স্পোর্টস ডেস্ক

রাজনীতি ও অর্থনীতিতে পরাশক্তি হলেও বিশ্বকাপে বড় কোনো অর্জন নেই যুক্তরাষ্ট্রের। এবারের আসরে নিজেদের ১২তম বিশ্বকাপ অভিযানে নামবে তারা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৮তম এই দলটি ফুটবল বিশ্বে স্টার্স অ্যান্ড স্ট্রাইপস নামে পরিচিত।
১৯৩০ সালের উরুগুয়ে বিশ্বকাপে ৩য় স্থান অর্জন করা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্য। তবে এরপর আর ১০ বিশ্বকাপে অংশ নিলেও বড় কোনো সাফল্য পায়নি তারা। নিজের ঘরে সমর্থকদের পাশে পেয়ে নতুন করে ইতিহাস লিখতে মরিয়া দলটি।
বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ডাগআউট সামলাবেন আর্জেন্টাইন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। গত ২৬ মে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেন তিনি। চমক হিসেবে তরুণ জিওভানি রেইনা ও আলেক্স জেনডেক্সাস দলে জায়গা পেলেও, বাদ পড়েছেন তারকা মিডফিল্ডার ডিয়েগো লুনা। এছাড়া দলে একমাত্র ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রাখা হয়েছে টাইলার অ্যাডামসকে।
গোলপোস্ট সামলানোর লড়াইয়ে অভিজ্ঞ ম্যাট টার্নারকে পেছনে ফেলে মূল ভরসা হয়ে উঠেছেন হার্ভার্ড গ্র্যাজুয়েট ২৭ বছর বয়সী ম্যাট ফ্রিস।
বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভরসা দলটির অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক। দলের হয়ে এ পর্যন্ত করেছেন ৩২ গোল। রাইট উইঙে খেলা এই ফুটবলার এসি মিলানের হয়ে এবারের ২৫-২৬ মৌসুমে আট গোল ও চার অ্যাসিস্ট করেছেন।
সঙ্গে আছেন মিডফিল্ডার জুভেন্তাসে খেলা ওয়েস্টন ম্যাককেনি। জাতীয় দলের হয়ে ১২ গোল করা এই তারকার সঙ্গে পুলিসিকের জুটি যুক্তরাষ্ট্রকে বড় স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তাকিয়ে থাকবে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার জিওভানি রেইনার ওপর। জাতীয় দলের হয়ে ৩৬ ম্যাচে ৯ গোল করে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের পছন্দের খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হবে। সহ-স্বাগতিক হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে বাছাইপর্ব খেলতে হয়নি।
ঘরের মাঠে তারা খেলবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ গ্রুপ ‘ডি’-তে। ১২ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান। ১৯ জুন সিয়াটলে অস্ট্রেলিয়া এবং ২৫ জুন তুরস্কের মুখোমুখি হবে তারা।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৩ পয়েন্ট পেলে এবং অস্ট্রেলিয়াকে আটকে দিতে পারলে, তুরস্কের মুখোমুখি হওয়ার আগেই আমেরিকানদের শেষ ৩২ নিশ্চিত হতে পারে।
গোলরক্ষক: ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিজ, ম্যাট টার্নার।
রক্ষণ: ম্যাক্স আরফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি।
মাঝমাঠ: টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বারহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলডান
আক্রমণ: ব্রেনডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেইনা, মালিক টিলম্যান, টিম ওয়েহ, আলেহান্দ্রো জেনদেখাস।

রাজনীতি ও অর্থনীতিতে পরাশক্তি হলেও বিশ্বকাপে বড় কোনো অর্জন নেই যুক্তরাষ্ট্রের। এবারের আসরে নিজেদের ১২তম বিশ্বকাপ অভিযানে নামবে তারা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৮তম এই দলটি ফুটবল বিশ্বে স্টার্স অ্যান্ড স্ট্রাইপস নামে পরিচিত।
১৯৩০ সালের উরুগুয়ে বিশ্বকাপে ৩য় স্থান অর্জন করা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্য। তবে এরপর আর ১০ বিশ্বকাপে অংশ নিলেও বড় কোনো সাফল্য পায়নি তারা। নিজের ঘরে সমর্থকদের পাশে পেয়ে নতুন করে ইতিহাস লিখতে মরিয়া দলটি।
বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ডাগআউট সামলাবেন আর্জেন্টাইন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। গত ২৬ মে যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেন তিনি। চমক হিসেবে তরুণ জিওভানি রেইনা ও আলেক্স জেনডেক্সাস দলে জায়গা পেলেও, বাদ পড়েছেন তারকা মিডফিল্ডার ডিয়েগো লুনা। এছাড়া দলে একমাত্র ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রাখা হয়েছে টাইলার অ্যাডামসকে।
গোলপোস্ট সামলানোর লড়াইয়ে অভিজ্ঞ ম্যাট টার্নারকে পেছনে ফেলে মূল ভরসা হয়ে উঠেছেন হার্ভার্ড গ্র্যাজুয়েট ২৭ বছর বয়সী ম্যাট ফ্রিস।
বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভরসা দলটির অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক। দলের হয়ে এ পর্যন্ত করেছেন ৩২ গোল। রাইট উইঙে খেলা এই ফুটবলার এসি মিলানের হয়ে এবারের ২৫-২৬ মৌসুমে আট গোল ও চার অ্যাসিস্ট করেছেন।
সঙ্গে আছেন মিডফিল্ডার জুভেন্তাসে খেলা ওয়েস্টন ম্যাককেনি। জাতীয় দলের হয়ে ১২ গোল করা এই তারকার সঙ্গে পুলিসিকের জুটি যুক্তরাষ্ট্রকে বড় স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তাকিয়ে থাকবে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার জিওভানি রেইনার ওপর। জাতীয় দলের হয়ে ৩৬ ম্যাচে ৯ গোল করে ইতোমধ্যেই সমর্থকদের পছন্দের খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হবে। সহ-স্বাগতিক হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে বাছাইপর্ব খেলতে হয়নি।
ঘরের মাঠে তারা খেলবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ গ্রুপ ‘ডি’-তে। ১২ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান। ১৯ জুন সিয়াটলে অস্ট্রেলিয়া এবং ২৫ জুন তুরস্কের মুখোমুখি হবে তারা।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৩ পয়েন্ট পেলে এবং অস্ট্রেলিয়াকে আটকে দিতে পারলে, তুরস্কের মুখোমুখি হওয়ার আগেই আমেরিকানদের শেষ ৩২ নিশ্চিত হতে পারে।
গোলরক্ষক: ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিজ, ম্যাট টার্নার।
রক্ষণ: ম্যাক্স আরফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি।
মাঝমাঠ: টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বারহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলডান
আক্রমণ: ব্রেনডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেইনা, মালিক টিলম্যান, টিম ওয়েহ, আলেহান্দ্রো জেনদেখাস।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৭ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৮ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২১ ঘণ্টা আগে