স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার মধ্যেই আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়তে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। সংস্থাটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তি এবং আর্থিক লেনদেনের অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এবং মার্কিন ফেডারেল প্রসিকিউটররা।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম লা দেরেচা দিয়ারিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এএফএর বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ কোটি ডলার বা ৩০০ মিলিয়ন ডলারের একটি সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। আর তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটরেরা।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক ও কোম্পানি ব্যবহার করে এএফএ কোনো ধরনের অর্থ পাচার করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখাই এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র ম্যাচে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে ছিলেন এএফএ সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়া। ঠিক সেই সময়েই মায়ামি শহরে এই আন্তর্জাতিক তদন্তের চাকা সচল হয়েছে।
তদন্তের অংশ হিসেবে সম্প্রতি এফবিআই এজেন্ট ও মার্কিন বিচার বিভাগের প্রসিকিউটররা ‘ট্যুরপ্রোডএন্টার এলএলসি’ কোম্পানির মালিক গুইলারমো তোফোনিকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তোফোনি এএফএর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত আর্থিক কাঠামোর বিররণ মার্কিন কর্মকর্তাদের হাতে তুলে ধরেন বলে লা দেরেচা দিয়ারিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এই তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন বিচার বিভাগের আর্থিক অপরাধ দমন শাখার প্রসিকিউটর প্যাট্রিক গুশু, ক্রিস্টোফার টিং এবং মাইকেল বার্জার। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় এখন পর্যন্ত এএফএ বা এর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হয়নি।
অন্যদিকে এএফএ সভাপতি তাপিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর নিজ দেশ আর্জেন্টিনায় প্রায় ১৯ বিলিয়ন পেসো কর ফাঁকি ও পেনশন তহবিল ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগে মামলা চলছে। ওই মামলার কারণে তাঁর দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, বিশেষ বিচারিক অনুমতি পেয়ে তিনি জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন।
উত্তর আমেরিকায় এএফএর দূত টমাস এন রেগালাডো বলেন, ‘তদন্ত শুরু হলেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন এমন নয়।’
অন্যদিকে তাপিয়ার আইনজীবী মারিয়ানো লিজার্দো বলেন, ‘আর্জেন্টিনায় যেটি প্রমাণ করতে পারেনি, তা মায়ামি শহরে টেনে আনা হচ্ছে।’

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার মধ্যেই আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়তে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। সংস্থাটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তি এবং আর্থিক লেনদেনের অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এবং মার্কিন ফেডারেল প্রসিকিউটররা।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম লা দেরেচা দিয়ারিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এএফএর বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ কোটি ডলার বা ৩০০ মিলিয়ন ডলারের একটি সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। আর তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটরেরা।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক ও কোম্পানি ব্যবহার করে এএফএ কোনো ধরনের অর্থ পাচার করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখাই এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র ম্যাচে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে ছিলেন এএফএ সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়া। ঠিক সেই সময়েই মায়ামি শহরে এই আন্তর্জাতিক তদন্তের চাকা সচল হয়েছে।
তদন্তের অংশ হিসেবে সম্প্রতি এফবিআই এজেন্ট ও মার্কিন বিচার বিভাগের প্রসিকিউটররা ‘ট্যুরপ্রোডএন্টার এলএলসি’ কোম্পানির মালিক গুইলারমো তোফোনিকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তোফোনি এএফএর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত আর্থিক কাঠামোর বিররণ মার্কিন কর্মকর্তাদের হাতে তুলে ধরেন বলে লা দেরেচা দিয়ারিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এই তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন বিচার বিভাগের আর্থিক অপরাধ দমন শাখার প্রসিকিউটর প্যাট্রিক গুশু, ক্রিস্টোফার টিং এবং মাইকেল বার্জার। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় এখন পর্যন্ত এএফএ বা এর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হয়নি।
অন্যদিকে এএফএ সভাপতি তাপিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর নিজ দেশ আর্জেন্টিনায় প্রায় ১৯ বিলিয়ন পেসো কর ফাঁকি ও পেনশন তহবিল ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগে মামলা চলছে। ওই মামলার কারণে তাঁর দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, বিশেষ বিচারিক অনুমতি পেয়ে তিনি জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন।
উত্তর আমেরিকায় এএফএর দূত টমাস এন রেগালাডো বলেন, ‘তদন্ত শুরু হলেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন এমন নয়।’
অন্যদিকে তাপিয়ার আইনজীবী মারিয়ানো লিজার্দো বলেন, ‘আর্জেন্টিনায় যেটি প্রমাণ করতে পারেনি, তা মায়ামি শহরে টেনে আনা হচ্ছে।’

কানাডার ভ্যানকুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ১২০ মিনিট ধরে গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় গোলশূন্য ছিল কলম্বিয়া-সুইজারল্যান্ডের লড়াই। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানে কলম্বিয়াকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড।
১১ ঘণ্টা আগে
দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও মাত্র ১৩ মিনিটের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ঘটনাবহুল এই ম্যাচে পেনাল্টি মিসে করেছেন মেসি। পাশাপাশি, বাজে রেফারিংয়ের অভিযোগ এনেছে মিসর। শেষ আটে আগামী ১২ জুলাই আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।
১২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর ম্যাচে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ১৪ মিনিটে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় মিসর। এরপর ২১ মিনিটে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি পেনাল্টি মিস করে সমতায় ফেরার সুযোগ হারান।
০৭ জুলাই ২০২৬
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে শেষ ষোলোতে মিসরের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত দশটায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া এই লড়াই হতে পারে লিওনেল মেসি কিংবা মোহাম্মদ সালাহর বিশ্বমঞ্চের শেষ ম্যাচ।
০৭ জুলাই ২০২৬