স্ট্রিম প্রতিবেদক

মঞ্চ প্রস্তুত ছিল, মিরপুর টেস্টে নিজের জন্মদিনটা সেঞ্চুরি দিয়ে রাঙাতে না পারলেও আজ (সোমবার) সিলেট টেস্টে পারলেন তিনি। এই সেঞ্চুরির সঙ্গে সঙ্গে তিনি মুমিনুলকে টপকে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক হলেন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে নিজেদের অবস্থান পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বাংলাদেশ। আর স্বাগতিকদের এই বড় লিড ও শক্তিশালী অবস্থানের নেপথ্যে মূল কারিগর অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। ম্যাচের তৃতীয় দিনে এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’।
আজ ম্যাচের তৃতীয় দিনের শুরুতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন কিছুটা চাপে, তখন ক্রিজে আসেন লিটন দাস। এরপর লিটনকে সঙ্গী করে ইনিংস মেরামতের বড় দায়িত্ব নেন মুশফিকুর রহিম। পাকিস্তানের পেসার হাসান আলী ও স্পিনার সাজিদ খানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই অত্যন্ত সাবধানী ও কৌশলী ব্যাটিং করতে থাকেন তিনি। বলের মেরিটে খেলে এবং কোনো অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি না নিয়ে উইকেটের চারপাশে স্ট্রাইক রোটেট করার দিকেই মনোযোগ ছিল তাঁর।
ধীরে ধীরে পিচে সেট হয়ে সেশনের শেষ দিকে রানের গতি বাড়ান মুশফিক। ৩৯তম ওভারে হাসান আলীর অফ স্ট্যাম্পের বাইরের ফুল লেন্থের ডেলিভারিটিকে অসাধারণ এক কাভার ড্রাইভে সীমানা পার করেন তিনি, যা ছিল এই ইনিংসে তাঁর প্রথম বাউন্ডারি। এরপর স্পিনার সাজিদ খানের বলকে দুর্দান্ত স্লগ সুইপে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে সীমানার ওপারে আছড়ে ফেলে ইনিংসের প্রথম ছক্কাটি আদায় করেন তিনি।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মুশফিক ও লিটনের জুটি আরও জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে ওঠে। সাজিদ খানের বলে সিঙ্গেল নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩০তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিক। লিটনের সাথে তাঁর এই যুগলবন্দীতে আসে ১০০ রান, যা বাংলাদেশের মাটিতে এই জুটির ষষ্ঠ শতরানের পার্টনারশিপ।
লিটন দাস ৬৯ রান করে বিদায় নেওয়ার পর অন্য ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মাঝেও এক প্রান্ত আগলে রেখে নিজের ইনিংসকে সেঞ্চুরির দিকে নিয়ে যান মুশফিকুর রহিম। এরই মাঝে পেসার খুররাম শাহজাদের বলে ডিপ থার্ড অঞ্চল দিয়ে চার মেরে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান তিনি। এই বাউন্ডারির মাধ্যমেই প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাট মিলিয়ে ১৬ হাজার রানের মহাকীর্তি অর্জন করেন তিনি। আব্বাসের অফ স্ট্যাম্পের বল কাট করে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে তিনি একটি চার পান। এই চারের মাধ্যমে নিজের টেস্ট ক্রিকেটের ১৪ তম সেঞ্চুরি পান। মুমিনুলের করা ১৩ সেঞ্চুরিকে টপকিয়ে বাংলাদেশের টেস্টে ইতিহাসের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক হলেন এই ব্যাটসম্যান।
দারুণ ধৈর্য ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে এই লড়াকু সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। মুশফিকুর রহিমের এই ঐতিহাসিক ও অনবদ্য সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে সাড়ে ৩০০ রানের ওপর লিড দিয়েছে।

মঞ্চ প্রস্তুত ছিল, মিরপুর টেস্টে নিজের জন্মদিনটা সেঞ্চুরি দিয়ে রাঙাতে না পারলেও আজ (সোমবার) সিলেট টেস্টে পারলেন তিনি। এই সেঞ্চুরির সঙ্গে সঙ্গে তিনি মুমিনুলকে টপকে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক হলেন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে নিজেদের অবস্থান পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বাংলাদেশ। আর স্বাগতিকদের এই বড় লিড ও শক্তিশালী অবস্থানের নেপথ্যে মূল কারিগর অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। ম্যাচের তৃতীয় দিনে এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’।
আজ ম্যাচের তৃতীয় দিনের শুরুতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন কিছুটা চাপে, তখন ক্রিজে আসেন লিটন দাস। এরপর লিটনকে সঙ্গী করে ইনিংস মেরামতের বড় দায়িত্ব নেন মুশফিকুর রহিম। পাকিস্তানের পেসার হাসান আলী ও স্পিনার সাজিদ খানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই অত্যন্ত সাবধানী ও কৌশলী ব্যাটিং করতে থাকেন তিনি। বলের মেরিটে খেলে এবং কোনো অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি না নিয়ে উইকেটের চারপাশে স্ট্রাইক রোটেট করার দিকেই মনোযোগ ছিল তাঁর।
ধীরে ধীরে পিচে সেট হয়ে সেশনের শেষ দিকে রানের গতি বাড়ান মুশফিক। ৩৯তম ওভারে হাসান আলীর অফ স্ট্যাম্পের বাইরের ফুল লেন্থের ডেলিভারিটিকে অসাধারণ এক কাভার ড্রাইভে সীমানা পার করেন তিনি, যা ছিল এই ইনিংসে তাঁর প্রথম বাউন্ডারি। এরপর স্পিনার সাজিদ খানের বলকে দুর্দান্ত স্লগ সুইপে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে সীমানার ওপারে আছড়ে ফেলে ইনিংসের প্রথম ছক্কাটি আদায় করেন তিনি।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মুশফিক ও লিটনের জুটি আরও জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে ওঠে। সাজিদ খানের বলে সিঙ্গেল নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩০তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিক। লিটনের সাথে তাঁর এই যুগলবন্দীতে আসে ১০০ রান, যা বাংলাদেশের মাটিতে এই জুটির ষষ্ঠ শতরানের পার্টনারশিপ।
লিটন দাস ৬৯ রান করে বিদায় নেওয়ার পর অন্য ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মাঝেও এক প্রান্ত আগলে রেখে নিজের ইনিংসকে সেঞ্চুরির দিকে নিয়ে যান মুশফিকুর রহিম। এরই মাঝে পেসার খুররাম শাহজাদের বলে ডিপ থার্ড অঞ্চল দিয়ে চার মেরে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান তিনি। এই বাউন্ডারির মাধ্যমেই প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাট মিলিয়ে ১৬ হাজার রানের মহাকীর্তি অর্জন করেন তিনি। আব্বাসের অফ স্ট্যাম্পের বল কাট করে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে তিনি একটি চার পান। এই চারের মাধ্যমে নিজের টেস্ট ক্রিকেটের ১৪ তম সেঞ্চুরি পান। মুমিনুলের করা ১৩ সেঞ্চুরিকে টপকিয়ে বাংলাদেশের টেস্টে ইতিহাসের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক হলেন এই ব্যাটসম্যান।
দারুণ ধৈর্য ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে এই লড়াকু সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। মুশফিকুর রহিমের এই ঐতিহাসিক ও অনবদ্য সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে সাড়ে ৩০০ রানের ওপর লিড দিয়েছে।

আর্জেন্টিনার ট্রফি ধরে রাখার মিশনে কোচ লিওনেল স্কালোনির ব্লুপ্রিন্টের অন্যতম কারিগর হয়ে উঠতে পারেন এনজো।
১৯ ঘণ্টা আগে
সিলেট টেস্টে ৪৬ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে বাংলাদেশ। দিন শেষে ১৫৬ রানের লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। মাহমুদুল হাসান জয়ের ফিফটিতে ৩ উইকেটে সংগ্রহ ১১০ রান।
১ দিন আগে
১২ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপে ফিরছে আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া। কোচ ভ্লাদিমির পেটকোভিচের নেতৃত্বে একঝাঁক তরুণ খেলোয়াড় নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে চমক দেখাতে চায় দলটি।
১ দিন আগে
সিলেট টেস্টে প্রথম দিনেই গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সংগ্রহও ছিল মামুলি ২৭৮ রান। তবে বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সেই সংগ্রহেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।
১ দিন আগে