স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে ছিল ফরাসি সমর্থকদের গর্জন। তবে লামিনে ইয়ামালের কণ্ঠে ছিল অন্যরকম এক আত্মবিশ্বাস। ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘এই ফ্রান্সকে থামানোর ক্ষমতা যদি কারও থাকে, সেটা স্পেনেরই আছে’। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে সেই কথাটাই যেন মাঠে লিখে দিলেন লা রোহার ফুটবলাররা।
কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলেদের নিয়ে গড়া তর্কসাপেক্ষে বর্তমান ফুটবল বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগকে পুরো ৯০ মিনিট বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন স্প্যানিশ ফুটবলাররা। ফল মিলেছে হাতেনাতে। আক্রমণভাগ হিমশিম খাওয়ায়, হতাশা জেঁকে বসেছিল ফ্রেঞ্চ রক্ষণেও। সেই সুযোগ পুরোদস্তুর কাজে লাগিয়ে ২-০ গোলে ফ্রান্সকে উড়িয়ে দিয়েছে স্পেন। এই জয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট কাটল টিকিটাকা ফুটবল দর্শনের ধ্বজাধারীরা।
অথচ ম্যাচটা ছিল সমানে সমান। শুরুর বাঁশি বাজার পর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে সেমিফাইনাল। মনে হচ্ছিল ফাইনালের উত্তেজনা যেন আগেভাগেই নেমে এসেছে টেক্সাসের মাটিতে। দশম মিনিটে বায়েইনার ফ্রি-কিক অল্পের জন্য জালে জড়ায়নি, নইলে তখনই এগিয়ে যেতে পারত স্পেন। দারুণ কিছু সুযোগ এসেছিল ফ্রান্সের সামনেও। তবে সেসব কাজে লাগাতে পারেননি বারকোলা-এমবাপ্পেরা। সময় গড়ানোর সঙ্গে বদলাতে থাকে ম্যাচের রং— ক্রমশ প্রাণহীন হয়ে পড়তে থাকা ফরাসি ফুটবলের বিপক্ষে স্প্যানিশদের খেলায় ফুটে ওঠে ফুটবলের সৌন্দর্য।
খেলার ২০তম মিনিটে ডি-বক্সে ইয়ামালকে ফাউল করে বসেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে, রেফারির বাঁশিতে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট-কিক থেকে ভুল করেননি টুর্নামেন্টে স্পেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা মাইকেল ওইয়ারসাবাল। ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক মাইক মাইনিয় ঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন, কিন্তু বল তার নাগালের বাইরে দিয়ে জড়ায় জালে। এই গোলে ব্যক্তিগত এক কীর্তিও গড়েন ওইয়ারসাবাল- ২০০৮-০৯ মৌসুমে দাভিদ ভিয়ার করা ১৩ গোলের রেকর্ড ভেঙে এক মৌসুমে স্পেনের জার্সিতে সর্বোচ্চ ১৪ গোলের মালিক হয়ে যান তিনি। নকআউট পর্বে ফরাসিদের জালে এটাই ছিল স্পেনের প্রথম গোল।
বিপর্যয় যেন একসঙ্গেই আসে ফ্রান্সের শিবিরে। গোল হজমের ঠিক পরপরই চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় রক্ষণভাগ আগলে রাখা উইলিয়াম সালিবাকে। এরপর থেকেই যেন ছন্দ হারিয়ে ফেলে ফরাসিরা, বল পায়ে রাখলেও স্পেনের সংগঠিত পজিশনিং আর নিশ্ছিদ্র ম্যান-মার্কিংয়ের সামনে বারবার পথ হারায় তারা। ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় স্পেন।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর বদলে আরও চাপে পড়ে ফ্রান্স। সালিবার অনুপস্থিতিতে ফাঁকা হয়ে পড়া রক্ষণে ৫৮ মিনিটে আঘাত হানেন পেদ্রো পোরো। ডেনি ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢুকে কয়েক টাচেই মাইনিয়কে পরাস্ত করেন এই ডিফেন্ডার— স্কোরলাইন তখন ২-০। ৬৪ মিনিটে ইয়ামালের একটি গোল অফসাইডে বাতিল না হলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।
এরপর যা হলো, তা প্রায় অসহায় আত্মসমর্পণ। এমবাপ্পে-দেম্বেলে ছটফট করেছেন, কিন্তু স্পেনের রক্ষণ-দেয়ালে ফাটল ধরাতে পারেননি। শেষ বাঁশি বাজতেই ডালাস মেতেছে স্প্যানিশ উদযাপনে। ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটার হাতছোঁয়া দূরত্বে দাঁড়িয়ে স্পেন। এরই সঙ্গে টানা তৃতীয় বড় টুর্নামেন্টে (ইউরো, নেশনস লিগের পর বিশ্বকাপ) মহাদেশীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছিটকে দেওয়ার কীর্তি।
তাইতো শেষ বাঁশির পর ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে শোনা যাচ্ছিল, ‘নিউ ইয়র্কে বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরার সব সম্ভাবনা এই স্পেন দলের রয়েছে।’

ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে ছিল ফরাসি সমর্থকদের গর্জন। তবে লামিনে ইয়ামালের কণ্ঠে ছিল অন্যরকম এক আত্মবিশ্বাস। ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘এই ফ্রান্সকে থামানোর ক্ষমতা যদি কারও থাকে, সেটা স্পেনেরই আছে’। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে সেই কথাটাই যেন মাঠে লিখে দিলেন লা রোহার ফুটবলাররা।
কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলেদের নিয়ে গড়া তর্কসাপেক্ষে বর্তমান ফুটবল বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগকে পুরো ৯০ মিনিট বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন স্প্যানিশ ফুটবলাররা। ফল মিলেছে হাতেনাতে। আক্রমণভাগ হিমশিম খাওয়ায়, হতাশা জেঁকে বসেছিল ফ্রেঞ্চ রক্ষণেও। সেই সুযোগ পুরোদস্তুর কাজে লাগিয়ে ২-০ গোলে ফ্রান্সকে উড়িয়ে দিয়েছে স্পেন। এই জয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট কাটল টিকিটাকা ফুটবল দর্শনের ধ্বজাধারীরা।
অথচ ম্যাচটা ছিল সমানে সমান। শুরুর বাঁশি বাজার পর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে সেমিফাইনাল। মনে হচ্ছিল ফাইনালের উত্তেজনা যেন আগেভাগেই নেমে এসেছে টেক্সাসের মাটিতে। দশম মিনিটে বায়েইনার ফ্রি-কিক অল্পের জন্য জালে জড়ায়নি, নইলে তখনই এগিয়ে যেতে পারত স্পেন। দারুণ কিছু সুযোগ এসেছিল ফ্রান্সের সামনেও। তবে সেসব কাজে লাগাতে পারেননি বারকোলা-এমবাপ্পেরা। সময় গড়ানোর সঙ্গে বদলাতে থাকে ম্যাচের রং— ক্রমশ প্রাণহীন হয়ে পড়তে থাকা ফরাসি ফুটবলের বিপক্ষে স্প্যানিশদের খেলায় ফুটে ওঠে ফুটবলের সৌন্দর্য।
খেলার ২০তম মিনিটে ডি-বক্সে ইয়ামালকে ফাউল করে বসেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে, রেফারির বাঁশিতে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট-কিক থেকে ভুল করেননি টুর্নামেন্টে স্পেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা মাইকেল ওইয়ারসাবাল। ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক মাইক মাইনিয় ঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন, কিন্তু বল তার নাগালের বাইরে দিয়ে জড়ায় জালে। এই গোলে ব্যক্তিগত এক কীর্তিও গড়েন ওইয়ারসাবাল- ২০০৮-০৯ মৌসুমে দাভিদ ভিয়ার করা ১৩ গোলের রেকর্ড ভেঙে এক মৌসুমে স্পেনের জার্সিতে সর্বোচ্চ ১৪ গোলের মালিক হয়ে যান তিনি। নকআউট পর্বে ফরাসিদের জালে এটাই ছিল স্পেনের প্রথম গোল।
বিপর্যয় যেন একসঙ্গেই আসে ফ্রান্সের শিবিরে। গোল হজমের ঠিক পরপরই চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় রক্ষণভাগ আগলে রাখা উইলিয়াম সালিবাকে। এরপর থেকেই যেন ছন্দ হারিয়ে ফেলে ফরাসিরা, বল পায়ে রাখলেও স্পেনের সংগঠিত পজিশনিং আর নিশ্ছিদ্র ম্যান-মার্কিংয়ের সামনে বারবার পথ হারায় তারা। ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় স্পেন।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর বদলে আরও চাপে পড়ে ফ্রান্স। সালিবার অনুপস্থিতিতে ফাঁকা হয়ে পড়া রক্ষণে ৫৮ মিনিটে আঘাত হানেন পেদ্রো পোরো। ডেনি ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢুকে কয়েক টাচেই মাইনিয়কে পরাস্ত করেন এই ডিফেন্ডার— স্কোরলাইন তখন ২-০। ৬৪ মিনিটে ইয়ামালের একটি গোল অফসাইডে বাতিল না হলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।
এরপর যা হলো, তা প্রায় অসহায় আত্মসমর্পণ। এমবাপ্পে-দেম্বেলে ছটফট করেছেন, কিন্তু স্পেনের রক্ষণ-দেয়ালে ফাটল ধরাতে পারেননি। শেষ বাঁশি বাজতেই ডালাস মেতেছে স্প্যানিশ উদযাপনে। ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটার হাতছোঁয়া দূরত্বে দাঁড়িয়ে স্পেন। এরই সঙ্গে টানা তৃতীয় বড় টুর্নামেন্টে (ইউরো, নেশনস লিগের পর বিশ্বকাপ) মহাদেশীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছিটকে দেওয়ার কীর্তি।
তাইতো শেষ বাঁশির পর ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে শোনা যাচ্ছিল, ‘নিউ ইয়র্কে বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরার সব সম্ভাবনা এই স্পেন দলের রয়েছে।’

বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি, দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের লড়াই। একদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলের গতিময় ফ্রান্স, অন্যদিকে লামিন ইয়ামাল-রদ্রির ছন্দময় স্পেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের এই দুই জায়ান্ট।
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের ফুটবল ভক্তরা যখন ৪৮ দলের বিশ্বকাপেই মানিয়ে নিচ্ছে, তখন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ভাবছেন আরও বড় কিছু। পুরুষদের বিশ্বকাপ ৪৮ থেকে ৬৪ দলে উন্নীত করার প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
১৩ জুলাই ২০২৬
কয়েক বছর আগেও হারের বৃত্ত আর শূন্য গ্যালারি ছিল বাংলাদেশ ফুটবল দলের বাস্তবতা। তবে গত দেড়-দুই বছরে এই দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ে উঠলেও শিকড়ের টানে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়াতে বাংলাদেশে আসছেন প্রবাসী ফুটবলাররা। হামজা চৌধুরী ও জামাল ভূঁইয়াদের মতো তারকাদের হাত ধরে নতুন পথ দেখছে
১২ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের ১০০ লড়াই শেষে এখন বাকি শেষ চার ম্যাচ। ৪৮ দলের এই মহাযজ্ঞে টিকে রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা চার পরাশক্তি—ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ড।
১২ জুলাই ২০২৬