স্ট্রিম ডেস্ক

বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ক্যানসারকে ধরা হতো এমন একটা রোগ, যার কোনো প্রতিকার নেই। পরে ধীরে ধীরে চিকিৎসাবিজ্ঞানে আসে কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি ও অস্ত্রোপচারের মতো পদ্ধতি। প্রতিষেধক হিসেবে আবিষ্কার হয় ভ্যাকসিনও। কিন্তু এত কিছুর পরও বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান থামেনি। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ইসরায়েলের একদল বিজ্ঞানী গবেষণা করে এমন একটা প্রতিষেধকের সন্ধান পান, যা মানুষের নিজের শরীরের ভেতরেই লুকিয়ে আছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোগীর শরীরের রোগ-প্রতিরোধী টি-সেলকে জিনগতভাবে বদলে ফেলে তারা একে পরিণত করছেন এক ধরনের ‘জীবন্ত অস্ত্রে’। এই বদলে যাওয়া কোষ শরীরের ভেতরে ঘুরে ঘুরে ক্যানসার কোষ খুঁজে বের করে এবং সেগুলোকে ধ্বংস করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই যুগান্তকারী পদ্ধতির নাম ‘কার টি-সেল থেরাপি’।
এই চিকিৎসার বিশেষত্ব হলো, এটা ওষুধের নির্দিষ্ট মাত্রার ওপর নির্ভর করে না। রোগীর নিজের শরীরের কোষই হয়ে ওঠে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়ার হাতিয়ার। বিজ্ঞানীদের ইচ্ছা শুধু ক্যানসারের একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে এই চিকিৎসা ব্যবহার করা নয়। তারা দেখতে চান, চিকিৎসার একদম শুরুর দিকেই এটা প্রয়োগ করে রোগীকে দীর্ঘ ও কষ্টকর কেমোথেরাপি থেকে বাঁচানো যায় কি না।
শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় এই সম্ভাবনা নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ, অনেক শিশুকে বছরের পর বছর কেমোথেরাপি নিতে হয়। এই থেরাপি যদি ঠিকমতো কাজ করে, তাহলে চিকিৎসার সময় যেমন কমে আসতে পারে, তেমনি কমতে পারে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার কষ্টও।
প্রথমে রোগীর শরীর থেকে টি-সেল সংগ্রহ করা হয়। এরপর ল্যাবে এই কোষগুলোর জিনগত পরিবর্তন করা হয়। কোষের মধ্যে বসিয়ে দেওয়া হয় একটা বিশেষ রিসেপ্টর, যাকে বলে চিমেরিক অ্যান্টিজেন রিসেপ্টর বা সিএআর। এই রিসেপ্টরের কাজ হলো টি-সেলকে নির্দিষ্ট ক্যানসার কোষ চিনতে সাহায্য করা। এভাবে বদলে যাওয়া টি-সেল আবার রোগীর শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেগুলো নিজে থেকেই ক্যানসার কোষ খুঁজে বের করে আক্রমণ করতে শুরু করে।
এই কারণে অনেক সময় একে ‘জীবন্ত ওষুধ’ও বলা হয়। সাধারণ কোনো রাসায়নিক ওষুধ নয় এটা, বরং রোগীর নিজের প্রতিরোধী কোষকেই বদলে ফেলা হয় চিকিৎসার অস্ত্রে।
এই চিকিৎসার সামনে এখনও বড় কিছু বাধা আছে। বিশেষ করে অন্য কারো দেহ থেকে নেওয়া বা ডোনেট করা টি-সেল ব্যবহার করলে সমস্যা দেখা দেয়। রোগীর শরীরের প্রতিরোধী ব্যবস্থা সেই কোষগুলোকে ‘বাইরের কিছু’ হিসেবে চিনে ফেলে এবং আক্রমণ করে ধ্বংস করে দেয়।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিজ্ঞানীরা টি-সেলে আরও জটিল ধরনের জিনগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন। তাদের লক্ষ্য হলো এমন কোষ তৈরি করা, যেগুলো রোগীর শরীরে ঢোকার পরও সহজে ধরা পড়বে না বা ধ্বংস হবে না। এটা সফল হলে ভবিষ্যতে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা করে কোষ সংগ্রহ ও তৈরি করার দরকার কমে যেতে পারে। তখন হয়তো আগে থেকেই তৈরি করা, অর্থাৎ ‘অফ-দ্য-শেল্ফ’ কার টি-সেল থেরাপিও ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
এতদিন কার টি-সেল থেরাপি মূলত তাদের ওপরই প্রয়োগ করা হয়েছে, যাদের ক্ষেত্রে অন্য সব প্রচলিত চিকিৎসা ব্যর্থ হয়ে গেছে। অর্থাৎ, অনেকটা শেষ চেষ্টা হিসেবে এটা ব্যবহার হয়েছে এতদিন। কিন্তু এখন গবেষকরা প্রশ্ন তুলছেন—সব চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়া পর্যন্ত কেন অপেক্ষা করতে হবে? চিকিৎসার শুরুর দিকেই যদি এই থেরাপি প্রয়োগ করা যায়, তাহলে ফলাফল হয়তো আরও ভালো হবে।
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন একাধিক গবেষণা চলছে। ইতিমধ্যে দুটি কার টি-সেল থেরাপির অনুমোদিত ব্যবহারের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। এখন বেশ কিছু ধরনের রক্তের ক্যানসারে প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের সেকেন্ড-লাইন চিকিৎসা হিসেবেও এটা দেওয়া যায়। অর্থাৎ, প্রথম চিকিৎসা কাজ না করলে সরাসরি এই থেরাপির দিকে যাওয়া যায়।
শিশুদের ক্ষেত্রেও একই ধারণা এখন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। একটা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এমন শিশুদের ওপর এই থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে, যাদের হাই-রিস্ক বি-সেল অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া বা বি-সেল অল আছে। এই শিশুরা ছয় মাস ধরে প্রাথমিক কেমোথেরাপি নেওয়ার পরও পুরোপুরি ক্যানসারমুক্ত হয়নি।
এই ধরনের শিশুদের জন্য এই থেরাপি বিশেষভাবে জরুরি হতে পারে। কারণ, সাধারণত এই শিশুদের প্রায় আড়াই বছর পর্যন্ত কেমোথেরাপি নিতে হয়। এত দীর্ঘ সময় ধরে কেমোথেরাপি শুধু ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে না, শরীরের সুস্থ কোষের ওপরও চাপ ফেলে। এতে সংক্রমণ, দুর্বলতা, নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এমনকি দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতার ঝুঁকিও থেকে যায়।
এই গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া চিকিৎসক টেরি ফ্রাইয়ের মতে, কোনো শিশুর ক্ষেত্রে প্রাথমিক কেমোথেরাপি যদি আশানুরূপ কাজ না করে, তাহলে সেই একই চিকিৎসা আরও দুই বছর চালিয়ে যাওয়ার বদলে এই ইমিউন থেরাপি ব্যবহার করা যেতে পারে। শিশুটি যদি এই থেরাপিতে ভালো সাড়া দেয়, তাহলে তাকে বাড়তি দুই বছরের কষ্টকর কেমোথেরাপি থেকে বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।
এটা সত্যি যে, কার টি-সেল থেরাপি এখনও সব ধরনের ক্যানসারের জন্য কার্যকর কোনো জাদুকরি চিকিৎসা হয়ে ওঠেনি। এই চিকিৎসা জটিল, খরচও অনেক বেশি এবং কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। কোন রোগীর ক্ষেত্রে এটা সবচেয়ে ভালো কাজ করবে, কত দ্রুত এটা প্রয়োগ করা উচিত এবং কীভাবে একে আরও নিরাপদ ও সহজলভ্য করা যায়—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গবেষণা এখনও চলছে।
তারপরও ক্যানসার চিকিৎসায় এই থেরাপি একটা বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এক সময় চিকিৎসকরা ক্যানসার ধ্বংস করতে বাইরে থেকে ওষুধ প্রয়োগ করতেন। এখন বিজ্ঞান চেষ্টা করছে রোগীর নিজের প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেই আরও শক্তিশালী করে তুলতে। হয়তো ভবিষ্যতে ক্যানসারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হবে না কোনো ওষুধ—বরং মানুষের নিজের শরীরের কোষই।
তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট

বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ক্যানসারকে ধরা হতো এমন একটা রোগ, যার কোনো প্রতিকার নেই। পরে ধীরে ধীরে চিকিৎসাবিজ্ঞানে আসে কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি ও অস্ত্রোপচারের মতো পদ্ধতি। প্রতিষেধক হিসেবে আবিষ্কার হয় ভ্যাকসিনও। কিন্তু এত কিছুর পরও বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান থামেনি। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ইসরায়েলের একদল বিজ্ঞানী গবেষণা করে এমন একটা প্রতিষেধকের সন্ধান পান, যা মানুষের নিজের শরীরের ভেতরেই লুকিয়ে আছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোগীর শরীরের রোগ-প্রতিরোধী টি-সেলকে জিনগতভাবে বদলে ফেলে তারা একে পরিণত করছেন এক ধরনের ‘জীবন্ত অস্ত্রে’। এই বদলে যাওয়া কোষ শরীরের ভেতরে ঘুরে ঘুরে ক্যানসার কোষ খুঁজে বের করে এবং সেগুলোকে ধ্বংস করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই যুগান্তকারী পদ্ধতির নাম ‘কার টি-সেল থেরাপি’।
এই চিকিৎসার বিশেষত্ব হলো, এটা ওষুধের নির্দিষ্ট মাত্রার ওপর নির্ভর করে না। রোগীর নিজের শরীরের কোষই হয়ে ওঠে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়ার হাতিয়ার। বিজ্ঞানীদের ইচ্ছা শুধু ক্যানসারের একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে এই চিকিৎসা ব্যবহার করা নয়। তারা দেখতে চান, চিকিৎসার একদম শুরুর দিকেই এটা প্রয়োগ করে রোগীকে দীর্ঘ ও কষ্টকর কেমোথেরাপি থেকে বাঁচানো যায় কি না।
শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় এই সম্ভাবনা নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ, অনেক শিশুকে বছরের পর বছর কেমোথেরাপি নিতে হয়। এই থেরাপি যদি ঠিকমতো কাজ করে, তাহলে চিকিৎসার সময় যেমন কমে আসতে পারে, তেমনি কমতে পারে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার কষ্টও।
প্রথমে রোগীর শরীর থেকে টি-সেল সংগ্রহ করা হয়। এরপর ল্যাবে এই কোষগুলোর জিনগত পরিবর্তন করা হয়। কোষের মধ্যে বসিয়ে দেওয়া হয় একটা বিশেষ রিসেপ্টর, যাকে বলে চিমেরিক অ্যান্টিজেন রিসেপ্টর বা সিএআর। এই রিসেপ্টরের কাজ হলো টি-সেলকে নির্দিষ্ট ক্যানসার কোষ চিনতে সাহায্য করা। এভাবে বদলে যাওয়া টি-সেল আবার রোগীর শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেগুলো নিজে থেকেই ক্যানসার কোষ খুঁজে বের করে আক্রমণ করতে শুরু করে।
এই কারণে অনেক সময় একে ‘জীবন্ত ওষুধ’ও বলা হয়। সাধারণ কোনো রাসায়নিক ওষুধ নয় এটা, বরং রোগীর নিজের প্রতিরোধী কোষকেই বদলে ফেলা হয় চিকিৎসার অস্ত্রে।
এই চিকিৎসার সামনে এখনও বড় কিছু বাধা আছে। বিশেষ করে অন্য কারো দেহ থেকে নেওয়া বা ডোনেট করা টি-সেল ব্যবহার করলে সমস্যা দেখা দেয়। রোগীর শরীরের প্রতিরোধী ব্যবস্থা সেই কোষগুলোকে ‘বাইরের কিছু’ হিসেবে চিনে ফেলে এবং আক্রমণ করে ধ্বংস করে দেয়।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিজ্ঞানীরা টি-সেলে আরও জটিল ধরনের জিনগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন। তাদের লক্ষ্য হলো এমন কোষ তৈরি করা, যেগুলো রোগীর শরীরে ঢোকার পরও সহজে ধরা পড়বে না বা ধ্বংস হবে না। এটা সফল হলে ভবিষ্যতে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা করে কোষ সংগ্রহ ও তৈরি করার দরকার কমে যেতে পারে। তখন হয়তো আগে থেকেই তৈরি করা, অর্থাৎ ‘অফ-দ্য-শেল্ফ’ কার টি-সেল থেরাপিও ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
এতদিন কার টি-সেল থেরাপি মূলত তাদের ওপরই প্রয়োগ করা হয়েছে, যাদের ক্ষেত্রে অন্য সব প্রচলিত চিকিৎসা ব্যর্থ হয়ে গেছে। অর্থাৎ, অনেকটা শেষ চেষ্টা হিসেবে এটা ব্যবহার হয়েছে এতদিন। কিন্তু এখন গবেষকরা প্রশ্ন তুলছেন—সব চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়া পর্যন্ত কেন অপেক্ষা করতে হবে? চিকিৎসার শুরুর দিকেই যদি এই থেরাপি প্রয়োগ করা যায়, তাহলে ফলাফল হয়তো আরও ভালো হবে।
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন একাধিক গবেষণা চলছে। ইতিমধ্যে দুটি কার টি-সেল থেরাপির অনুমোদিত ব্যবহারের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। এখন বেশ কিছু ধরনের রক্তের ক্যানসারে প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের সেকেন্ড-লাইন চিকিৎসা হিসেবেও এটা দেওয়া যায়। অর্থাৎ, প্রথম চিকিৎসা কাজ না করলে সরাসরি এই থেরাপির দিকে যাওয়া যায়।
শিশুদের ক্ষেত্রেও একই ধারণা এখন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। একটা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এমন শিশুদের ওপর এই থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে, যাদের হাই-রিস্ক বি-সেল অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া বা বি-সেল অল আছে। এই শিশুরা ছয় মাস ধরে প্রাথমিক কেমোথেরাপি নেওয়ার পরও পুরোপুরি ক্যানসারমুক্ত হয়নি।
এই ধরনের শিশুদের জন্য এই থেরাপি বিশেষভাবে জরুরি হতে পারে। কারণ, সাধারণত এই শিশুদের প্রায় আড়াই বছর পর্যন্ত কেমোথেরাপি নিতে হয়। এত দীর্ঘ সময় ধরে কেমোথেরাপি শুধু ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে না, শরীরের সুস্থ কোষের ওপরও চাপ ফেলে। এতে সংক্রমণ, দুর্বলতা, নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এমনকি দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতার ঝুঁকিও থেকে যায়।
এই গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া চিকিৎসক টেরি ফ্রাইয়ের মতে, কোনো শিশুর ক্ষেত্রে প্রাথমিক কেমোথেরাপি যদি আশানুরূপ কাজ না করে, তাহলে সেই একই চিকিৎসা আরও দুই বছর চালিয়ে যাওয়ার বদলে এই ইমিউন থেরাপি ব্যবহার করা যেতে পারে। শিশুটি যদি এই থেরাপিতে ভালো সাড়া দেয়, তাহলে তাকে বাড়তি দুই বছরের কষ্টকর কেমোথেরাপি থেকে বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।
এটা সত্যি যে, কার টি-সেল থেরাপি এখনও সব ধরনের ক্যানসারের জন্য কার্যকর কোনো জাদুকরি চিকিৎসা হয়ে ওঠেনি। এই চিকিৎসা জটিল, খরচও অনেক বেশি এবং কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। কোন রোগীর ক্ষেত্রে এটা সবচেয়ে ভালো কাজ করবে, কত দ্রুত এটা প্রয়োগ করা উচিত এবং কীভাবে একে আরও নিরাপদ ও সহজলভ্য করা যায়—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গবেষণা এখনও চলছে।
তারপরও ক্যানসার চিকিৎসায় এই থেরাপি একটা বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এক সময় চিকিৎসকরা ক্যানসার ধ্বংস করতে বাইরে থেকে ওষুধ প্রয়োগ করতেন। এখন বিজ্ঞান চেষ্টা করছে রোগীর নিজের প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেই আরও শক্তিশালী করে তুলতে। হয়তো ভবিষ্যতে ক্যানসারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হবে না কোনো ওষুধ—বরং মানুষের নিজের শরীরের কোষই।
তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট
.png)

যুক্তরাজ্যে বিশ্বের প্রথম রোগী হিসেবে লাইভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহায়তায় মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার করিয়েছেন রাইস হিবার্ট। সফলভাবে তাঁর টিউমার অপসারণ করা হয়েছে। বেডফোর্ডশায়ারের দুই সন্তানের বাবা রাইস হিবার্ট অস্ত্রোপচারটি না করালে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারতেন বলে
২৭ আগস্ট ২০২৬
কাজাখস্তানের বিস্তীর্ণ তৃণভূমি। দিগন্তজোড়া খোলা প্রান্তর, গাছপালা কম, কোথাও শুধু ঘাস আর শুকনো মাটি। এই বিশাল ভূখণ্ডের আকাশে প্রায়ই দেখা মেলে শিকারি পাখি ‘স্টেপ ঈগল’। হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করে এই ঈগল। কাজাখস্তানকে বলা হয় স্টেপ ঈগলের আবাসভূমি। এর প্রধান কার
২৩ আগস্ট ২০২৬
১৯৫০ সালে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে দুপুরের খাবারের সময় সহকর্মী পদার্থবিদদের সঙ্গে ‘ফ্লাইং সসার’ বা উড়ন্ত চাকতি নিয়ে আলোচনা করছিলেন ম্যানহাটন প্রকল্পের অন্যতম স্থপতি এনরিকো ফার্মি। হঠাৎ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘সবাই কোথায়?’ প্রশ্নটি ছিল সরল, কিন্তু এর মধ্যেই লুকিয়ে ছিল মহাবিশ্বের অন্যতম বড় রহস্য—‘
১৭ আগস্ট ২০২৬
মোবাইল ফোন অপারেটর এয়ারটেলের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে সার্কেল। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের পক্ষ থেকে এয়ারটেলের নতুন এই নাম ঘোষণা করা হয়।
১৭ আগস্ট ২০২৬