বিশ্বকাপ ফাইনাল
স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো গোল না করেই বিরতিতে গেছে দুই ফাইনালিস্ট আর্জেন্টিনা ও স্পেন। রোববার (১৯ জুলাই) নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্কোরলাইন ০-০ থাকলেও খেলার নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুলেও এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করতে পারেনি স্প্যানিশরা। অন্যদিকে পুরো প্রথমার্ধে উনাই সিমনকে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের বাঁশি বাজার কিছু সময়ের মধ্যে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু ডি-বক্সে বল নিয়ে স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ভিতরে ঢুকলেও তার শটটি ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। এতে এগিয়ে যাওয়ার বিরাট এক সুযোগ হারায় স্পেন।
ইয়ামাল বল নিয়ে আক্রমণ করবে আর মেসি বসে থাকবে এমন তো হতে পারে না। মেসি একপ্রকার একা বল নিয়ে স্পেনের অর্ধে চলে যান, যদিও সেটি ৪০ গজ থেকে এসে স্প্যানিশ গোলরক্ষক সিমন সেটিকে ক্লিয়ার করে দেন।শুরুতে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। যদিও আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা চালায়। প্রথম দিকে স্পেন একটি শট লক্ষ্যে রাখলেও আর্জেন্টিনার ফরওয়ার্ডরা উনাই সিমনকে তেমন কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
ম্যাচ যত এগোতে থাকে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের একপ্রকার খেই হারাতে থাকে। তারই জেরে স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড ওয়াইরাজাবালকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। স্পেন ও তাদের আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকলেও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেনি। ৪৪ মিনিটে লিসান্দ্রোকে তুলে নেন কোচ। প্রথমার্ধে দুই দল গোল শূন্য সমতায় বিরতিতে যায়, যেখানে স্পেন ম্যাচের আধিপত্য ধরে রাখলেও আর্জেন্টিনা কেন শট নিয়ে সিমনকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি।
দ্য ডে হোয়ার দ্য প্ল্যানেট স্টপ ফর দ্য ডে ফর এভরি ন্যাশন–মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে কথাটা ধারাভাষ্যকার পিটার ডুরির। যেন মুহূর্তের জন্য থেমে গিয়েছিল পুরো পৃথিবী।গ্যালারিতে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা ও স্পেনের লাল জার্সিতে মিলে মিশে যেন এক ছোট সমুদ্র হয়েছিল। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরের উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো গোল না করেই বিরতিতে গেছে দুই ফাইনালিস্ট আর্জেন্টিনা ও স্পেন। রোববার (১৯ জুলাই) নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্কোরলাইন ০-০ থাকলেও খেলার নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুলেও এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করতে পারেনি স্প্যানিশরা। অন্যদিকে পুরো প্রথমার্ধে উনাই সিমনকে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের বাঁশি বাজার কিছু সময়ের মধ্যে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু ডি-বক্সে বল নিয়ে স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ভিতরে ঢুকলেও তার শটটি ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। এতে এগিয়ে যাওয়ার বিরাট এক সুযোগ হারায় স্পেন।
ইয়ামাল বল নিয়ে আক্রমণ করবে আর মেসি বসে থাকবে এমন তো হতে পারে না। মেসি একপ্রকার একা বল নিয়ে স্পেনের অর্ধে চলে যান, যদিও সেটি ৪০ গজ থেকে এসে স্প্যানিশ গোলরক্ষক সিমন সেটিকে ক্লিয়ার করে দেন।শুরুতে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। যদিও আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা চালায়। প্রথম দিকে স্পেন একটি শট লক্ষ্যে রাখলেও আর্জেন্টিনার ফরওয়ার্ডরা উনাই সিমনকে তেমন কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
ম্যাচ যত এগোতে থাকে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের একপ্রকার খেই হারাতে থাকে। তারই জেরে স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড ওয়াইরাজাবালকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। স্পেন ও তাদের আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকলেও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেনি। ৪৪ মিনিটে লিসান্দ্রোকে তুলে নেন কোচ। প্রথমার্ধে দুই দল গোল শূন্য সমতায় বিরতিতে যায়, যেখানে স্পেন ম্যাচের আধিপত্য ধরে রাখলেও আর্জেন্টিনা কেন শট নিয়ে সিমনকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি।
দ্য ডে হোয়ার দ্য প্ল্যানেট স্টপ ফর দ্য ডে ফর এভরি ন্যাশন–মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে কথাটা ধারাভাষ্যকার পিটার ডুরির। যেন মুহূর্তের জন্য থেমে গিয়েছিল পুরো পৃথিবী।গ্যালারিতে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা ও স্পেনের লাল জার্সিতে মিলে মিশে যেন এক ছোট সমুদ্র হয়েছিল। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরের উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
৪ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
৭ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
৮ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
১১ ঘণ্টা আগে