স্ট্রিম ডেস্ক

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও ফ্রান্স। এতে শেষ হাসি হেসেছে ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের গিলেটি স্টেডিয়ামে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়েছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
কার্লোস আনচেলত্তির ব্রাজিলকে প্রথমার্ধে পিছিয়ে দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৩২ মিনিটে কাউন্টার আক্রমণে ডেম্বেলের পাস থেকে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। এরপর প্রথমার্ধে ব্রাজিল সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টো ৩৮ মিনিটে হলুদ কার্ড খেয়ে বসেন ক্যাসিমেরো।
খেলার প্রথম ধাপে পাসিংয়েও স্পষ্ট এগিয়ে ছিল ফ্রান্স। তবে দ্বিতীয় ধাপের শুরুতেই ছন্দে ফেরে ব্রাজিল। চাপে পড়ে ভুল করে বসে ফ্রান্স। ৫৫ মিনিটে বাজে ট্যাকল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দায়ত উপামিকানো। তবে ১০ জনের দল হয়েও হাল ছাড়েনি ফরাসিরা। ফলে ৬৫ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন হুগো একিনজো। কাউন্টার আক্রমণ থেকে মিশেল ওলিসের বাড়ানো বল ডিবক্সের বাইরে পেয়ে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়ান তিনি।
এরপর দুদলই আক্রমণ সানাতে থাকে। ৭৬ মিনিটে বাজে ট্যাকল করে গেলেসন ব্রেমার হলুদ কার্ড পান। তবে দুই মিনিট পরেই লুইস হেনরিকের বাড়ানো বলে ব্যবধান কমান ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড। বাকি সময়ে চেষ্টা করেও গোল পায়নি কোনো দল। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্রান্স।
এর আগে ব্রাজিল ও ফ্রান্স ১৫ বারের মুখোমুখিতে ছয়টি করে জয়-পরাজয়ে সমান ছিল। তিন ম্যাচ ড্র হয়েছিল। এদিন ফ্রান্স জয়ে হেক্সাদের পেছনে ফেলল। যদিও এই দেখাদেখির আগে সর্বশেষ দুই ম্যাচ জেতে ব্রাজিল।
তবে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের দুঃখ ফ্রান্স। ১৯৯৮ সালের ফাইনালে দুর্দান্ত ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ জিতে ফ্রান্স। এরপর ২০০৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সে আবার ধরাশায়ী হয় ব্রাজিল।

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও ফ্রান্স। এতে শেষ হাসি হেসেছে ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের গিলেটি স্টেডিয়ামে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়েছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
কার্লোস আনচেলত্তির ব্রাজিলকে প্রথমার্ধে পিছিয়ে দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৩২ মিনিটে কাউন্টার আক্রমণে ডেম্বেলের পাস থেকে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। এরপর প্রথমার্ধে ব্রাজিল সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টো ৩৮ মিনিটে হলুদ কার্ড খেয়ে বসেন ক্যাসিমেরো।
খেলার প্রথম ধাপে পাসিংয়েও স্পষ্ট এগিয়ে ছিল ফ্রান্স। তবে দ্বিতীয় ধাপের শুরুতেই ছন্দে ফেরে ব্রাজিল। চাপে পড়ে ভুল করে বসে ফ্রান্স। ৫৫ মিনিটে বাজে ট্যাকল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দায়ত উপামিকানো। তবে ১০ জনের দল হয়েও হাল ছাড়েনি ফরাসিরা। ফলে ৬৫ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন হুগো একিনজো। কাউন্টার আক্রমণ থেকে মিশেল ওলিসের বাড়ানো বল ডিবক্সের বাইরে পেয়ে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়ান তিনি।
এরপর দুদলই আক্রমণ সানাতে থাকে। ৭৬ মিনিটে বাজে ট্যাকল করে গেলেসন ব্রেমার হলুদ কার্ড পান। তবে দুই মিনিট পরেই লুইস হেনরিকের বাড়ানো বলে ব্যবধান কমান ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড। বাকি সময়ে চেষ্টা করেও গোল পায়নি কোনো দল। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্রান্স।
এর আগে ব্রাজিল ও ফ্রান্স ১৫ বারের মুখোমুখিতে ছয়টি করে জয়-পরাজয়ে সমান ছিল। তিন ম্যাচ ড্র হয়েছিল। এদিন ফ্রান্স জয়ে হেক্সাদের পেছনে ফেলল। যদিও এই দেখাদেখির আগে সর্বশেষ দুই ম্যাচ জেতে ব্রাজিল।
তবে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের দুঃখ ফ্রান্স। ১৯৯৮ সালের ফাইনালে দুর্দান্ত ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ জিতে ফ্রান্স। এরপর ২০০৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সে আবার ধরাশায়ী হয় ব্রাজিল।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৬ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৮ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ ঘণ্টা আগে