স্পোর্টস ডেস্ক

২০১০ সালে জোহানসবার্গের মাঠে বিশ্বজয়ের পর স্পেনের আরেকটি বিশ্বকাপের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছে ১৬ বছর। মাঝখানে ভেঙেছে বিশ্বজয়ী দল, শেষ হয়েছে এক সোনালি প্রজন্ম, এসেছে একের পর এক হতাশা। রোববার (১৯ জুলাই) নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে নিজেদের হারানো সিংহাসনে ফিরলো স্পেন।
অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের দারুণ এক গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। নিকো উইলিয়ামসের অ্যাসিস্টে গোলটি করেন তোরেস। এতেই নির্ধারিত হয়ে যায় বিশ্বকাপের ভাগ্য। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের গোলশূন্য ড্র এবং নানা নাটকীয়তার পর, অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেনের ১-০ গোলে জয়।
ম্যাচের বাঁশি বাজার কিছু সময়ের মধ্যে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু ডি-বক্সে বল নিয়ে স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ভিতরে ঢুকলেও তার শটটি ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। এতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় স্পেন। ইয়ামাল বল নিয়ে আক্রমণ করবে আর মেসি বসে থাকবে এমন তো হতে পারে না। মেসি একপ্রকার একা বল নিয়ে স্পেনের অর্ধে চলে গেছিল যদিও সেটি ৪০ গজ থেকে এসে স্প্যানিশ গোলরক্ষক সিমন সেটিকে ক্লিয়ার করে দেয়।
শুরুতে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। যদিও আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করে। ম্যাচ যত এগোতে থাকে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের একপ্রকার খেই হারাতে থাকে। তারই জেরে স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড ওয়াইরাজাবালকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। স্পেন ও তাদের আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকলেও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেনি। ৪৪ মিনিটে লিসান্দ্রোকে তুলে নেন কোচ। প্রথমার্ধে দুই দল গোল শূন্য সমতায় বিরতিতে যায়, যেখানে স্পেন ম্যাচের আধিপত্য ধরে রাখলেও বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের হারিয়ে খুজছিলেন স্পেনের টিকিটাকার সামনে। তাই তো আর্জেন্টিনা গোলবার মুখে কেন শট নিয়ে সিমনকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি।
বিরতির পর আর্জেন্টিনা কৌশল পরিবর্তন করে পারেদেসকে নামালেও ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেনি। দ্বিতীয় হাফের শুরুতেই ওলমোর পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন স্পেনের বায়েনা, তবে তা সহজেই রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। বদলি খেলোয়াড় পাসেদেস স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে ধাক্কা মেরে হলুদ কার্ড দেখে। ৫৭ মিনিটে রক্ষণভাগের শক্তি বাড়াতে মন্তিয়েলের জায়গায় নাহুয়েল মলিনাকে মাঠে নামায় আর্জেন্টিনা।
স্পেনও ৬২ মিনিটে ওলমো ও রুইজের জায়গায় পেদ্রি ও ফেরান তোরেসকে নামায়। স্পেন ও একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে ম্যাচের আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের মুখ দেখতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের হেড নসাৎ করে দেন এমিলিয়ানো। মেসি-আলভারেস জুটি স্প্যানিশ কাউন্টার অ্যাটাক রুখতে মাঝমাঠেই কঠিন ব্লক তৈরি করে স্পেন যা আর ভেদ করতে অক্ষম হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ দিকে স্পেন চাপ আরও বাড়ায়। ৮১ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন এনসো ফের্নান্দেস। এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক ঠেকাতে কুবারসিসকে ফাউল করলে দ্বিতীয় হলুদ দেখে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে।
যোগ করা সময়ের আট মিনিটে ইয়ামালের নেওয়া ফ্রি কিক ঠেকিয়ে দিলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা। আবারও দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের গোলমুখে শট নিতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। ১৯৬৬ এর বিশ্বকাপের পর প্রথম দল হিসেবে আর্জেন্টিনা কোনো শট গোলবারে নিতে ব্যর্থ হয়। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ৩৪ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে বল রাখে আর্জেন্টিনা যা ১৯৬৬ সালের পর তাদের বলদখলের হারে সর্বনিম্ন।
১০ জনের আর্জেন্টিনাকে পেয়ে অতিরিক্ত সময়ে স্পেন অলআউট আক্রমণে গেলেও নিজের পারফরম্যান্স যেন বজায় রাখে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। স্পেনের আক্রমণের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করে ৯৪ মিনিট পর্যন্ত ১০ সেভ দেন যা বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ। ম্যাচের ৯৬ মিনিটে উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামসের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন, কিন্তু গোলের আগে স্পেনের মিডফিল্ডার মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওটামেন্ডিকে ফাউল করায় গোল বাতিল করে রেফারি। ম্যাচে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ভিড়ে কোচ স্কালোনিও হলুদ কার্ড দেখেন। অতিরিক্ত সময়ে মার্তিনেজ বাধা না ভাঙতে পেরে অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ১০৬ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। নিকো উইলিয়ামসের বাড়িয়ে দেওয়া বল পেয়ে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান বদলি হিসেবে নামা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। পুরো মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্প্যানিশ সমর্থকেরাও যেন উল্লাসে ফেটে পড়ে। ১১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয় তোরেসের গোল। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের বিশ্বজয়ের উৎসব শুরু হয়।

২০১০ সালে জোহানসবার্গের মাঠে বিশ্বজয়ের পর স্পেনের আরেকটি বিশ্বকাপের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছে ১৬ বছর। মাঝখানে ভেঙেছে বিশ্বজয়ী দল, শেষ হয়েছে এক সোনালি প্রজন্ম, এসেছে একের পর এক হতাশা। রোববার (১৯ জুলাই) নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে নিজেদের হারানো সিংহাসনে ফিরলো স্পেন।
অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের দারুণ এক গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। নিকো উইলিয়ামসের অ্যাসিস্টে গোলটি করেন তোরেস। এতেই নির্ধারিত হয়ে যায় বিশ্বকাপের ভাগ্য। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের গোলশূন্য ড্র এবং নানা নাটকীয়তার পর, অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেনের ১-০ গোলে জয়।
ম্যাচের বাঁশি বাজার কিছু সময়ের মধ্যে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু ডি-বক্সে বল নিয়ে স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ভিতরে ঢুকলেও তার শটটি ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। এতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় স্পেন। ইয়ামাল বল নিয়ে আক্রমণ করবে আর মেসি বসে থাকবে এমন তো হতে পারে না। মেসি একপ্রকার একা বল নিয়ে স্পেনের অর্ধে চলে গেছিল যদিও সেটি ৪০ গজ থেকে এসে স্প্যানিশ গোলরক্ষক সিমন সেটিকে ক্লিয়ার করে দেয়।
শুরুতে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। যদিও আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা করে। ম্যাচ যত এগোতে থাকে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের একপ্রকার খেই হারাতে থাকে। তারই জেরে স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড ওয়াইরাজাবালকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। স্পেন ও তাদের আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকলেও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেনি। ৪৪ মিনিটে লিসান্দ্রোকে তুলে নেন কোচ। প্রথমার্ধে দুই দল গোল শূন্য সমতায় বিরতিতে যায়, যেখানে স্পেন ম্যাচের আধিপত্য ধরে রাখলেও বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের হারিয়ে খুজছিলেন স্পেনের টিকিটাকার সামনে। তাই তো আর্জেন্টিনা গোলবার মুখে কেন শট নিয়ে সিমনকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি।
বিরতির পর আর্জেন্টিনা কৌশল পরিবর্তন করে পারেদেসকে নামালেও ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেনি। দ্বিতীয় হাফের শুরুতেই ওলমোর পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন স্পেনের বায়েনা, তবে তা সহজেই রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। বদলি খেলোয়াড় পাসেদেস স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে ধাক্কা মেরে হলুদ কার্ড দেখে। ৫৭ মিনিটে রক্ষণভাগের শক্তি বাড়াতে মন্তিয়েলের জায়গায় নাহুয়েল মলিনাকে মাঠে নামায় আর্জেন্টিনা।
স্পেনও ৬২ মিনিটে ওলমো ও রুইজের জায়গায় পেদ্রি ও ফেরান তোরেসকে নামায়। স্পেন ও একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে ম্যাচের আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের মুখ দেখতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের হেড নসাৎ করে দেন এমিলিয়ানো। মেসি-আলভারেস জুটি স্প্যানিশ কাউন্টার অ্যাটাক রুখতে মাঝমাঠেই কঠিন ব্লক তৈরি করে স্পেন যা আর ভেদ করতে অক্ষম হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ দিকে স্পেন চাপ আরও বাড়ায়। ৮১ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন এনসো ফের্নান্দেস। এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক ঠেকাতে কুবারসিসকে ফাউল করলে দ্বিতীয় হলুদ দেখে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে।
যোগ করা সময়ের আট মিনিটে ইয়ামালের নেওয়া ফ্রি কিক ঠেকিয়ে দিলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা। আবারও দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের গোলমুখে শট নিতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। ১৯৬৬ এর বিশ্বকাপের পর প্রথম দল হিসেবে আর্জেন্টিনা কোনো শট গোলবারে নিতে ব্যর্থ হয়। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ৩৪ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে বল রাখে আর্জেন্টিনা যা ১৯৬৬ সালের পর তাদের বলদখলের হারে সর্বনিম্ন।
১০ জনের আর্জেন্টিনাকে পেয়ে অতিরিক্ত সময়ে স্পেন অলআউট আক্রমণে গেলেও নিজের পারফরম্যান্স যেন বজায় রাখে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। স্পেনের আক্রমণের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করে ৯৪ মিনিট পর্যন্ত ১০ সেভ দেন যা বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ। ম্যাচের ৯৬ মিনিটে উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামসের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন, কিন্তু গোলের আগে স্পেনের মিডফিল্ডার মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওটামেন্ডিকে ফাউল করায় গোল বাতিল করে রেফারি। ম্যাচে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ভিড়ে কোচ স্কালোনিও হলুদ কার্ড দেখেন। অতিরিক্ত সময়ে মার্তিনেজ বাধা না ভাঙতে পেরে অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ১০৬ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। নিকো উইলিয়ামসের বাড়িয়ে দেওয়া বল পেয়ে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান বদলি হিসেবে নামা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। পুরো মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্প্যানিশ সমর্থকেরাও যেন উল্লাসে ফেটে পড়ে। ১১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয় তোরেসের গোল। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের বিশ্বজয়ের উৎসব শুরু হয়।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
৬ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
৯ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১০ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
১৩ ঘণ্টা আগে