বিশ্বকাপের নক্ষত্র–১১
স্পোর্টস ডেস্ক

ব্রাজিলের নাম শুনলে চোখের সামনে ভাসে ড্রিবলিং আর সাম্বা নাচের ছন্দ। পেলে, জিকো, রোনালদিনিও থেকে হালের নেইমারের পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছে সমর্থক-সমালোচকরা। রাফিনিয়া সেই ঐতিহ্যের বাইরে নন। তার বড় শক্তি আধুনিক ফুটবলের কৌশলগত শৃঙ্খলা এবং প্রেসিং।
রাইট উইং দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে গোল করতে দারুণ পটু। লা লিগার এই মৌসুমে ছিলেন দারুণ ফর্মে। নিয়মিত গোল করার পাশাপাশি অ্যাসিস্টে দলের লিগ শিরোপা জেতায় রেখেছেন বড় ভূমিকা।
রাফিনিয়ার প্রশংসা করে বার্সেলোনার ম্যানেজার হান্সি ফ্লিক বলেন, ‘শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে এমন খেলোয়াড় সে। কেবল আক্রমণ নয়, হারানো বল কেড়ে নিতে তার গতি আর ক্ষিপ্রতা দুর্দান্ত। তার মতো খেলোয়াড় যেকোনো কোচের কাজকে সহজ করে দেয়।’
রাফিনিয়ার পুরো নাম দিয়াজ বেলোলি। ১৯৯৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্রাজিলের পোর্তো আলেগ্রেতে জন্ম তার। খেলেন রাইট উইঙ্গার এবং অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার পজিশনে। বর্তমানে স্প্যানিশ লা লিগার দল বার্সেলোনার হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন। ২০২১ সালের অক্টোবরে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া রাফিনিয়া খেলেন ১১ নম্বর জার্সিতে।
২০২২ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে প্রায় ৫৮ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনায় যোগ দেন রাফিনিয়া। বার্সেলোনার হয়ে জেতেন ২০২২-২৩ এবং ২০২৪-২৫ মৌসুমে স্প্যানিশ লা লিগা। এছাড়া ২০২৩ সালে স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপাও আছে তার ঝুলিতে।

২০২৪-২৫ চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার হয়ে ২২ গোলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ২০১৩-১৪ মৌসুমের রেকর্ডে ভাগ বসান রাফিনিয়া। ওই মৌসুমে প্রথম ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে লা লিগার ‘প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ নির্বাচিত হন।
কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্কোয়াডে রাফিনিয়া ছিলেন নিয়মিত খেলোয়াড়। ওই আসরে পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই মাঠে নামলেও তিনি বা তাঁর দল আশানুরূপ সাফল্য পায়নি।
২০২৬ বিশ্বকাপে দলের আক্রমণভাগে আস্থার প্রতীক রাফিনিয়া। রাইট উইং দিয়ে আক্রমণ তৈরিতে তার বাঁ পায়ের পাস ও ক্রসিং দলের মূল ভরসা। ২০০২ সালের পর ব্রাজিলকে আবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করাটাই এখন রাফিনিয়ার লক্ষ্য।

ব্রাজিলের নাম শুনলে চোখের সামনে ভাসে ড্রিবলিং আর সাম্বা নাচের ছন্দ। পেলে, জিকো, রোনালদিনিও থেকে হালের নেইমারের পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছে সমর্থক-সমালোচকরা। রাফিনিয়া সেই ঐতিহ্যের বাইরে নন। তার বড় শক্তি আধুনিক ফুটবলের কৌশলগত শৃঙ্খলা এবং প্রেসিং।
রাইট উইং দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে গোল করতে দারুণ পটু। লা লিগার এই মৌসুমে ছিলেন দারুণ ফর্মে। নিয়মিত গোল করার পাশাপাশি অ্যাসিস্টে দলের লিগ শিরোপা জেতায় রেখেছেন বড় ভূমিকা।
রাফিনিয়ার প্রশংসা করে বার্সেলোনার ম্যানেজার হান্সি ফ্লিক বলেন, ‘শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে এমন খেলোয়াড় সে। কেবল আক্রমণ নয়, হারানো বল কেড়ে নিতে তার গতি আর ক্ষিপ্রতা দুর্দান্ত। তার মতো খেলোয়াড় যেকোনো কোচের কাজকে সহজ করে দেয়।’
রাফিনিয়ার পুরো নাম দিয়াজ বেলোলি। ১৯৯৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্রাজিলের পোর্তো আলেগ্রেতে জন্ম তার। খেলেন রাইট উইঙ্গার এবং অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার পজিশনে। বর্তমানে স্প্যানিশ লা লিগার দল বার্সেলোনার হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন। ২০২১ সালের অক্টোবরে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া রাফিনিয়া খেলেন ১১ নম্বর জার্সিতে।
২০২২ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে প্রায় ৫৮ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনায় যোগ দেন রাফিনিয়া। বার্সেলোনার হয়ে জেতেন ২০২২-২৩ এবং ২০২৪-২৫ মৌসুমে স্প্যানিশ লা লিগা। এছাড়া ২০২৩ সালে স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপাও আছে তার ঝুলিতে।

২০২৪-২৫ চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার হয়ে ২২ গোলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ২০১৩-১৪ মৌসুমের রেকর্ডে ভাগ বসান রাফিনিয়া। ওই মৌসুমে প্রথম ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে লা লিগার ‘প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ নির্বাচিত হন।
কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্কোয়াডে রাফিনিয়া ছিলেন নিয়মিত খেলোয়াড়। ওই আসরে পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই মাঠে নামলেও তিনি বা তাঁর দল আশানুরূপ সাফল্য পায়নি।
২০২৬ বিশ্বকাপে দলের আক্রমণভাগে আস্থার প্রতীক রাফিনিয়া। রাইট উইং দিয়ে আক্রমণ তৈরিতে তার বাঁ পায়ের পাস ও ক্রসিং দলের মূল ভরসা। ২০০২ সালের পর ব্রাজিলকে আবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করাটাই এখন রাফিনিয়ার লক্ষ্য।

বিশ্বের ফুটবল ভক্তরা যখন ৪৮ দলের বিশ্বকাপেই মানিয়ে নিচ্ছে, তখন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ভাবছেন আরও বড় কিছু। পুরুষদের বিশ্বকাপ ৪৮ থেকে ৬৪ দলে উন্নীত করার প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
৭ ঘণ্টা আগে
কয়েক বছর আগেও হারের বৃত্ত আর শূন্য গ্যালারি ছিল বাংলাদেশ ফুটবল দলের বাস্তবতা। তবে গত দেড়-দুই বছরে এই দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ে উঠলেও শিকড়ের টানে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়াতে বাংলাদেশে আসছেন প্রবাসী ফুটবলাররা। হামজা চৌধুরী ও জামাল ভূঁইয়াদের মতো তারকাদের হাত ধরে নতুন পথ দেখছে
১২ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের ১০০ লড়াই শেষে এখন বাকি শেষ চার ম্যাচ। ৪৮ দলের এই মহাযজ্ঞে টিকে রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা চার পরাশক্তি—ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ড।
১২ জুলাই ২০২৬
অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তের জোড়া গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ চারে পা রাখল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ১১১ মিনিট পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতায় ছিলো ম্যাচ। ১১২ মিনিটে মাঠের সব সমীকরণ বদলে দেন জুলিয়ান আলভারেজ।
১২ জুলাই ২০২৬