কাজী নিশাত তাবাসসুম

কাজাখস্তানের বিস্তীর্ণ তৃণভূমি। দিগন্তজোড়া খোলা প্রান্তর, গাছপালা কম, কোথাও শুধু ঘাস আর শুকনো মাটি। এই বিশাল ভূখণ্ডের আকাশে প্রায়ই দেখা মেলে শিকারি পাখি ‘স্টেপ ঈগল’। হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করে এই ঈগল।
কাজাখস্তানকে বলা হয় স্টেপ ঈগলের আবাসভূমি। এর প্রধান কারণ দেশটির ভূপ্রকৃতি। কাজাখস্তানের বিশাল অংশজুড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি। এসব তৃণভূমিতেই বাস করে স্টেপ ঈগল। সেই আবাসস্থল এখন পরিণত হয়েছে এক অদৃশ্য মরণ ফাঁদে।
স্টেপ ঈগল বা অ্যাকুইলা নিপ্যালেনসিস মূলত ইউরেশিয়ার বিস্তীর্ণ তৃণভূমি ও আধা-মরুভূমি অঞ্চলে বাস করে। কাজাখস্তান এই প্রজাতির গুরুত্বপূর্ণ প্রজননভূমি। পরিযায়ী এই ঈগল বিভিন্ন দেশ থেকে বছরের একটি সময় কাজাখস্তানে কাটায়। বিশ্বের স্টেপ ঈগলের মোট সংখ্যার আনুমানিক ৬৮ থেকে ৮২ শতাংশ প্রতি বছর মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকায় বাস করলেও বংশবিস্তারের জন্য কাজাখস্তানে আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করে গবেষকেরা এসব ঈগলের চলাচল ও মৃত্যুর কারণও অনুসরণ করছেন।
কাজাখস্তানের বিশাল ভূখণ্ডজুড়ে রয়েছে মরুভূমি,আধা-মরুভূমি, ও তৃণভূমি। ফলে আবহাওয়া শুষ্ক, কম বৃষ্টিপাত ও প্রচন্ড তাপদাহের কারণে তৃণভূমিতে ছোট ছোট ঘাস বা গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ টিকে থাকলেও বড় গাছের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সবসময় পাওয়া যায় না। ফলে গাছপালা কম থাকায় ঈগলরা বিশ্রাম নেওয়া, শিকার খোঁজা কিংবা আশপাশ পর্যবেক্ষণের জন্য বিদ্যুতের খুঁটিতে বসে। সমস্যাটি হয় যখন তারগুলো খুব কাছাকাছি থাকে। বড় ডানার ঈগল একটি তারে পা রেখে অন্য তার বা ধাতব অংশ স্পর্শ করলে শরীর বিদ্যুতের সার্কিটের অংশ হয়ে যায়। মুহূর্তেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪০ থেকে ৫০ বছরে বিশ্বের মোট স্টেপ ঈগলের প্রায় ৫০ শতাংশ হারিয়ে গেছে। একসময় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দেখা যেত এমন বড় আকারের শিকারি পাখিগুলোর একটি ছিল স্টেপ ঈগল। কিন্তু পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছে যে ২০১৫ সাল থেকে পাখিটিকে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

কাজাখস্তানে এই মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটির তৃণভূমিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া শিকারি পাখিদের মধ্যে স্টেপ ঈগলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। রুশ পাখিবিদ ও শিকারি পাখি সংরক্ষণবিষয়ক গবেষক ইগর ভিয়াচেস্লাভোভিচ কারিয়াকিনের (২০০৮) একটি সমীক্ষায় ২৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বিদ্যুৎ লাইনের অংশে ২২৩টি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট শিকারি পাখি পাওয়া যায়। অন্যদিকে রিসার্চ গেটের আরেক গবেষণায় মাত্র ১১ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইনের পাশে এক মাসে ৪৮টি স্টেপ ঈগল মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।
বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক, কারণ এভাবে ঈগলের মতো বড় শিকারি পাখির সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক পূর্ণবয়স্ক পাখি মারা গেলে ঈগলের বংশবিস্তার দ্রুত পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। কাজাখস্তানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার কারণে স্টেপ ঈগলের প্রজননেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
এই সংকট মোকাবিলায় এখন বিদ্যুৎ অবকাঠামোকেই বদলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। খুঁটির যে অংশে, যেখানে ঈগল বসতে পারে এবং একই সঙ্গে বিদ্যুতের তার বা ধাতব অংশ স্পর্শ করার ঝুঁকি থাকে, সেখানে বসানো হচ্ছে বিশেষ ‘বার্ড-প্রটেকশন’ বা পাখি-সুরক্ষা যন্ত্র। এগুলো বিদ্যুতের তার ও খুঁটির বিপজ্জনক অংশ ঢেকে দেয়, পাখিকে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বসতে নিরুৎসাহিত করে, আবার কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটিতে বিশেষ নকশার কাঠামো বসানো হচ্ছে, যাতে পাখিরা বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে না এসে নিরাপদে সেখানে বসতে পারে।
এই প্রযুক্তিটির মূল লক্ষ্য ঈগলকে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়, বরং খুঁটিতে বসা অবস্থাতেও যেন তার শরীর বিদ্যুতের সার্কিট সম্পূর্ণ করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করা। কারণ খোলা তৃণভূমিতে বিদ্যুতের খুঁটি ঈগলের কাছে স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয় উঁচু অবস্থান। তাই শুধু পাখিকে ভয় দেখিয়ে দূরে রাখার চেয়ে বিপজ্জনক বৈদ্যুতিক অংশগুলোকে নিরাপদ করা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোলের নকশা বদলানো, ক্রসআর্ম ও ইনসুলেটর ঢেকে দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশে সুরক্ষা ব্যবস্থা বসালে পাখির মৃত্যুহার কমানো সম্ভব। মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিমধ্যে এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ঈগলের গতিবিধি নজরদারিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। কাজাখস্তানে স্টেপ ঈগলের শরীরে প্রায় ৩০ গ্রাম ওজনের সৌরশক্তিচালিত জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো হচ্ছে।
পিঠে ছোট ব্যাকপ্যাকের মতো বসানো এসব যন্ত্রের মাধ্যমে গবেষকেরা জানতে পারেন ঈগল কোথায় যাচ্ছে, কোন পথে উড়ছে এবং কখন তার সংকেত পাঠানো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সংকেত পাঠানো হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া বা অন্য কোনো বিপদের আশঙ্কা করা যায়।
ঈগল রক্ষার লড়াই এখন শুধু বন বা তৃণভূমি সংরক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার নকশা, জিপিএস প্রযুক্তি এবং পাখিবান্ধব প্রকৌশল সবকিছুকে একসঙ্গে কাজে লাগানো হচ্ছে।
(সিএনএনের ‘অ্যান আইকনিক ইগল ইজ ইলেকট্রোকিউটেড বাই দ্য থাইজেন্ডস এভরি ইয়ার’ অবলস্বনে লেখা)

কাজাখস্তানের বিস্তীর্ণ তৃণভূমি। দিগন্তজোড়া খোলা প্রান্তর, গাছপালা কম, কোথাও শুধু ঘাস আর শুকনো মাটি। এই বিশাল ভূখণ্ডের আকাশে প্রায়ই দেখা মেলে শিকারি পাখি ‘স্টেপ ঈগল’। হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করে এই ঈগল।
কাজাখস্তানকে বলা হয় স্টেপ ঈগলের আবাসভূমি। এর প্রধান কারণ দেশটির ভূপ্রকৃতি। কাজাখস্তানের বিশাল অংশজুড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি। এসব তৃণভূমিতেই বাস করে স্টেপ ঈগল। সেই আবাসস্থল এখন পরিণত হয়েছে এক অদৃশ্য মরণ ফাঁদে।
স্টেপ ঈগল বা অ্যাকুইলা নিপ্যালেনসিস মূলত ইউরেশিয়ার বিস্তীর্ণ তৃণভূমি ও আধা-মরুভূমি অঞ্চলে বাস করে। কাজাখস্তান এই প্রজাতির গুরুত্বপূর্ণ প্রজননভূমি। পরিযায়ী এই ঈগল বিভিন্ন দেশ থেকে বছরের একটি সময় কাজাখস্তানে কাটায়। বিশ্বের স্টেপ ঈগলের মোট সংখ্যার আনুমানিক ৬৮ থেকে ৮২ শতাংশ প্রতি বছর মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকায় বাস করলেও বংশবিস্তারের জন্য কাজাখস্তানে আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করে গবেষকেরা এসব ঈগলের চলাচল ও মৃত্যুর কারণও অনুসরণ করছেন।
কাজাখস্তানের বিশাল ভূখণ্ডজুড়ে রয়েছে মরুভূমি,আধা-মরুভূমি, ও তৃণভূমি। ফলে আবহাওয়া শুষ্ক, কম বৃষ্টিপাত ও প্রচন্ড তাপদাহের কারণে তৃণভূমিতে ছোট ছোট ঘাস বা গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ টিকে থাকলেও বড় গাছের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সবসময় পাওয়া যায় না। ফলে গাছপালা কম থাকায় ঈগলরা বিশ্রাম নেওয়া, শিকার খোঁজা কিংবা আশপাশ পর্যবেক্ষণের জন্য বিদ্যুতের খুঁটিতে বসে। সমস্যাটি হয় যখন তারগুলো খুব কাছাকাছি থাকে। বড় ডানার ঈগল একটি তারে পা রেখে অন্য তার বা ধাতব অংশ স্পর্শ করলে শরীর বিদ্যুতের সার্কিটের অংশ হয়ে যায়। মুহূর্তেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪০ থেকে ৫০ বছরে বিশ্বের মোট স্টেপ ঈগলের প্রায় ৫০ শতাংশ হারিয়ে গেছে। একসময় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দেখা যেত এমন বড় আকারের শিকারি পাখিগুলোর একটি ছিল স্টেপ ঈগল। কিন্তু পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছে যে ২০১৫ সাল থেকে পাখিটিকে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

কাজাখস্তানে এই মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটির তৃণভূমিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া শিকারি পাখিদের মধ্যে স্টেপ ঈগলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। রুশ পাখিবিদ ও শিকারি পাখি সংরক্ষণবিষয়ক গবেষক ইগর ভিয়াচেস্লাভোভিচ কারিয়াকিনের (২০০৮) একটি সমীক্ষায় ২৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বিদ্যুৎ লাইনের অংশে ২২৩টি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট শিকারি পাখি পাওয়া যায়। অন্যদিকে রিসার্চ গেটের আরেক গবেষণায় মাত্র ১১ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইনের পাশে এক মাসে ৪৮টি স্টেপ ঈগল মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।
বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক, কারণ এভাবে ঈগলের মতো বড় শিকারি পাখির সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক পূর্ণবয়স্ক পাখি মারা গেলে ঈগলের বংশবিস্তার দ্রুত পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। কাজাখস্তানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার কারণে স্টেপ ঈগলের প্রজননেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
এই সংকট মোকাবিলায় এখন বিদ্যুৎ অবকাঠামোকেই বদলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। খুঁটির যে অংশে, যেখানে ঈগল বসতে পারে এবং একই সঙ্গে বিদ্যুতের তার বা ধাতব অংশ স্পর্শ করার ঝুঁকি থাকে, সেখানে বসানো হচ্ছে বিশেষ ‘বার্ড-প্রটেকশন’ বা পাখি-সুরক্ষা যন্ত্র। এগুলো বিদ্যুতের তার ও খুঁটির বিপজ্জনক অংশ ঢেকে দেয়, পাখিকে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বসতে নিরুৎসাহিত করে, আবার কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটিতে বিশেষ নকশার কাঠামো বসানো হচ্ছে, যাতে পাখিরা বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে না এসে নিরাপদে সেখানে বসতে পারে।
এই প্রযুক্তিটির মূল লক্ষ্য ঈগলকে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়, বরং খুঁটিতে বসা অবস্থাতেও যেন তার শরীর বিদ্যুতের সার্কিট সম্পূর্ণ করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করা। কারণ খোলা তৃণভূমিতে বিদ্যুতের খুঁটি ঈগলের কাছে স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয় উঁচু অবস্থান। তাই শুধু পাখিকে ভয় দেখিয়ে দূরে রাখার চেয়ে বিপজ্জনক বৈদ্যুতিক অংশগুলোকে নিরাপদ করা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোলের নকশা বদলানো, ক্রসআর্ম ও ইনসুলেটর ঢেকে দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশে সুরক্ষা ব্যবস্থা বসালে পাখির মৃত্যুহার কমানো সম্ভব। মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিমধ্যে এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ঈগলের গতিবিধি নজরদারিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। কাজাখস্তানে স্টেপ ঈগলের শরীরে প্রায় ৩০ গ্রাম ওজনের সৌরশক্তিচালিত জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো হচ্ছে।
পিঠে ছোট ব্যাকপ্যাকের মতো বসানো এসব যন্ত্রের মাধ্যমে গবেষকেরা জানতে পারেন ঈগল কোথায় যাচ্ছে, কোন পথে উড়ছে এবং কখন তার সংকেত পাঠানো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সংকেত পাঠানো হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া বা অন্য কোনো বিপদের আশঙ্কা করা যায়।
ঈগল রক্ষার লড়াই এখন শুধু বন বা তৃণভূমি সংরক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার নকশা, জিপিএস প্রযুক্তি এবং পাখিবান্ধব প্রকৌশল সবকিছুকে একসঙ্গে কাজে লাগানো হচ্ছে।
(সিএনএনের ‘অ্যান আইকনিক ইগল ইজ ইলেকট্রোকিউটেড বাই দ্য থাইজেন্ডস এভরি ইয়ার’ অবলস্বনে লেখা)
.png)

১৯৫০ সালে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে দুপুরের খাবারের সময় সহকর্মী পদার্থবিদদের সঙ্গে ‘ফ্লাইং সসার’ বা উড়ন্ত চাকতি নিয়ে আলোচনা করছিলেন ম্যানহাটন প্রকল্পের অন্যতম স্থপতি এনরিকো ফার্মি। হঠাৎ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘সবাই কোথায়?’ প্রশ্নটি ছিল সরল, কিন্তু এর মধ্যেই লুকিয়ে ছিল মহাবিশ্বের অন্যতম বড় রহস্য—‘
১৭ আগস্ট ২০২৬
মোবাইল ফোন অপারেটর এয়ারটেলের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে সার্কেল। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের পক্ষ থেকে এয়ারটেলের নতুন এই নাম ঘোষণা করা হয়।
১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তৈরি পোশাকের পর দেশের অর্থনীতির জন্য সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্ভাবনাময় পরবর্তী প্রধান এই চালিকাশক্তিকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার তাই সর্বাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
২৫ জুলাই ২০২৬
মহাকাশে গেলে শুধু শরীরই নয়, মানুষের মস্তিষ্কেও পরিবর্তন আসে। বিজ্ঞানীদের মতে, নভোচারীদের মস্তিষ্কে এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে চাঁদের বাইরের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
০৮ জুলাই ২০২৬