স্ট্রিম অনুসন্ধান-২
সালেহ ফুয়াদ

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে তৎপরতা চালাচ্ছে। প্রথমে স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে এবং পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ঢাকায় পাঠিয়ে তারা এই চেষ্টা করেছে। স্ট্রিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই প্রচেষ্টার সমান্তরালে দেশে ‘আফগান ফেরত’ নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তার ঘটছে। তালেবানের এই যোগাযোগকে বিশ্লেষকরা দুইভাবে দেখছেন—এক পক্ষ একে সাধারণ বাণিজ্যিক সম্ভাবনা হিসেবে দেখলেও অন্য পক্ষ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি মনে করছে।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, তালেবান সরকার কেবল আনুষ্ঠানিক পথেই নয়, বরং ধর্মীয় ও উগ্রপন্থী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে অনানুষ্ঠানিক উপায়েও এগোচ্ছে। এর ফলে আশির দশকে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে অংশ নেওয়া মুজাহিদদের সংগঠন ‘হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ’ (হুজি-বি) নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরির আড়ালে মূলত হুজি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজ করছেন।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজের মতে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আরও সময় নেওয়া এবং সতর্ক থাকা উচিত। অন্যদিকে বিশ্লেষক মনযূরুল হক মনে করেন, তালেবানের ধর্মীয় কূটনীতি ইতিবাচক হতে পারে যদি তা গণতান্ত্রিক ধারার নেতাদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তবে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে তালেবানের ঘনিষ্ঠতা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) একেএম শামসুদ্দিন মনে করেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত পক্ষের সঙ্গে এখনই সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করবে না। তিনি বলেন, ‘সরকার আন্তর্জাতিক যেসব পক্ষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখছে, তাতে আফগানিস্তানের সঙ্গে এই মুহূর্তে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের সম্ভাবনা কম।’ তাঁর মতে, আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়লে বাণিজ্যিক অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর থেকে হুজি-বি নেটওয়ার্ক সক্রিয় হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, আফগান ফেরত যোদ্ধারা ১৯৮৯ সালে হুজি-বি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০০৫ সালে সংগঠনটি নিষিদ্ধ হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই নেটওয়ার্কের অনেকে আফগানিস্তান সফর করেছেন। বিপরীতে তালেবান সরকারের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে এসে হুজি-বি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের একটি মাদ্রাসার পরিচালক আবু সায়েম খালেদ ‘বাংলাদেশ-আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ’ (বিএসিসিআই) গঠন করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন হুজি-বির নারায়ণগঞ্জ জেলার আমির। যদিও তিনি এই পদের কথা অস্বীকার করেছেন। তবে তাঁর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের চেয়ে হুজি সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিই বেশি দেখা গেছে। সূত্র বলছে, আবু সায়েম খালেদ বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে আফগানিস্তানে অবস্থান করছেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় বর্তমানে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের বিতর্কিত সীমান্তরেখা ডুরান্ড লাইন নিয়ে তীব্র উত্তেজনা চলছে। এর মাঝেই ভারত ও পাকিস্তানের আলেমদের সঙ্গে তালেবানের ধর্মীয় সংযোগ আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। এদিকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ‘বিশ্ব সন্ত্রাসী’ ঘোষিত লস্কর-ই-তৈয়বার নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি (খালিদ) এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘নতুন করে তৈরি হওয়া বাণিজ্যিক সূচনা আমাদের ঘনিষ্ঠ হওয়ার পথকে পুনরুজ্জীবিত করবে।’ লস্কর নেতার এই অবস্থান এবং বাণিজ্যের আড়ালে উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের সক্রিয় হওয়া নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে।
মনযূরুল হক সতর্ক করে বলেন, তালেবান যদি মূলধারার গণতান্ত্রিক ইসলামী রাজনীতির বদলে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর হাত ধরে, তবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিতর্কিত ও ঝুঁকিপূর্ণ হবে। আলতাফ পারভেজ বলেন, তালেবান আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং তাদের নীতি মানবাধিকার ও নারী অধিকার সনদের বিপরীত। আফগানিস্তানে বাংলাদেশের এমন কোনো জরুরি স্বার্থ নেই যে দ্রুত স্বীকৃতি দিতে হবে। ভারত-পাকিস্তান-আফগানিস্তানের ত্রিমুখী ছদ্মযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রবেশ না করাই হবে বুদ্ধিদীপ্ত কূটনীতি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক একেএম শামসুদ্দিন মনে করেন, রাজনৈতিক ফায়দার জন্য অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীরা তালেবান সরকারকে ব্যবহার করতে পারে। উগ্রপন্থী সংগঠনগুলো সব সময় বাণিজ্য বা কূটনীতির আড়ালে তাদের আদর্শ বিস্তার করে। তাই এ ধরনের প্রতিটি গতিবিধিতে সরকারের কড়া নজরদারি প্রয়োজন।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে তৎপরতা চালাচ্ছে। প্রথমে স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে এবং পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ঢাকায় পাঠিয়ে তারা এই চেষ্টা করেছে। স্ট্রিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই প্রচেষ্টার সমান্তরালে দেশে ‘আফগান ফেরত’ নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তার ঘটছে। তালেবানের এই যোগাযোগকে বিশ্লেষকরা দুইভাবে দেখছেন—এক পক্ষ একে সাধারণ বাণিজ্যিক সম্ভাবনা হিসেবে দেখলেও অন্য পক্ষ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি মনে করছে।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, তালেবান সরকার কেবল আনুষ্ঠানিক পথেই নয়, বরং ধর্মীয় ও উগ্রপন্থী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে অনানুষ্ঠানিক উপায়েও এগোচ্ছে। এর ফলে আশির দশকে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে অংশ নেওয়া মুজাহিদদের সংগঠন ‘হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ’ (হুজি-বি) নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরির আড়ালে মূলত হুজি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজ করছেন।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজের মতে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আরও সময় নেওয়া এবং সতর্ক থাকা উচিত। অন্যদিকে বিশ্লেষক মনযূরুল হক মনে করেন, তালেবানের ধর্মীয় কূটনীতি ইতিবাচক হতে পারে যদি তা গণতান্ত্রিক ধারার নেতাদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তবে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে তালেবানের ঘনিষ্ঠতা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) একেএম শামসুদ্দিন মনে করেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত পক্ষের সঙ্গে এখনই সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করবে না। তিনি বলেন, ‘সরকার আন্তর্জাতিক যেসব পক্ষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখছে, তাতে আফগানিস্তানের সঙ্গে এই মুহূর্তে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের সম্ভাবনা কম।’ তাঁর মতে, আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়লে বাণিজ্যিক অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর থেকে হুজি-বি নেটওয়ার্ক সক্রিয় হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, আফগান ফেরত যোদ্ধারা ১৯৮৯ সালে হুজি-বি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০০৫ সালে সংগঠনটি নিষিদ্ধ হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই নেটওয়ার্কের অনেকে আফগানিস্তান সফর করেছেন। বিপরীতে তালেবান সরকারের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে এসে হুজি-বি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের একটি মাদ্রাসার পরিচালক আবু সায়েম খালেদ ‘বাংলাদেশ-আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ’ (বিএসিসিআই) গঠন করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন হুজি-বির নারায়ণগঞ্জ জেলার আমির। যদিও তিনি এই পদের কথা অস্বীকার করেছেন। তবে তাঁর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের চেয়ে হুজি সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিই বেশি দেখা গেছে। সূত্র বলছে, আবু সায়েম খালেদ বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে আফগানিস্তানে অবস্থান করছেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় বর্তমানে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের বিতর্কিত সীমান্তরেখা ডুরান্ড লাইন নিয়ে তীব্র উত্তেজনা চলছে। এর মাঝেই ভারত ও পাকিস্তানের আলেমদের সঙ্গে তালেবানের ধর্মীয় সংযোগ আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। এদিকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ‘বিশ্ব সন্ত্রাসী’ ঘোষিত লস্কর-ই-তৈয়বার নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি (খালিদ) এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘নতুন করে তৈরি হওয়া বাণিজ্যিক সূচনা আমাদের ঘনিষ্ঠ হওয়ার পথকে পুনরুজ্জীবিত করবে।’ লস্কর নেতার এই অবস্থান এবং বাণিজ্যের আড়ালে উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের সক্রিয় হওয়া নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে।
মনযূরুল হক সতর্ক করে বলেন, তালেবান যদি মূলধারার গণতান্ত্রিক ইসলামী রাজনীতির বদলে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর হাত ধরে, তবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিতর্কিত ও ঝুঁকিপূর্ণ হবে। আলতাফ পারভেজ বলেন, তালেবান আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং তাদের নীতি মানবাধিকার ও নারী অধিকার সনদের বিপরীত। আফগানিস্তানে বাংলাদেশের এমন কোনো জরুরি স্বার্থ নেই যে দ্রুত স্বীকৃতি দিতে হবে। ভারত-পাকিস্তান-আফগানিস্তানের ত্রিমুখী ছদ্মযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রবেশ না করাই হবে বুদ্ধিদীপ্ত কূটনীতি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক একেএম শামসুদ্দিন মনে করেন, রাজনৈতিক ফায়দার জন্য অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীরা তালেবান সরকারকে ব্যবহার করতে পারে। উগ্রপন্থী সংগঠনগুলো সব সময় বাণিজ্য বা কূটনীতির আড়ালে তাদের আদর্শ বিস্তার করে। তাই এ ধরনের প্রতিটি গতিবিধিতে সরকারের কড়া নজরদারি প্রয়োজন।

বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার একাধিক প্রকল্পে ব্যয় করেছিল শত কোটি টাকা। কিন্তু লুটপাটের পাশাপাশি অবৈজ্ঞানিক ও অদূরদর্শী হওয়ায় সেই উদ্যোগের কোনোটিই প্রান্তিক মানুষের কাজে আসেনি। তালগাছ রোপণ, আগাম সতর্কবার্তার যন্ত্র বসানো বা বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন—সব প্রকল্পই ব্যর্থ হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশে প্রতিবছর বাড়ছে বজ্রপাতে মৃত্যু। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলে এপ্রিল-মে মাসে ধান কাটার মৌসুমে বজ্রপাতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত ৭ দিনেই বজ্রপাতে ৭১ জন মারা গেছেন। সব মিলিয়ে এ বছর মৃত্যু শতাধিক।
৪ দিন আগে
রাজধানীর অদূরে একটি মাদ্রাসায় প্রায় এক মাস ছিলেন নিয়ামাতুল্লাহ মাঙ্গাল। এই সময়ে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর চোখে তেহরিকে তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) বাংলাদেশ শাখার প্রধান ইমরান হায়দারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন। নিয়ামাতুল্লাহ আফগানিস্তানের নাগরিক।
১৩ দিন আগে
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, আশরাফ পড়ালেখাসহ সব মিথ্যা বলেছে। ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব লুটেছে। এখন নানাভাবে হয়রানি করছে। সামাজিক সম্মান, ক্যারিয়ার– সব কেড়ে নিয়ে বেঁচে থাকা কঠিন করে তুলেছেন সে।
১৪ দিন আগে