স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনলাইনে কর রিটার্ন দাখিল বা ‘ই-রিটার্ন’ সিস্টেমের নিরাপত্তা ও কারিগরি ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি। কোনো সমান্তরাল ‘ডিজাস্টার রিকভারি (ডিআর) সাইট’ না থাকা, পুরোনো হার্ডওয়্যারের কার্যকাল শেষ হওয়া এবং সম্প্রতি দেশে ভাইরাস আক্রমণ বড় বিপদের কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে সম্প্রতি এক চিঠিতে এই উদ্বেগের বিষয়ে জানিয়েছে সিনেসিস আইটি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অসংখ্য করদাতার মূল্যবান তথ্য সংরক্ষিত থাকায় ই-রিটার্ন একটি জাতীয় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেটাবেইস। তবে গত ২৮ জুলাই বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) ডেটা সেন্টারে সৃষ্ট সমস্যায় ই-রিটার্ন সিস্টেমটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে তা পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
এর কারণ হিসেবে সিনেসিস আইটি চিঠিতে জানায়, বর্তমানে ই-রিটার্ন সিস্টেমটি শুধু একটি অবকাঠামো অর্থাৎ একটি ডেটা সেন্টারের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। এতে কোনো ডিআর সাইট বা বিকল্প ব্যবস্থা নেই। ফলে যেকোনো বিপর্যয়ে সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
এতে আরও হয়, ই-রিটার্ন সিস্টেমে ব্যবহৃত হার্ডওয়্যার ও স্টোরেজের নির্ধারিত মেয়াদ বা কার্যকাল পার হয়ে গেছে। এটি সিস্টেমটিকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে এই ঝুঁকি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
এ ছাড়া, দেশে সম্প্রতি র্যানসমওয়্যার (ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার) আক্রমণের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির তথ্য দিয়ে জানানো হয়েছে, এ ধরনের সাইবার হামলায় মূল সার্ভারের তথ্য এনক্রিপ্ট বা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই বিপদ থেকে করদাতাদের মূল্যবান তথ্য সুরক্ষিত রাখতে একটি নিরাপদ ‘এয়ার-গ্যাপড’ স্টোরেজে নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা অত্যন্ত জরুরি। এতে মূল সার্ভারে সাইবার আক্রমণ হলেও ব্যাকআপ থেকে দ্রুত সিস্টেম পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।
এ বিষয়ে সিনেসিস আইটির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে সেখানে কর্মরত এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা নিয়মিত এইভাবে সতর্ক করি। এনবিআরের সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করায় দায়িত্ব থেকেই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, যেসব কোম্পানি আমাদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করে, তারা নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকে সবসময়। আমরাও সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেই। এটার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়।
যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সাইবার আক্রমণ বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির পর প্রতিষ্ঠানের আইটি অবকাঠামো ও তথ্য দ্রুত পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াকে ডিজাস্টার রিকভারি বলা হয়। এটি মূলত কার্যক্রম সচল রাখার কৌশল, যা আকস্মিক বিপর্যয়ে তথ্য হারিয়ে যাওয়া রোধ করে এবং ক্ষতি কমায়।
ডিজাস্টার রিকভারি ব্যবস্থা থাকলে মূল সার্ভার বা সিস্টেম বন্ধ হলেও দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থায় কার্যক্রম চালু করা যায়। গ্রাহকের সংবেদনশীল তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিরাপদ থাকে। জরুরি মুহূর্তে গ্রাহকসেবা সচল রেখে নির্ভরযোগ্যতা ধরে রাখে। সহজ কথায়, বড় কোনো দুর্ঘটনার পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সহজ হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনলাইনে কর রিটার্ন দাখিল বা ‘ই-রিটার্ন’ সিস্টেমের নিরাপত্তা ও কারিগরি ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি। কোনো সমান্তরাল ‘ডিজাস্টার রিকভারি (ডিআর) সাইট’ না থাকা, পুরোনো হার্ডওয়্যারের কার্যকাল শেষ হওয়া এবং সম্প্রতি দেশে ভাইরাস আক্রমণ বড় বিপদের কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে সম্প্রতি এক চিঠিতে এই উদ্বেগের বিষয়ে জানিয়েছে সিনেসিস আইটি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অসংখ্য করদাতার মূল্যবান তথ্য সংরক্ষিত থাকায় ই-রিটার্ন একটি জাতীয় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেটাবেইস। তবে গত ২৮ জুলাই বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) ডেটা সেন্টারে সৃষ্ট সমস্যায় ই-রিটার্ন সিস্টেমটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে তা পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
এর কারণ হিসেবে সিনেসিস আইটি চিঠিতে জানায়, বর্তমানে ই-রিটার্ন সিস্টেমটি শুধু একটি অবকাঠামো অর্থাৎ একটি ডেটা সেন্টারের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। এতে কোনো ডিআর সাইট বা বিকল্প ব্যবস্থা নেই। ফলে যেকোনো বিপর্যয়ে সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
এতে আরও হয়, ই-রিটার্ন সিস্টেমে ব্যবহৃত হার্ডওয়্যার ও স্টোরেজের নির্ধারিত মেয়াদ বা কার্যকাল পার হয়ে গেছে। এটি সিস্টেমটিকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে এই ঝুঁকি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
এ ছাড়া, দেশে সম্প্রতি র্যানসমওয়্যার (ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার) আক্রমণের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির তথ্য দিয়ে জানানো হয়েছে, এ ধরনের সাইবার হামলায় মূল সার্ভারের তথ্য এনক্রিপ্ট বা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই বিপদ থেকে করদাতাদের মূল্যবান তথ্য সুরক্ষিত রাখতে একটি নিরাপদ ‘এয়ার-গ্যাপড’ স্টোরেজে নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা অত্যন্ত জরুরি। এতে মূল সার্ভারে সাইবার আক্রমণ হলেও ব্যাকআপ থেকে দ্রুত সিস্টেম পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।
এ বিষয়ে সিনেসিস আইটির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে সেখানে কর্মরত এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা নিয়মিত এইভাবে সতর্ক করি। এনবিআরের সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করায় দায়িত্ব থেকেই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, যেসব কোম্পানি আমাদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করে, তারা নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকে সবসময়। আমরাও সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেই। এটার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়।
যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সাইবার আক্রমণ বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির পর প্রতিষ্ঠানের আইটি অবকাঠামো ও তথ্য দ্রুত পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াকে ডিজাস্টার রিকভারি বলা হয়। এটি মূলত কার্যক্রম সচল রাখার কৌশল, যা আকস্মিক বিপর্যয়ে তথ্য হারিয়ে যাওয়া রোধ করে এবং ক্ষতি কমায়।
ডিজাস্টার রিকভারি ব্যবস্থা থাকলে মূল সার্ভার বা সিস্টেম বন্ধ হলেও দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থায় কার্যক্রম চালু করা যায়। গ্রাহকের সংবেদনশীল তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিরাপদ থাকে। জরুরি মুহূর্তে গ্রাহকসেবা সচল রেখে নির্ভরযোগ্যতা ধরে রাখে। সহজ কথায়, বড় কোনো দুর্ঘটনার পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সহজ হয়।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন আবদুর রহমান খান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য সাবেক এই চেয়ারম্যানকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কমানো, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনগত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত, আমানতকারীদের সুরক্ষা এবং খেলাপি ঋণ কমাতে পাঁচ বছর মেয়াদি সমন্বিত সংস্কার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সরকারি সেবা দ্রুত ও সমন্বিত করতে কার্যক্রম শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’। বৃহস্পতিবার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। রোববার (২৩ আগস্ট) কার্যক্রম শুরু করে সংস্থাটি। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয় নতুন ব্র্যান্ড পরিচয়।
৯ ঘণ্টা আগে
জামালপুরে গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া ‘বাংলা কিউআর’ হিসাব খোলার অভিযোগ উঠেছে সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নিয়ম ভেঙে সঞ্চয়ী হিসাব ধারীদেরও বাংলা কিউআরে যুক্ত করা হচ্ছে।
১০ ঘণ্টা আগে