে জমিতে পানি ঢেলে দেওয়া বা ‘প্লাবন সেচ’। এই পদ্ধতিতে যেমন বিপুল পরিমাণ পানির অপচয় হয়, তেমনি গম, পেঁয়াজ বা আখের মতো সংবেদনশীল ফসলের গোড়ায় পানি জমে মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
১৯ দিন আগে
দেশে উচ্চতর শিক্ষা, গবেষণা ও মেশিন লার্নিংভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটি (বিএইচটিপিএ) একটি নতুন শেয়ারেবল জিপিইউ ক্লাউড ফ্যাসিলিটি উন্মুক্ত করেছে।
১৪ জানুয়ারি ২০২৬