বিশ্বকাপের নক্ষত্র-২২
স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল মাঠে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় গোলের হিসেবে। আর বিশ্ব ফুটবলে গোলের সমার্থক শব্দ হিসেবে দুই দশক ধরে রাজত্ব করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাঁর পায়ে বল মানেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক। অদম্য জেদ আর কঠোর পরিশ্রমে নিজেকে সর্বকালের সেরাদের কাতারে নিয়ে গেছেন। ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রায় সব শিরোপাই রয়েছে রোনালদোর শোকেসে।
পাঁচবার ব্যালন ডি’অর, একবার ইউরো এবং দুইবার নেশনস লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন, কেবল একটি আক্ষেপ ছাড়া—বিশ্বকাপ ট্রফি। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে শেষ বিশ্বকাপে কি তিনি পারবেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির মতো পরম আরাধ্য সোনালি ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরতে?
চেনা ৭ নম্বর জার্সি, চোখে একরোখা জেদ এবং জেতার তীব্র নেশার সঙ্গে গতি এবং শূন্যে লাফিয়ে উঠে হেডের টাইমিং। গোল করে কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে বাতাসে ভেসে তাঁর ‘সিউউউ’ উদযাপনে ৪১ বছর বয়সে মাতাচ্ছেন সারা বিশ্ব।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলেন লেফট উইঙ্গার এবং ফরোয়ার্ড পজিশনে। বর্তমানে খেলছেন সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-নাসরের হয়ে।
রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ জিনেদিন জিদান বলেছিলেন, ক্রিস্টিয়ানো অন্য গ্রহের খেলোয়াড়। মাঠে থাকলে দল এমনিতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে।

লিওনেল মেসি বলেছিলেন, রোনালদো বহু গুণের অধিকারী। সারা বিশ্ব জানে তিনি কেন সেরা।
ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৫ উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের রেকর্ড আছে রোনালদোর ঝুলিতে। পর্তুগালের জার্সিতে জিতেছেন ২০১৬ সালে উয়েফা ইউরো। এ ছাড়া দুইবার উয়েফা নেশনস লিগ শিরোপাও ঘরে তুলেছেন।
ব্যক্তিগত অর্জনে আছে ৫ ব্যালন ডি’অর ও ৪ ইউরোপীয় গোল্ডেন শু। চারবার উয়েফার বর্ষসেরা এবং তিনবার ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য সম্মাননা।
১২ বার বিভিন্ন ক্লাবের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। ২২ বার বিভিন্ন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থান পেয়েছেন। স্প্যানিশ লা লিগা, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, ইতালিয়ান সিরি আ এবং সৌদি প্রো লিগের শিরোপাও জিতেছেন।
সব মিলিয়ে রোনালদোর গোলসংখ্যা ৯৬৭ এবং ক্লাব ফুটবলে করেছেন ২৬২ অ্যাসিস্ট। আন্তর্জাতিক ফুটবলে পর্তুগালের হয়ে করেছেন ১৪৩ গোল।
রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা গোলদাতাও তিনি। রিয়ালের সাদা জার্সিতে ৪৩৮ ম্যাচে করেছেন ৪৫০ গোল এবং ১৩১ অ্যাসিস্ট।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে আছে ১৪৫ গোল ও ৭৩ অ্যাসিস্ট। ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাসের হয়ে করেছেন ১০১ গোল এবং অ্যাসিস্ট ২৮।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে তরুণ প্রতিভারূপে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অভিষেক ঘটেছিল। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ সালের আসরে গোল করে টানা পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডও আছে তাঁর।
২০২৬ বিশ্বকাপ রোনালদোর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এবং নিশ্চিতভাবেই শেষ বিশ্বকাপ। ফুটবল ক্যারিয়ারের সব ট্রফি জেতা হলেও ফিফা বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি ছোঁয়া হয়নি। এবারের আসরে তরুণদের নিয়ে সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ করতে মরিয়া এই তারকা।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের (১৪০) রেকর্ড রয়েছে রোনালদোর। এ ছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগের একক আসরে সর্বোচ্চ ১৭ গোল করার রেকর্ড তাঁরই দখলে।

ফুটবল মাঠে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় গোলের হিসেবে। আর বিশ্ব ফুটবলে গোলের সমার্থক শব্দ হিসেবে দুই দশক ধরে রাজত্ব করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাঁর পায়ে বল মানেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক। অদম্য জেদ আর কঠোর পরিশ্রমে নিজেকে সর্বকালের সেরাদের কাতারে নিয়ে গেছেন। ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রায় সব শিরোপাই রয়েছে রোনালদোর শোকেসে।
পাঁচবার ব্যালন ডি’অর, একবার ইউরো এবং দুইবার নেশনস লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন, কেবল একটি আক্ষেপ ছাড়া—বিশ্বকাপ ট্রফি। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে শেষ বিশ্বকাপে কি তিনি পারবেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির মতো পরম আরাধ্য সোনালি ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরতে?
চেনা ৭ নম্বর জার্সি, চোখে একরোখা জেদ এবং জেতার তীব্র নেশার সঙ্গে গতি এবং শূন্যে লাফিয়ে উঠে হেডের টাইমিং। গোল করে কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে বাতাসে ভেসে তাঁর ‘সিউউউ’ উদযাপনে ৪১ বছর বয়সে মাতাচ্ছেন সারা বিশ্ব।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলেন লেফট উইঙ্গার এবং ফরোয়ার্ড পজিশনে। বর্তমানে খেলছেন সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-নাসরের হয়ে।
রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ জিনেদিন জিদান বলেছিলেন, ক্রিস্টিয়ানো অন্য গ্রহের খেলোয়াড়। মাঠে থাকলে দল এমনিতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে।

লিওনেল মেসি বলেছিলেন, রোনালদো বহু গুণের অধিকারী। সারা বিশ্ব জানে তিনি কেন সেরা।
ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৫ উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের রেকর্ড আছে রোনালদোর ঝুলিতে। পর্তুগালের জার্সিতে জিতেছেন ২০১৬ সালে উয়েফা ইউরো। এ ছাড়া দুইবার উয়েফা নেশনস লিগ শিরোপাও ঘরে তুলেছেন।
ব্যক্তিগত অর্জনে আছে ৫ ব্যালন ডি’অর ও ৪ ইউরোপীয় গোল্ডেন শু। চারবার উয়েফার বর্ষসেরা এবং তিনবার ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য সম্মাননা।
১২ বার বিভিন্ন ক্লাবের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। ২২ বার বিভিন্ন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থান পেয়েছেন। স্প্যানিশ লা লিগা, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, ইতালিয়ান সিরি আ এবং সৌদি প্রো লিগের শিরোপাও জিতেছেন।
সব মিলিয়ে রোনালদোর গোলসংখ্যা ৯৬৭ এবং ক্লাব ফুটবলে করেছেন ২৬২ অ্যাসিস্ট। আন্তর্জাতিক ফুটবলে পর্তুগালের হয়ে করেছেন ১৪৩ গোল।
রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা গোলদাতাও তিনি। রিয়ালের সাদা জার্সিতে ৪৩৮ ম্যাচে করেছেন ৪৫০ গোল এবং ১৩১ অ্যাসিস্ট।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে আছে ১৪৫ গোল ও ৭৩ অ্যাসিস্ট। ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাসের হয়ে করেছেন ১০১ গোল এবং অ্যাসিস্ট ২৮।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে তরুণ প্রতিভারূপে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অভিষেক ঘটেছিল। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ সালের আসরে গোল করে টানা পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডও আছে তাঁর।
২০২৬ বিশ্বকাপ রোনালদোর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এবং নিশ্চিতভাবেই শেষ বিশ্বকাপ। ফুটবল ক্যারিয়ারের সব ট্রফি জেতা হলেও ফিফা বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি ছোঁয়া হয়নি। এবারের আসরে তরুণদের নিয়ে সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ করতে মরিয়া এই তারকা।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের (১৪০) রেকর্ড রয়েছে রোনালদোর। এ ছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগের একক আসরে সর্বোচ্চ ১৭ গোল করার রেকর্ড তাঁরই দখলে।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফুটবল মাঠে পর্তুগালের ভরসার নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি বিশ্বকাপ। উয়েফার লিগের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ার।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে একটি প্রশ্ন জেগেছিল, তবে কি মহাকাব্যের শেষ পাতাটি পড়া হয়ে গেল? স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়ভাঙা হারের পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলেন, নীল-সাদা জার্সিতে বোধহয় শেষবারের মতো লিওনেল মেসি মাঠে নেমেছেন, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর পেলেন তাঁর ভক্তরা।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনায় বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক থামছে না। এ ঘটনায় ফুটবলের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
২৩ জুলাই ২০২৬