এক্সপ্লেইনার
স্ট্রিম ডেস্ক

দক্ষিণ এশিয়ায় মাজার-সংস্কৃতির বয়স কম নয়। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাস বিষয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক বারবারা দালি মেটকাফ তাঁর মোরাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড অথরিটি: দ্য প্লেস অব আদব ইন সাউথ এশিয়ার ইসলাম বইয়ে বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পুরোনো মাজার পাকিস্তানের বাবা ফরিদউদ্দীন গঞ্জেশকরের মাজার। এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীর একটি মাজার।
সেই হিসেবে প্রায় ৮০০ বছর ধরে দক্ষিণ এশিয়ার মাজারগুলো লাখ লাখ মানুষের কাছে আধ্যাত্মিক শান্তির আশ্রয়স্থল হয়ে আছে। আবার এটি তীব্র ধর্মীয় সংঘাত ও বিতর্কেরও কেন্দ্রবিন্দু। মাজারকে কেন্দ্র করে এই যে পক্ষ-বিপক্ষ অবস্থান, তার মূলে রয়েছে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক মতভেদ, সামাজিক বাস্তবতা এবং আধুনিক রাজনৈতিক স্বার্থের সংঘাত। মূলত সুফি সাধকদের হাত ধরে এ অঞ্চলে ইসলামের যে সহজ ও মরমী রূপটি বিকশিত হয়েছিল, তার দৃশ্যমান কেন্দ্রই হলো মাজার। দক্ষিণ এশিয়ার সমাজ-গবেষক দেলওয়ার হুসাইন দ্য গার্ডিয়ানে এক নিবন্ধে বলেছেন, পীরেরাই সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামকে সহজ ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।
তারপরও এই মাজারগুলো কেন সবসময় বিতর্কের মুখে থাকে? এর উত্তর খোঁজার জন্য মাজার-সংস্কৃতির কয়েকটি গভীর দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
মাজার নিয়ে বিতর্কের সবচেয়ে বড় কারণটি হলো তাত্ত্বিক বা ধর্মীয় আদর্শিক। সুফি দর্শনে বিশ্বাসীরা মনে করেন, আল্লাহর প্রিয় বান্দা বা পীররা মৃত্যুর পরও আধ্যাত্মিক ক্ষমতা (বারাকা) রাখেন। তারা মনে করেন, সরাসরি স্রষ্টার কাছে চাওয়ার চেয়ে এই আধ্যাত্মিক মহাপুরুষদের ‘ওসিলা’ বা মধ্যস্থতায় চাওয়া বেশি কার্যকর। এই বিশ্বাস থেকেই মাজারে দোয়া, মানত এবং উরস উৎসবের মতো আচারের জন্ম হয়েছে বলে পাকিস্তানি গবেষক ও জিসি ইউনিভার্সিটি ফয়সলাবাদের শিক্ষক তানজিলা আরশাদ তাঁর এক গবেষণায় উল্লেখ করেছেন।
ওই একই গবেষণায় বলা হয়েছে, ১৮শ শতক থেকে ওয়াহাবি ও দেওবন্দি আন্দোলনের মতো কট্টরপন্থী ধারাগুলো মাজার সংস্কৃতির তীব্র বিরোধিতা শুরু করে। তাদের মতে, মাজারে গিয়ে কিছু চাওয়া বা কবরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ‘শিরক’ বা স্রষ্টার সঙ্গে অন্য কাউকে অংশীদার করার শামিল। তাদের দৃষ্টিতে এটি ‘কবরপূজা’ এবং ইসলামের বিশুদ্ধ একেশ্বরবাদী ধারণার পরিপন্থী। এই ‘বিশুদ্ধ বনাম মিশ্র’ ইসলামের বিতর্কই মাজারকে একটি স্থায়ী বিবাদের জায়গায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
মাজারের একটি অত্যন্ত মানবিক ও সামাজিক দিক রয়েছে। এই মানবিক দিকটিই মাজারকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। গবেষক দেলওয়ার হুসাইন বলেছেন, রাষ্ট্র বা সমাজ যেখানে ব্যর্থ হয়, সেখানে মাজার অনেক সময় বিকল্প সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে দরিদ্র, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং সামাজিকভাবে বঞ্চিত নারীরা মাজারে এক ধরণের নিরাপত্তা ও মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পান। লঙ্গরখানায় বিনামূল্যে খাবার বা আশ্রয়—মাজারকে একটি মানবিক কেন্দ্রে পরিণত করেছে।
তবে বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন এই ভক্তি ও বিশ্বাসকে পুঁজি করে ‘মাজার ব্যবসা’ শুরু হয়। গবেষক দেলওয়ার হুসাইন তাঁর নিবন্ধে বলেছেন, সময়ের পরিক্রমায় অনেক মাজারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠে, সেখানে সাধারণ ভক্তদের আবেগ ও অসহায়ত্বকে ব্যবহার করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। আধ্যাত্মিকতার আবরণে এই অর্থনৈতিক শোষণ এবং অনৈসলামিক কিছু আচার (যেমন—মাদক বা নাচ-গানের আধিক্য) মাজার সংস্কৃতিকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ করেছে।
ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট আয়েশা সিদ্দিকা দ্য ওয়্যারে এক নিবন্ধে বলেছেন, বর্তমান সময়ে মাজার নিয়ে বিতর্কের একটি বড় অংশজুড়ে আছে রাজনৈতিক ও উগ্রবাদী সংঘাত। মাজার সংস্কৃতি মূলত একটি মিশ্র সংস্কৃতি। সেখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষ ভিড় করে। এই বহুত্ববাদ বা সর্বজনীন উদারতা উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর চক্ষুশূল। উগ্রপন্থীরা মনে করে, মাজারের এই উদার চর্চা ইসলামের মূল পরিচয়কে নষ্ট করছে। একারণেই পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে বারবার মাজারকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা বা সহিংসতা চালানো হয়।
আবার মাজারকে একইসঙ্গে সহনশীল লোকজ ঐতিহ্যের প্রতীক ও উগ্রপন্থীদের টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করেছেন দ্য ইকোনমিক টাইম-এর লেখক দীপাঞ্জন রায়চৌধুরি। তিনি তাঁর এক লেখায় বলেছেন, একদিকে মাজারকে দেখা হয় সহনশীল লোকজ ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে। অন্যদিকে উগ্রপন্থীরা একে ধর্মীয় বিকৃতি হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে চায়। ফলে মাজার এখন কেবল বিশ্বাসের জায়গা নয়, বরং ‘সহনশীলতা বনাম উগ্রপন্থা’র এক বড় লড়াইয়ের ময়দান হয়ে উঠেছে।
মাজার সংস্কৃতি আসলে একই সঙ্গে বিশ্বাস ও বিতর্কের এক জটিল মিশেল। এটি যেমন প্রান্তিক মানুষের কাছে ভরসার জায়গা, তেমনি এটি ধর্মীয় শুদ্ধবাদীদের কাছে একটি আপত্তির জায়গা। আধুনিক যুগেও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে মাজারের গুরুত্ব কমেনি, বরং এর চারপাশের বিতর্কগুলো নতুন মাত্রা পেয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় মাজার-সংস্কৃতির বয়স কম নয়। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাস বিষয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক বারবারা দালি মেটকাফ তাঁর মোরাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড অথরিটি: দ্য প্লেস অব আদব ইন সাউথ এশিয়ার ইসলাম বইয়ে বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পুরোনো মাজার পাকিস্তানের বাবা ফরিদউদ্দীন গঞ্জেশকরের মাজার। এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীর একটি মাজার।
সেই হিসেবে প্রায় ৮০০ বছর ধরে দক্ষিণ এশিয়ার মাজারগুলো লাখ লাখ মানুষের কাছে আধ্যাত্মিক শান্তির আশ্রয়স্থল হয়ে আছে। আবার এটি তীব্র ধর্মীয় সংঘাত ও বিতর্কেরও কেন্দ্রবিন্দু। মাজারকে কেন্দ্র করে এই যে পক্ষ-বিপক্ষ অবস্থান, তার মূলে রয়েছে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক মতভেদ, সামাজিক বাস্তবতা এবং আধুনিক রাজনৈতিক স্বার্থের সংঘাত। মূলত সুফি সাধকদের হাত ধরে এ অঞ্চলে ইসলামের যে সহজ ও মরমী রূপটি বিকশিত হয়েছিল, তার দৃশ্যমান কেন্দ্রই হলো মাজার। দক্ষিণ এশিয়ার সমাজ-গবেষক দেলওয়ার হুসাইন দ্য গার্ডিয়ানে এক নিবন্ধে বলেছেন, পীরেরাই সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামকে সহজ ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।
তারপরও এই মাজারগুলো কেন সবসময় বিতর্কের মুখে থাকে? এর উত্তর খোঁজার জন্য মাজার-সংস্কৃতির কয়েকটি গভীর দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
মাজার নিয়ে বিতর্কের সবচেয়ে বড় কারণটি হলো তাত্ত্বিক বা ধর্মীয় আদর্শিক। সুফি দর্শনে বিশ্বাসীরা মনে করেন, আল্লাহর প্রিয় বান্দা বা পীররা মৃত্যুর পরও আধ্যাত্মিক ক্ষমতা (বারাকা) রাখেন। তারা মনে করেন, সরাসরি স্রষ্টার কাছে চাওয়ার চেয়ে এই আধ্যাত্মিক মহাপুরুষদের ‘ওসিলা’ বা মধ্যস্থতায় চাওয়া বেশি কার্যকর। এই বিশ্বাস থেকেই মাজারে দোয়া, মানত এবং উরস উৎসবের মতো আচারের জন্ম হয়েছে বলে পাকিস্তানি গবেষক ও জিসি ইউনিভার্সিটি ফয়সলাবাদের শিক্ষক তানজিলা আরশাদ তাঁর এক গবেষণায় উল্লেখ করেছেন।
ওই একই গবেষণায় বলা হয়েছে, ১৮শ শতক থেকে ওয়াহাবি ও দেওবন্দি আন্দোলনের মতো কট্টরপন্থী ধারাগুলো মাজার সংস্কৃতির তীব্র বিরোধিতা শুরু করে। তাদের মতে, মাজারে গিয়ে কিছু চাওয়া বা কবরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ‘শিরক’ বা স্রষ্টার সঙ্গে অন্য কাউকে অংশীদার করার শামিল। তাদের দৃষ্টিতে এটি ‘কবরপূজা’ এবং ইসলামের বিশুদ্ধ একেশ্বরবাদী ধারণার পরিপন্থী। এই ‘বিশুদ্ধ বনাম মিশ্র’ ইসলামের বিতর্কই মাজারকে একটি স্থায়ী বিবাদের জায়গায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
মাজারের একটি অত্যন্ত মানবিক ও সামাজিক দিক রয়েছে। এই মানবিক দিকটিই মাজারকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। গবেষক দেলওয়ার হুসাইন বলেছেন, রাষ্ট্র বা সমাজ যেখানে ব্যর্থ হয়, সেখানে মাজার অনেক সময় বিকল্প সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে দরিদ্র, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং সামাজিকভাবে বঞ্চিত নারীরা মাজারে এক ধরণের নিরাপত্তা ও মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পান। লঙ্গরখানায় বিনামূল্যে খাবার বা আশ্রয়—মাজারকে একটি মানবিক কেন্দ্রে পরিণত করেছে।
তবে বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন এই ভক্তি ও বিশ্বাসকে পুঁজি করে ‘মাজার ব্যবসা’ শুরু হয়। গবেষক দেলওয়ার হুসাইন তাঁর নিবন্ধে বলেছেন, সময়ের পরিক্রমায় অনেক মাজারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠে, সেখানে সাধারণ ভক্তদের আবেগ ও অসহায়ত্বকে ব্যবহার করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। আধ্যাত্মিকতার আবরণে এই অর্থনৈতিক শোষণ এবং অনৈসলামিক কিছু আচার (যেমন—মাদক বা নাচ-গানের আধিক্য) মাজার সংস্কৃতিকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ করেছে।
ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট আয়েশা সিদ্দিকা দ্য ওয়্যারে এক নিবন্ধে বলেছেন, বর্তমান সময়ে মাজার নিয়ে বিতর্কের একটি বড় অংশজুড়ে আছে রাজনৈতিক ও উগ্রবাদী সংঘাত। মাজার সংস্কৃতি মূলত একটি মিশ্র সংস্কৃতি। সেখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষ ভিড় করে। এই বহুত্ববাদ বা সর্বজনীন উদারতা উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর চক্ষুশূল। উগ্রপন্থীরা মনে করে, মাজারের এই উদার চর্চা ইসলামের মূল পরিচয়কে নষ্ট করছে। একারণেই পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে বারবার মাজারকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা বা সহিংসতা চালানো হয়।
আবার মাজারকে একইসঙ্গে সহনশীল লোকজ ঐতিহ্যের প্রতীক ও উগ্রপন্থীদের টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করেছেন দ্য ইকোনমিক টাইম-এর লেখক দীপাঞ্জন রায়চৌধুরি। তিনি তাঁর এক লেখায় বলেছেন, একদিকে মাজারকে দেখা হয় সহনশীল লোকজ ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে। অন্যদিকে উগ্রপন্থীরা একে ধর্মীয় বিকৃতি হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে চায়। ফলে মাজার এখন কেবল বিশ্বাসের জায়গা নয়, বরং ‘সহনশীলতা বনাম উগ্রপন্থা’র এক বড় লড়াইয়ের ময়দান হয়ে উঠেছে।
মাজার সংস্কৃতি আসলে একই সঙ্গে বিশ্বাস ও বিতর্কের এক জটিল মিশেল। এটি যেমন প্রান্তিক মানুষের কাছে ভরসার জায়গা, তেমনি এটি ধর্মীয় শুদ্ধবাদীদের কাছে একটি আপত্তির জায়গা। আধুনিক যুগেও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে মাজারের গুরুত্ব কমেনি, বরং এর চারপাশের বিতর্কগুলো নতুন মাত্রা পেয়েছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের ৪৪তম দিন চলছে। ইতিমধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে দুই দেশের বৈঠক। ২১ ঘণ্টার টানা দরকষাকষি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনা শেষেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।
৪২ মিনিট আগে
বিশ্বের মনোযোগ এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি এবং লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলার দিকে। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনের গাজায় ছয় মাস আগে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি স্থিতিশীলতা আনতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
দৃশ্যটি এরইমধ্যে অনেকেই দেখে ফেলেছেন নিশ্চয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে বলছেন—‘এত অসহিষ্ণু হলে চলবে না মিস্টার আবদুল্লাহ। দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট (এটা শাহবাগ চত্বর নয়, এটা সংসদ)। এখানে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে, শুনতে হবে।’
১ দিন আগে
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। রাস্তায় সভা-সমাবেশ, ধর্মীয় মিছিল থেকে শুরু করে টিভি স্টুডিও—সব জায়গাতেই এখন একটাই প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গে কি আবার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল, নাকি ঘুরে দাঁড়াবে বিজেপি?
২ দিন আগে