স্পোর্টস ডেস্ক

নিজেদের নবম বিশ্বকাপ মিশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পর্তুগাল। একবার ইউরো কাপ এবং দুইবার উয়েফা নেশনস লিগ জিতলেও দলটির ট্রফি ক্যাবিনেটে অধরা বৈশ্বিক শ্রেষ্ঠত্বের সোনালি ট্রফি
এবারের আসরে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ রাঙাতে নামবেন। তার বিদায়কে সোনালি অক্ষরে ইতিহাসের পাতায় লিখে রাখতে চায় দলটি।
১৯৬৬ সালে পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিওর হাত ধরে অভিষেক বিশ্বকাপে ৩য় স্থান অর্জন করেছিল দেশটি। বিশ্বকাপের ৩৫ ম্যাচে পর্তুগালের ঝুলিতে রয়েছে ১৭ জয়, ৬ ড্র এবং ১২ পরাজয়। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৫ম স্থানে থাকা দলটি ফুটবল ভক্তদের কাছে ‘সেলেসাও দাস কুইনাস’ নামে পরিচিত।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের ডাগআউট সামলাবেন রবার্তো মার্তিনেস। এর আগে বেলজিয়াম ও এভারটনের ডাগআউট সামলিয়েছেন তিনি। তার অধীনে বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল।

বিশ্বকাপে পর্তুগাল লড়বে গ্রুপ ‘কে’-তে। আগামী ১৭ জুন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৮ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের মূল ভরসা রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে নামা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। জাতীয় দলের হয়ে ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৪৩ গোল করা এই তারকা ২০২৫-২৬ মৌসুমে সৌদি ক্লাব আল নাসরের হয়ে করেছেন ৩০ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট।
এ ছাড়া মাঝমাঠে পর্তুগালের আস্থা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ব্রুনো ফার্নান্দেজ। পর্তুগালের হয়ে ২৮ গোল করা এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে করেছেন ৯ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। ব্রুনোর পাশাপাশি মাঝমাঠের ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করবেন পিএসজির তরুণ ভিতিনহা। গত বছর ব্যালন ডি‘অর র্যাঙ্কিংয়ে ৩য় স্থানে থাকা এই মিডফিল্ডার ক্লাব ফুটবলে ৭ গোল ও ১০ অ্যাসিস্ট করে দারুণ ফর্মে আছেন।
গ্রুপ ‘কে’-তে পর্তুগালই ফেভারিট। তবে পর্তুগাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে থামবে না। শেষ ৩২ থেকে শেষ ১৬, এরপর কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সেমিফাইনাল অবধি পর্তুগালের সম্ভাবনা দেখছেন ফুটবল বোদ্ধারা। অনেকে বলছেন, রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ স্মরণীয় করতে মরিয়া সেলেসাওরা ফাইনাল অবধি পৌঁছানো আশ্চর্যের নয়।

নিজেদের নবম বিশ্বকাপ মিশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পর্তুগাল। একবার ইউরো কাপ এবং দুইবার উয়েফা নেশনস লিগ জিতলেও দলটির ট্রফি ক্যাবিনেটে অধরা বৈশ্বিক শ্রেষ্ঠত্বের সোনালি ট্রফি
এবারের আসরে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ রাঙাতে নামবেন। তার বিদায়কে সোনালি অক্ষরে ইতিহাসের পাতায় লিখে রাখতে চায় দলটি।
১৯৬৬ সালে পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিওর হাত ধরে অভিষেক বিশ্বকাপে ৩য় স্থান অর্জন করেছিল দেশটি। বিশ্বকাপের ৩৫ ম্যাচে পর্তুগালের ঝুলিতে রয়েছে ১৭ জয়, ৬ ড্র এবং ১২ পরাজয়। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৫ম স্থানে থাকা দলটি ফুটবল ভক্তদের কাছে ‘সেলেসাও দাস কুইনাস’ নামে পরিচিত।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের ডাগআউট সামলাবেন রবার্তো মার্তিনেস। এর আগে বেলজিয়াম ও এভারটনের ডাগআউট সামলিয়েছেন তিনি। তার অধীনে বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল।

বিশ্বকাপে পর্তুগাল লড়বে গ্রুপ ‘কে’-তে। আগামী ১৭ জুন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৮ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের মূল ভরসা রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে নামা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। জাতীয় দলের হয়ে ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৪৩ গোল করা এই তারকা ২০২৫-২৬ মৌসুমে সৌদি ক্লাব আল নাসরের হয়ে করেছেন ৩০ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট।
এ ছাড়া মাঝমাঠে পর্তুগালের আস্থা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ব্রুনো ফার্নান্দেজ। পর্তুগালের হয়ে ২৮ গোল করা এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে করেছেন ৯ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। ব্রুনোর পাশাপাশি মাঝমাঠের ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করবেন পিএসজির তরুণ ভিতিনহা। গত বছর ব্যালন ডি‘অর র্যাঙ্কিংয়ে ৩য় স্থানে থাকা এই মিডফিল্ডার ক্লাব ফুটবলে ৭ গোল ও ১০ অ্যাসিস্ট করে দারুণ ফর্মে আছেন।
গ্রুপ ‘কে’-তে পর্তুগালই ফেভারিট। তবে পর্তুগাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে থামবে না। শেষ ৩২ থেকে শেষ ১৬, এরপর কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সেমিফাইনাল অবধি পর্তুগালের সম্ভাবনা দেখছেন ফুটবল বোদ্ধারা। অনেকে বলছেন, রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ স্মরণীয় করতে মরিয়া সেলেসাওরা ফাইনাল অবধি পৌঁছানো আশ্চর্যের নয়।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফুটবল মাঠে পর্তুগালের ভরসার নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি বিশ্বকাপ। উয়েফার লিগের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ার।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে একটি প্রশ্ন জেগেছিল, তবে কি মহাকাব্যের শেষ পাতাটি পড়া হয়ে গেল? স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়ভাঙা হারের পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলেন, নীল-সাদা জার্সিতে বোধহয় শেষবারের মতো লিওনেল মেসি মাঠে নেমেছেন, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর পেলেন তাঁর ভক্তরা।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনায় বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক থামছে না। এ ঘটনায় ফুটবলের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
২৩ জুলাই ২০২৬