স্ট্রিম প্রতিবেদক

এ বছর জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের এক জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত কিট ও স্যালাইন মজুদসহ সরকারের নানা প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। যদি ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সে জন্য সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকেরও কম। ২০২৫ সালে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১৫ হাজার ২১০ জন এবং ওই সময়ে মারা গিয়েছিলেন ৫৮ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৯৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। তবে মানুষ এখনও আক্রান্ত হচ্ছেন, তাই এ নিয়ে নিজেদের কোনো বাহবা দিতে চাই না।’
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘গত দুই মাস ধরে সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সিভিল সার্জন, বিভাগীয় পরিচালক, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে। ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে, দেশের সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় পূর্ণবয়স্ক মশা নিধনে স্প্রে এবং লার্ভা ধ্বংসে বিশেষ ট্যাবলেট ব্যবহার করা হচ্ছে।’
জনসচেতনতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সবাইকে মশারি টানিয়ে ঘুমানো, ফুলহাতা পোশাক পরা এবং শরীর ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এনএস১ পরীক্ষার কিট পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে, মাঠপর্যায়ে সরবরাহও করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গুদামেও পর্যাপ্ত কিট সংরক্ষিত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর এনএস১ পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষার ফি ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব সরকারি হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে মোবাইল হাসপাতাল চালু করা হবে। চিকিৎসক, নার্স, আইসিইউ সুবিধা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে।

এ বছর জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের এক জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত কিট ও স্যালাইন মজুদসহ সরকারের নানা প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। যদি ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সে জন্য সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকেরও কম। ২০২৫ সালে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১৫ হাজার ২১০ জন এবং ওই সময়ে মারা গিয়েছিলেন ৫৮ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৯৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। তবে মানুষ এখনও আক্রান্ত হচ্ছেন, তাই এ নিয়ে নিজেদের কোনো বাহবা দিতে চাই না।’
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘গত দুই মাস ধরে সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সিভিল সার্জন, বিভাগীয় পরিচালক, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে। ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে, দেশের সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় পূর্ণবয়স্ক মশা নিধনে স্প্রে এবং লার্ভা ধ্বংসে বিশেষ ট্যাবলেট ব্যবহার করা হচ্ছে।’
জনসচেতনতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সবাইকে মশারি টানিয়ে ঘুমানো, ফুলহাতা পোশাক পরা এবং শরীর ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এনএস১ পরীক্ষার কিট পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে, মাঠপর্যায়ে সরবরাহও করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গুদামেও পর্যাপ্ত কিট সংরক্ষিত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর এনএস১ পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষার ফি ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব সরকারি হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে মোবাইল হাসপাতাল চালু করা হবে। চিকিৎসক, নার্স, আইসিইউ সুবিধা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে।
.png)

চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে চট্টগ্রাম জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা আগস্টের ২৮ দিনেই ছাড়িয়ে গেছে। জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে মোট শনাক্ত হয়েছিলেন ৮৩৪, সেখানে আগস্টের ২৮ দিনেই আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৫।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে চিনি, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের বাজার এখনো চড়া। ফলে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে খুব একটা স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯৬ জন। শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
৪ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে শনিবার সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৮৮৬ শিশুর শরীরে রোগটির উপসর্গ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৮৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে