স্পোর্টস ডেস্ক

পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,
প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়,
হয় নাকি?
জীবনানন্দের এই কয়েক লাইনের যেন বাস্তব প্রতিচ্ছবি হয়ে রইলেন লিওনেল মেসি। তার ক্যারিয়ারের শেষ দৃশ্যপট লেখা হয়ে গিয়েছিল বিশ্বকাপের ফাইনালে। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে আর্জেন্টিনা যখন শিরোপা হারাল, মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ পাতাটায়ও সেসময়েই যতিচিহ্ন বসে গিয়েছিল। শুধু বাকি ছিল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
এক মাস পেরোনোর কয়েকদিন পর সেটিও দিয়ে দিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর দেখা যাবে না ফুটবলের এই মহাতারকাকে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। দীর্ঘ সময় ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
মেসি লিখেছেন, ‘এটা আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, এটাই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়।’
বিদায়বার্তায় আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর দুই দশকের পথচলার কথাও উঠে এসেছে। জাতীয় দলের জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার কথা জানিয়ে মেসি বলেন, শুধু সাফল্যের সময় নয়, কঠিন সময়েও তিনি এই জার্সির জন্য লড়েছেন। তাঁর কাছে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা ছিল ভালোবাসা ও দায়িত্বের বিষয়।
‘আমি আমার সবটুকু দিয়ে দিয়েছি। এখন আর দেওয়ার মতো কিছু আমার হাতে নেই। সামনে দারুণ কিছু তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যারা জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য’—লিখেছেন মেসি।
এ যেন শুধু একজন ফুটবলারের অবসর ঘোষণা নয়, একটি সোনালি যুগের সমাপ্তিও।
২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেকের পর মেসি খেলেছেন ২০৭ ম্যাচ, করেছেন ১২৫ গোল। জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ ও সবচেয়ে বেশি গোল—দুই রেকর্ডই এখন তাঁর দখলে।
এই দীর্ঘ পথচলায় আর্জেন্টিনার হয়ে জিতেছেন বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপেও ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা, তবে জার্মানির কাছে হেরে সেবার শিরোপা ছোঁয়া হয়নি মেসির।
২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন মেসি। তবে এবার শেষ হাসি হাসতে পারেনি তাঁর দল। ১৯ জুলাই নিউ জার্সির ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। আর সেই ম্যাচই হয়ে রইলো জাতীয় দলের হয়ে মেসির শেষবার মাঠে নামা।
ফাইনালের পরই আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। পরে বাবার মৃত্যু তাঁর এ সিদ্ধান্তকে আরও পোক্ত করে। অবশেষে ৩১ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিলেন, আর্জেন্টিনার হয়ে আর মাঠে নামবেন না তিনি।
বিদায়বার্তায় গত দুই দশকে সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসার কথাও স্মরণ করেছেন মেসি। মাঠে সমর্থকদের কণ্ঠ আর শুনতে পারবেন না—এটা তিনি খুব মিস করবেন বলেও জানিয়েছেন।
তবে জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ালেও আর্জেন্টিনার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হচ্ছে না। মেসি লিখেছেন, ‘এখন থেকে আমি আপনাদেরই একজন হয়ে দলের বাইরে থেকে জাতীয় দলকে সমর্থন করব। ভালো সময়ে যেমন পাশে থাকব, খারাপ সময়ে আরও বেশি করে পাশে থাকব।’
একসময় আর্জেন্টিনার হয়ে কিছুই জিততে না পারার জন্য যে মেসিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠত, সেই মেসিই শেষ পর্যন্ত দেশের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক হয়ে বিদায় নিলেন।
আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সির সঙ্গে মেসির নাম যেন অবিচ্ছেদ্য। এখন সেই জার্সিতে অন্য কাউকে মাঠে দেখলে ফুটবলপ্রেমীদের মনে পড়বে—এই নম্বরেই একসময় ফুটবলের জাদুকর খেলতেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চে মেসির শেষ অধ্যায় লেখা হয়ে গেল। বাকি রইল শুধু তাঁর রেখে যাওয়া অসংখ্য স্মৃতি, জাদুকরি সব গোল।

পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,
প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়,
হয় নাকি?
জীবনানন্দের এই কয়েক লাইনের যেন বাস্তব প্রতিচ্ছবি হয়ে রইলেন লিওনেল মেসি। তার ক্যারিয়ারের শেষ দৃশ্যপট লেখা হয়ে গিয়েছিল বিশ্বকাপের ফাইনালে। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে আর্জেন্টিনা যখন শিরোপা হারাল, মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ পাতাটায়ও সেসময়েই যতিচিহ্ন বসে গিয়েছিল। শুধু বাকি ছিল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
এক মাস পেরোনোর কয়েকদিন পর সেটিও দিয়ে দিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর দেখা যাবে না ফুটবলের এই মহাতারকাকে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। দীর্ঘ সময় ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
মেসি লিখেছেন, ‘এটা আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, এটাই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়।’
বিদায়বার্তায় আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর দুই দশকের পথচলার কথাও উঠে এসেছে। জাতীয় দলের জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার কথা জানিয়ে মেসি বলেন, শুধু সাফল্যের সময় নয়, কঠিন সময়েও তিনি এই জার্সির জন্য লড়েছেন। তাঁর কাছে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা ছিল ভালোবাসা ও দায়িত্বের বিষয়।
‘আমি আমার সবটুকু দিয়ে দিয়েছি। এখন আর দেওয়ার মতো কিছু আমার হাতে নেই। সামনে দারুণ কিছু তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যারা জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য’—লিখেছেন মেসি।
এ যেন শুধু একজন ফুটবলারের অবসর ঘোষণা নয়, একটি সোনালি যুগের সমাপ্তিও।
২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেকের পর মেসি খেলেছেন ২০৭ ম্যাচ, করেছেন ১২৫ গোল। জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ ও সবচেয়ে বেশি গোল—দুই রেকর্ডই এখন তাঁর দখলে।
এই দীর্ঘ পথচলায় আর্জেন্টিনার হয়ে জিতেছেন বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপেও ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা, তবে জার্মানির কাছে হেরে সেবার শিরোপা ছোঁয়া হয়নি মেসির।
২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন মেসি। তবে এবার শেষ হাসি হাসতে পারেনি তাঁর দল। ১৯ জুলাই নিউ জার্সির ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। আর সেই ম্যাচই হয়ে রইলো জাতীয় দলের হয়ে মেসির শেষবার মাঠে নামা।
ফাইনালের পরই আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। পরে বাবার মৃত্যু তাঁর এ সিদ্ধান্তকে আরও পোক্ত করে। অবশেষে ৩১ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিলেন, আর্জেন্টিনার হয়ে আর মাঠে নামবেন না তিনি।
বিদায়বার্তায় গত দুই দশকে সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসার কথাও স্মরণ করেছেন মেসি। মাঠে সমর্থকদের কণ্ঠ আর শুনতে পারবেন না—এটা তিনি খুব মিস করবেন বলেও জানিয়েছেন।
তবে জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ালেও আর্জেন্টিনার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হচ্ছে না। মেসি লিখেছেন, ‘এখন থেকে আমি আপনাদেরই একজন হয়ে দলের বাইরে থেকে জাতীয় দলকে সমর্থন করব। ভালো সময়ে যেমন পাশে থাকব, খারাপ সময়ে আরও বেশি করে পাশে থাকব।’
একসময় আর্জেন্টিনার হয়ে কিছুই জিততে না পারার জন্য যে মেসিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠত, সেই মেসিই শেষ পর্যন্ত দেশের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক হয়ে বিদায় নিলেন।
আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সির সঙ্গে মেসির নাম যেন অবিচ্ছেদ্য। এখন সেই জার্সিতে অন্য কাউকে মাঠে দেখলে ফুটবলপ্রেমীদের মনে পড়বে—এই নম্বরেই একসময় ফুটবলের জাদুকর খেলতেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চে মেসির শেষ অধ্যায় লেখা হয়ে গেল। বাকি রইল শুধু তাঁর রেখে যাওয়া অসংখ্য স্মৃতি, জাদুকরি সব গোল।
.png)

ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডেই আর্জেন্টিনার মারিয়ানো নাভোনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী সার্বিয়ান তারকা নোভাক জোকোভিচ। সোমবার (৩১ আগস্ট) আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে ২-১ সেটে এগিয়ে থাকার পরও চার ঘণ্টার ম্যারাথন লড়াই শেষে হার মানেন তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
লর্ডস টেস্টে পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন টেস্টের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর ঘরের মাঠে এটিই ইংলিশদের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
পিছিয়ে পড়েও অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজের হ্যাটট্রিকে ইপসউইচ টাউনকে ৫–২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোববার (৩১ আগস্ট) ওল্ড ট্রাফোর্ডে এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগের এবারের মৌসুমে প্রথম জয় পেল রেড ডেভিলরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
বার্নাব্যুতে রাতটা ছিল রিয়াল মাদ্রিদের। রোববার (৩০ আগস্ট) শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে মালাগাকে ৪–০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জোসে মরিনিওর দল।
৩১ আগস্ট ২০২৬