বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি তীব্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সংস্থাটি বলছে, বিশ্ববাজারে ও দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে ঘাটতিতে স্বল্পমেয়াদে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ইনফ্লেশন ডায়নামিকস’ প্রতিবেদনে এই আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, এর সঙ্গে মিলিয়ে দেশে মূল্য সমন্বয় এবং জ্বালানি সরবরাহে সংকট—এই তিন কারণ মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে।
সম্প্রতি সরকার জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পর্যবেক্ষণ সামনে এল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে প্রায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের প্রান্তিকে ছিল ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন খরচ বাড়ে। এর প্রভাব ধাপে ধাপে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ জটিল হয়ে ওঠে।
ব্যাংক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক এজাজুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সব খাতের মৌলিক উপাদান হওয়ায় এর দাম বাড়লে অর্থনীতিতে বহুমুখী প্রভাব পড়ে। এর একটি মূল্যস্ফীতিতে তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বগতি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও বলেছেন, দেশে জ্বালানির দাম বাড়ার পরপরই পরিবহন ব্যয় বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে সবজি ও মশলা জাতীয় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব দেখা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ঈদুল আজহার মৌসুমি চাহিদায় খাদ্য ও পোশাকের দাম বেড়েছে। এটিও সার্বিক মূল্যস্ফীতিকে প্রভাবিত করছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক নীতিগত পদক্ষেপ চালু রাখা জরুরি। কারণ জ্বালানির দামের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে সামনের মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়বে।

দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি তীব্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সংস্থাটি বলছে, বিশ্ববাজারে ও দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে ঘাটতিতে স্বল্পমেয়াদে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ইনফ্লেশন ডায়নামিকস’ প্রতিবেদনে এই আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, এর সঙ্গে মিলিয়ে দেশে মূল্য সমন্বয় এবং জ্বালানি সরবরাহে সংকট—এই তিন কারণ মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে।
সম্প্রতি সরকার জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পর্যবেক্ষণ সামনে এল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে প্রায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের প্রান্তিকে ছিল ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন খরচ বাড়ে। এর প্রভাব ধাপে ধাপে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ জটিল হয়ে ওঠে।
ব্যাংক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক এজাজুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সব খাতের মৌলিক উপাদান হওয়ায় এর দাম বাড়লে অর্থনীতিতে বহুমুখী প্রভাব পড়ে। এর একটি মূল্যস্ফীতিতে তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বগতি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও বলেছেন, দেশে জ্বালানির দাম বাড়ার পরপরই পরিবহন ব্যয় বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে সবজি ও মশলা জাতীয় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব দেখা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ঈদুল আজহার মৌসুমি চাহিদায় খাদ্য ও পোশাকের দাম বেড়েছে। এটিও সার্বিক মূল্যস্ফীতিকে প্রভাবিত করছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক নীতিগত পদক্ষেপ চালু রাখা জরুরি। কারণ জ্বালানির দামের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে সামনের মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়বে।

রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৬ ঘণ্টা আগে
বোতলজাত সয়াবিন তেলের প্রতি লিটার ১৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়েছে। খোলা সয়াবিন তেলের লিটারেও ৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে খোলা সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি বিক্রি হবে ১৭৯ টাকায়।
৬ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে পৃথক আলোচনা সভায় অংশ নিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)। সভায় কর ন্যায্যতা নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আয় বাড়ানোর কৌশল নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরে সংস্থা দুটি।
১ দিন আগে
রাজস্ব আদায়ে গতি বৃদ্ধি এবং প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ করবর্ষের ৭২ হাজার ৩৪১টি আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
১ দিন আগে